ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মীরজাফরদের ঠাঁই বিএনপিতে হবে না: আজহারুল ইসলাম মান্নান খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন রাজনীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত : আমীর খসরু ইরানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ মিডিয়ার প্রশংসা দেখে মনে হয় হাসিনার আমলে আছি: হাসনাত ডাল মে কুচ কালা হে, জামায়াতকে চরমোনাই পীর আগামী ১৬ মার্চে অস্কারে যাচ্ছেন বাংলাদেশি সাংবাদিক আল কাছির শুনলাম একটা দল নাকি ৪০ লাখ বোরকা বানাইসে: মির্জা আব্বাস মানুষ তার ওপরই ভরসা করে, যারা অতীতে পরীক্ষিত: তারেক রহমান এ নির্বাচন তাদের লড়াইয়ের ফসল যারা চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছে:নাহিদ ভিন্ন ধারার রাজনীতি করা সম্ভব, প্রমাণ করতে চাই: তাসনিম জারা

ইন্দোনেশিয়ায় জেগে উঠল ভয়ঙ্কর আগ্নেয়গিরি! ধোঁয়ায় ঢেকে গেল ৪ কি.মি

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা টেঙ্গারা প্রদেশে ইলি লিউওটোলোক আগ্নেয়গিরি হঠাৎই জেগে উঠেছে। রবিবার জাগ্রত এই আগ্নেয়গিরির প্রভাবে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে ওই অংশের চার কিলোমিটার এলাকা। ছাইয়ের পুরু স্তর পড়ে গিয়েছে রাস্তায়। এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে প্রায় ২৭০০ মানুষকে।

ইন্দোনেশিয়ায় প্রায় ১৩০০টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে। যে কোনো দেশের তুলনায় সংখ্যাটা অত্যধিক মাত্রায় বেশি। পুরো মাত্রায় উদগিরণের আগে কখনও ১ মাস, কখনও বা কয়েক সপ্তাহ ধরে এগুলো সামান্য সক্রিয় থাকে। তখনই ছাই ছড়িয়ে পড়ে এগুলো থেকে।

ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে ২৬০০ কিলোমিটার পূর্বে হঠাৎই এই আগ্নেয়গিরি থেকে ছাই, লাভা বেরিয়ে আসতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। ঘটনা প্রত্যক্ষ করার পর অনেকেই এলাকা ছেড়ে চলে যান। অনেককে উদ্ধার করে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ঘটনা সবে শুরু হয়েছে। এর পর আগ্নেয়গিরি থেকে ক্রমাগত লাভা উদগিরণের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে গরম মেঘ, লাভা স্রোত, লাভা-ধস ও বিষাক্ত গ্যাসে ছেয়ে যেতে পারে এলাকা। আপাতত ইন্দোনেশিয়ার সরকারের পক্ষ থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্দোনেশিয়ায় জেগে উঠল ভয়ঙ্কর আগ্নেয়গিরি! ধোঁয়ায় ঢেকে গেল ৪ কি.মি

আপডেট সময় ০৮:৪২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা টেঙ্গারা প্রদেশে ইলি লিউওটোলোক আগ্নেয়গিরি হঠাৎই জেগে উঠেছে। রবিবার জাগ্রত এই আগ্নেয়গিরির প্রভাবে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে ওই অংশের চার কিলোমিটার এলাকা। ছাইয়ের পুরু স্তর পড়ে গিয়েছে রাস্তায়। এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে প্রায় ২৭০০ মানুষকে।

ইন্দোনেশিয়ায় প্রায় ১৩০০টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে। যে কোনো দেশের তুলনায় সংখ্যাটা অত্যধিক মাত্রায় বেশি। পুরো মাত্রায় উদগিরণের আগে কখনও ১ মাস, কখনও বা কয়েক সপ্তাহ ধরে এগুলো সামান্য সক্রিয় থাকে। তখনই ছাই ছড়িয়ে পড়ে এগুলো থেকে।

ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে ২৬০০ কিলোমিটার পূর্বে হঠাৎই এই আগ্নেয়গিরি থেকে ছাই, লাভা বেরিয়ে আসতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। ঘটনা প্রত্যক্ষ করার পর অনেকেই এলাকা ছেড়ে চলে যান। অনেককে উদ্ধার করে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ঘটনা সবে শুরু হয়েছে। এর পর আগ্নেয়গিরি থেকে ক্রমাগত লাভা উদগিরণের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে গরম মেঘ, লাভা স্রোত, লাভা-ধস ও বিষাক্ত গ্যাসে ছেয়ে যেতে পারে এলাকা। আপাতত ইন্দোনেশিয়ার সরকারের পক্ষ থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।