ঢাকা ০১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাছ কিনতে মোটরসাইকেল যাচ্ছিলেন বাজারে, পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত দুই ভাই ঈদ ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো শঙ্কা নেই : র‍্যাব ডিজি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প, উৎপত্তিস্থল ভালুকা সৌদিতে হজ পালনে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু ট্রলারডুবিতে ব্যবসায়ীসহ ২৩ গরু নিখোঁজ ১৫ ইউনিটের চেষ্টায় কালশি বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে এটা আওয়ামী লীগের সরকার নয় যে চুরি করে পার পাবেন : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ঘুমন্ত নারী খুন, তিনজনের মৃত্যুদণ্ড সরকার পুলিশকে লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করতে চাচ্ছে :হাসনাত আব্দুল্লাহ দ্রুত ছড়াচ্ছে কালশী বস্তির আগুন, পানি সংকটে ফায়ার সার্ভিস

বাগেরহাটে নিহত সেই শিশুর বাবাসহ আটক ৩

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলায় বিছানা থেকে ১৭ দিনের শিশু চুরির পর নিহতের ঘটনায় তার বাবাসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার সন্ধ্যায় মোরেলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের গাবতলা গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় আটকরা হলেন- নিহত শিশুর বাবা সুজন খান (২৮), চাচা রিপন খান (২৫) ও ফুফা হাসিব খান (৩০)।

এর আগে রোববার গভীর রাতে মৎস্যজীবী সুজন খান ও শান্তা আকতার দম্পতির ১৭ দিনের শিশু সানজিদা আক্তার চুরি হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর বুধবার সকালে মোরেলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের গাবতলা গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে পুকুর থেকে শিশুটির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, বাগেহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলায় ঘুমন্ত মা-বাবার কোল থেকে ১৭ দিনের শিশুকন্যা চুরির ঘটনার তিন দিন পর বুধবার সকালে পুকুরে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্ধ্যায় পুলিশ শিশুর বাবাসহ তিনজনকে আটক করেছে।

মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, পুকুর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসাপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার বাবাসহ তিনজনকে থানায় আনা হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ রয়েছে পুলিশের।

উল্লেখ্য, রোববার রাত ১১টার দিকে মোরেলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের গাবতলা গ্রামের মৎস্যজীবী সুজন খান ও তার স্ত্রী শান্তা আক্তার ১৭ দিন বয়সী শিশু মেয়ে সানজিদাকে তাদের দুজনের মাঝখানে শুইয়ে রেখে ঘুমিয়ে পড়েন।

দিবাগত রাত ২টার দিকে তাদের ঘুম ভাঙলে দেখেন শিশুটি বিছানায় নেই। তার বালিশটি খাটের নিচে পড়ে আছে এবং ঘরের দরজাগুলো খোলা।

একমাত্র নবজাতক সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় হয়ে পড়েন শিশুটির মা শান্তা আক্তার।

এ ঘটনায় সোমবার রাতে চুরি যাওয়া শিশুটির দাদা মো. আলী হোসেন খান বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় একটি মামলা করেন।

প্রতিবেশীদের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধ ও পারিবারিক কলহের কারণে ১৭ দিনের শিশু সানজিদা চুরি হয়ে থাকতে পারে বলে শিশুটির বাবা সুজন খান দাবি করেন।

শিশু সানজিদাকে উদ্ধারে থানা পুলিশের পাশাপাশি ডিবি ও পিবিআইয়ের পৃথক দুটি টিম মাঠে কাজ করে। বুধবার ফজরের পর স্থানীয়রা বাড়ির পুকুরে শিশুটির মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাছ কিনতে মোটরসাইকেল যাচ্ছিলেন বাজারে, পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত দুই ভাই

বাগেরহাটে নিহত সেই শিশুর বাবাসহ আটক ৩

আপডেট সময় ১২:১৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলায় বিছানা থেকে ১৭ দিনের শিশু চুরির পর নিহতের ঘটনায় তার বাবাসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার সন্ধ্যায় মোরেলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের গাবতলা গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় আটকরা হলেন- নিহত শিশুর বাবা সুজন খান (২৮), চাচা রিপন খান (২৫) ও ফুফা হাসিব খান (৩০)।

এর আগে রোববার গভীর রাতে মৎস্যজীবী সুজন খান ও শান্তা আকতার দম্পতির ১৭ দিনের শিশু সানজিদা আক্তার চুরি হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর বুধবার সকালে মোরেলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের গাবতলা গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে পুকুর থেকে শিশুটির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, বাগেহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলায় ঘুমন্ত মা-বাবার কোল থেকে ১৭ দিনের শিশুকন্যা চুরির ঘটনার তিন দিন পর বুধবার সকালে পুকুরে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্ধ্যায় পুলিশ শিশুর বাবাসহ তিনজনকে আটক করেছে।

মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, পুকুর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসাপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার বাবাসহ তিনজনকে থানায় আনা হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ রয়েছে পুলিশের।

উল্লেখ্য, রোববার রাত ১১টার দিকে মোরেলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের গাবতলা গ্রামের মৎস্যজীবী সুজন খান ও তার স্ত্রী শান্তা আক্তার ১৭ দিন বয়সী শিশু মেয়ে সানজিদাকে তাদের দুজনের মাঝখানে শুইয়ে রেখে ঘুমিয়ে পড়েন।

দিবাগত রাত ২টার দিকে তাদের ঘুম ভাঙলে দেখেন শিশুটি বিছানায় নেই। তার বালিশটি খাটের নিচে পড়ে আছে এবং ঘরের দরজাগুলো খোলা।

একমাত্র নবজাতক সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় হয়ে পড়েন শিশুটির মা শান্তা আক্তার।

এ ঘটনায় সোমবার রাতে চুরি যাওয়া শিশুটির দাদা মো. আলী হোসেন খান বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় একটি মামলা করেন।

প্রতিবেশীদের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধ ও পারিবারিক কলহের কারণে ১৭ দিনের শিশু সানজিদা চুরি হয়ে থাকতে পারে বলে শিশুটির বাবা সুজন খান দাবি করেন।

শিশু সানজিদাকে উদ্ধারে থানা পুলিশের পাশাপাশি ডিবি ও পিবিআইয়ের পৃথক দুটি টিম মাঠে কাজ করে। বুধবার ফজরের পর স্থানীয়রা বাড়ির পুকুরে শিশুটির মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।