ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি তিন বছর সময় নেওয়া বিলাসিতা নয়: তিতুমীর চাঁদা না পেয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ৩৫ লাখ টাকা লুট দোষারোপের সময় নয়, দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংসদে না হলে রাজপথে আন্দোলন: গোলাম পরওয়ার অনলাইনে মাদক কেনাবেচার সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস জাপা নেতার বাসায় নাহিদ ও হাসনাতের ডিনার-রাতযাপন জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে সমুন্নত রাখতে জাতীয় ঐক্য গঠনে কাজ করবে এবি পার্টি বিরোধী দলের ওয়াকআউট হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ট্রাম্পের রাতারাতি বড় কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: আইএমএফকে অর্থমন্ত্রী

ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইভজি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের তাগিদ হুয়াওয়ের

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :  

সম্প্রতি চীনের সাংহাইয়ে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১১তম বৈশ্বিক মোবাইল ব্রডব্যান্ড ফোরাম। ফাইভজি’র সম্ভাবনা এবং এ শিল্প খাতের প্রবণতা নিয়ে নিজেদের ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি ইন্টেলিজেন্ট বিশ্ব তৈরিতে প্রযুক্তি খাতে উদ্ভাবন কীভাবে সহায়তা করতে পারে তা নিয়ে আলোচনায় উন্মুক্ত এ ফোরামে বৈশ্বিক ক্যারিয়ার, ইন্ডাস্ট্রি চেইন পার্টনার, শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের নিয়ে উন্মুক্ত এ ফোরাম আয়োজন করে শীর্ষস্থানীয় আইসিটি পণ্য ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে।

ফোরামের প্রথম দিন ‘ম্যাক্সিমাইজিং ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক ভ্যালু ফর আ গোল্ডেন ডেকেড অব ফাইভ জি’ শীর্ষক মূল বক্তব্য প্রদান করেন হুয়াওয়ের নির্বাহী পরিচালক এবং ক্যারিয়ার বিজনেস গ্রুপের প্রেসিডেন্ট রায়ান ডিং।

ডিং বলেন, আগামী দশকে বিশ্বজুড়েই ফাইভজি’র উন্নয়নে সোনালী যুগ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং পুরো শিল্পখাতকেই ফাইভজি’র ওপর আস্থা রাখতে হবে এবং সর্বোত্তম ফাইভজি নেটওয়ার্ক তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি, সবার সুবিধার জন্য এর উপযোগিতা নিয়ে কাজ করতে হবে। বিগত প্রজন্মের চেয়ে ফাইভজি’র বিকাশ এখন দ্রুতগতিতে হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে বর্তমানে একশ’টির বেশি বাণিজ্যিক ফাইভজি সেবাদানকারী নেটওয়ার্ক অপারেটর রয়েছে এবং শীর্ষস্থানীয় ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যেই ফাইভজি ডাটা প্ল্যান থেকে উপকৃত হচ্ছে। তাই, ফাইভজি’র উন্নয়নে এবং মানুষদের ফাইভজি সেবা ব্যবহারে উৎসাহিত করতে ক্যারিয়ারগুলোকে সেরা নেটওয়ার্ক তৈরি করতে হবে। তাদের সকল ক্ষেত্রে সব জায়গায় কাভারেজ দিতে হবে। এর মধ্যে থাকবে: জনবহুল এলাকা, শহর এবং বাসার ভেতরেও যাতে ব্যবহারকারীরা সবসময় ফাইভজি সেবা পেতে পারেন।

টেলিযোগাযোগ খাতকেও নেটওয়ার্ক পরিকল্পনা, বিনির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং কার্যক্রম সহজ করা সহ এন্ড-টু-এন্ড এর নানা পর্যায়ে উন্নয়ন করতে হবে। যা ইন্ডাস্ট্রি অ্যাপ্লিকেশন স্থাপনের ব্যয় হ্রাস করবে। ডিং বলেন যে, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইভজি অ্যাপ্লিকেশনের উন্নয়নে খাত সংশ্লিষ্ট সবার প্রচেষ্টা প্রয়োজন, এটা শুধুমাত্র ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব নয়। উন্নয়ন ত্বরাণ্বিত করা তখনই সম্ভব যখন টেলিযোগাযোগ অন্যান্য খাতের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

১১তম বৈশ্বিক মোবাইল ব্রডব্যান্ড ফোরামে বিশ্বের নানা ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠান, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, অংশীদার ও মিডিয়া বিশ্লেষকদের সাথে হুয়াওয়ে বৈশ্বিক খাতের প্রবণতা নিয়ে ধারণা শেয়ার করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি তিন বছর সময় নেওয়া বিলাসিতা নয়: তিতুমীর

ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইভজি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের তাগিদ হুয়াওয়ের

আপডেট সময় ১১:০০:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :  

সম্প্রতি চীনের সাংহাইয়ে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১১তম বৈশ্বিক মোবাইল ব্রডব্যান্ড ফোরাম। ফাইভজি’র সম্ভাবনা এবং এ শিল্প খাতের প্রবণতা নিয়ে নিজেদের ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি ইন্টেলিজেন্ট বিশ্ব তৈরিতে প্রযুক্তি খাতে উদ্ভাবন কীভাবে সহায়তা করতে পারে তা নিয়ে আলোচনায় উন্মুক্ত এ ফোরামে বৈশ্বিক ক্যারিয়ার, ইন্ডাস্ট্রি চেইন পার্টনার, শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের নিয়ে উন্মুক্ত এ ফোরাম আয়োজন করে শীর্ষস্থানীয় আইসিটি পণ্য ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে।

ফোরামের প্রথম দিন ‘ম্যাক্সিমাইজিং ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক ভ্যালু ফর আ গোল্ডেন ডেকেড অব ফাইভ জি’ শীর্ষক মূল বক্তব্য প্রদান করেন হুয়াওয়ের নির্বাহী পরিচালক এবং ক্যারিয়ার বিজনেস গ্রুপের প্রেসিডেন্ট রায়ান ডিং।

ডিং বলেন, আগামী দশকে বিশ্বজুড়েই ফাইভজি’র উন্নয়নে সোনালী যুগ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং পুরো শিল্পখাতকেই ফাইভজি’র ওপর আস্থা রাখতে হবে এবং সর্বোত্তম ফাইভজি নেটওয়ার্ক তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি, সবার সুবিধার জন্য এর উপযোগিতা নিয়ে কাজ করতে হবে। বিগত প্রজন্মের চেয়ে ফাইভজি’র বিকাশ এখন দ্রুতগতিতে হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে বর্তমানে একশ’টির বেশি বাণিজ্যিক ফাইভজি সেবাদানকারী নেটওয়ার্ক অপারেটর রয়েছে এবং শীর্ষস্থানীয় ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যেই ফাইভজি ডাটা প্ল্যান থেকে উপকৃত হচ্ছে। তাই, ফাইভজি’র উন্নয়নে এবং মানুষদের ফাইভজি সেবা ব্যবহারে উৎসাহিত করতে ক্যারিয়ারগুলোকে সেরা নেটওয়ার্ক তৈরি করতে হবে। তাদের সকল ক্ষেত্রে সব জায়গায় কাভারেজ দিতে হবে। এর মধ্যে থাকবে: জনবহুল এলাকা, শহর এবং বাসার ভেতরেও যাতে ব্যবহারকারীরা সবসময় ফাইভজি সেবা পেতে পারেন।

টেলিযোগাযোগ খাতকেও নেটওয়ার্ক পরিকল্পনা, বিনির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং কার্যক্রম সহজ করা সহ এন্ড-টু-এন্ড এর নানা পর্যায়ে উন্নয়ন করতে হবে। যা ইন্ডাস্ট্রি অ্যাপ্লিকেশন স্থাপনের ব্যয় হ্রাস করবে। ডিং বলেন যে, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইভজি অ্যাপ্লিকেশনের উন্নয়নে খাত সংশ্লিষ্ট সবার প্রচেষ্টা প্রয়োজন, এটা শুধুমাত্র ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব নয়। উন্নয়ন ত্বরাণ্বিত করা তখনই সম্ভব যখন টেলিযোগাযোগ অন্যান্য খাতের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

১১তম বৈশ্বিক মোবাইল ব্রডব্যান্ড ফোরামে বিশ্বের নানা ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠান, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, অংশীদার ও মিডিয়া বিশ্লেষকদের সাথে হুয়াওয়ে বৈশ্বিক খাতের প্রবণতা নিয়ে ধারণা শেয়ার করেছে।