ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

ডাটার অপপ্রয়োগ রোধে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

ডাটার গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বিশেষত ব্যক্তিগত ডাটার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ফলে ডাটার অপপ্রয়োগ রোধে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

শুক্রবার ঢাকায় ওয়েবিনারে বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরাম (বিআইজিএফ) আয়োজিত সংস্থার ১৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা উপলক্ষে ‘ইন্টারনেট ফর হিউমেন রেজিলেন্স এন্ড উইথ ইকুইটি লেন্স উয়েক এন্ড মিসিং ভয়েসেস’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ‘ডাটার গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বিশেষত ব্যক্তিগত ডাটার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ডাটা অনেক ক্ষেত্রে মানুষে মানুষে সংঘাত ও সমস্যা সৃষ্টিসহ নানাবিধ খারাপ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়।

ফেসবুকে কোনো কোনো সময় ডাটার অপপ্রয়োগের মাধ্যমে সন্ত্রাস, মানহানি, গুজব ছড়ানো, অপপ্রচার, রাজনৈতিক সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সৃষ্টি করার অপচেষ্টা হয়ে থাকে। দেশে ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রসারের পাশাপাশি ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। ডাটার অপপ্রয়োগ রোধে সম্মিলিত উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।’

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘বাংলাদেশে ইন্টারনেট বিকাশের ইতিহাস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে শুরু হয়েছে। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর তার হাত ধরে দেশে ডিজিটাল অবকাঠামোর উন্নয়নের যাত্রা শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি ২০০৮ সালে নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ২০০৯ সাল থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার বাস্তবায়ন শুরু হয়।’

মন্ত্রী বলেন, ‘কৃষিনির্ভর অর্থনীতির বাংলাদেশ ডিজিটাল বিপ্লবের ফসল হিসেবে আজ সমৃদ্ধ সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার দোরগোড়ায় উপনীত হয়েছে। তিনি ইন্টারনেট নিরাপত্তা বিষয়ক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।’

তিনি বলেন, ‘ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিপদ থেকে আত্মরক্ষার উপায় জানতে হবে। প্রযুক্তির পাশাপাশি ইন্টারনেট নিরাপদ রাখতে সচেতনতা অপরিহার্য। এছাড়াও ২০০৮ সালে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারির সংখ্যা ছিল মাত্র ৮ লাখ। গত ১১ বছরে তা ১০ কোটি অতিক্রম করেছে। তিনি বাংলাকে টপ লেভেল ডোমেইনে অন্তর্ভুক্ত করতে বিআইজিএফ চেয়ারম্যান হাসানুল হক ইনুর ভূমিকার প্রশংসা করেন মন্ত্রী।

হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু দেশ দিয়েছেন, এটি সমৃদ্ধ করার দায়িত্ব আমাদের। তিনি উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বেগবান করতে সকলের জন্য ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার উল্লেখ করে বলেন, ইন্টারনেট হচ্ছে বৈষম্য থেকে মুক্তি দেয়ার বড় হাতিয়ার।’

এসময় তিনি ডাটা নিরাপত্তা আইন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও ইন্টারনেটকে মৌলিক অধিকার হিসেবেও আখ্যায়িত করেন।

অনুষ্ঠানটি বিআইজিএফ সভাপতি, তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান জহুরুল হক, গুগল এশিয়া প্যাসিফিক, সিঙ্গাপুর এর কর্মকর্তা তেনজিন নরভু, আইকান এর এশিয়া প্যাসিফিক এর ম্যানেজার ঝিয়া রন-লু, ইন্টারনেট গভর্নমেন্ট সাপোর্ট ফোরামের প্রেসিডেন্ট মারকাস কুমার, নেপাল ইন্টারনেট ফোরাম কর্মকর্তা বাবু রাম আরিয়ান এবং আইসিটি ব্যক্তিত্ব বজলুর রহমান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

ডাটার অপপ্রয়োগ রোধে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:১৮:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

ডাটার গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বিশেষত ব্যক্তিগত ডাটার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ফলে ডাটার অপপ্রয়োগ রোধে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

শুক্রবার ঢাকায় ওয়েবিনারে বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরাম (বিআইজিএফ) আয়োজিত সংস্থার ১৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা উপলক্ষে ‘ইন্টারনেট ফর হিউমেন রেজিলেন্স এন্ড উইথ ইকুইটি লেন্স উয়েক এন্ড মিসিং ভয়েসেস’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ‘ডাটার গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বিশেষত ব্যক্তিগত ডাটার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ডাটা অনেক ক্ষেত্রে মানুষে মানুষে সংঘাত ও সমস্যা সৃষ্টিসহ নানাবিধ খারাপ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়।

ফেসবুকে কোনো কোনো সময় ডাটার অপপ্রয়োগের মাধ্যমে সন্ত্রাস, মানহানি, গুজব ছড়ানো, অপপ্রচার, রাজনৈতিক সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সৃষ্টি করার অপচেষ্টা হয়ে থাকে। দেশে ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রসারের পাশাপাশি ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। ডাটার অপপ্রয়োগ রোধে সম্মিলিত উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।’

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘বাংলাদেশে ইন্টারনেট বিকাশের ইতিহাস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে শুরু হয়েছে। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর তার হাত ধরে দেশে ডিজিটাল অবকাঠামোর উন্নয়নের যাত্রা শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি ২০০৮ সালে নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ২০০৯ সাল থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার বাস্তবায়ন শুরু হয়।’

মন্ত্রী বলেন, ‘কৃষিনির্ভর অর্থনীতির বাংলাদেশ ডিজিটাল বিপ্লবের ফসল হিসেবে আজ সমৃদ্ধ সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার দোরগোড়ায় উপনীত হয়েছে। তিনি ইন্টারনেট নিরাপত্তা বিষয়ক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।’

তিনি বলেন, ‘ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিপদ থেকে আত্মরক্ষার উপায় জানতে হবে। প্রযুক্তির পাশাপাশি ইন্টারনেট নিরাপদ রাখতে সচেতনতা অপরিহার্য। এছাড়াও ২০০৮ সালে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারির সংখ্যা ছিল মাত্র ৮ লাখ। গত ১১ বছরে তা ১০ কোটি অতিক্রম করেছে। তিনি বাংলাকে টপ লেভেল ডোমেইনে অন্তর্ভুক্ত করতে বিআইজিএফ চেয়ারম্যান হাসানুল হক ইনুর ভূমিকার প্রশংসা করেন মন্ত্রী।

হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু দেশ দিয়েছেন, এটি সমৃদ্ধ করার দায়িত্ব আমাদের। তিনি উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বেগবান করতে সকলের জন্য ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার উল্লেখ করে বলেন, ইন্টারনেট হচ্ছে বৈষম্য থেকে মুক্তি দেয়ার বড় হাতিয়ার।’

এসময় তিনি ডাটা নিরাপত্তা আইন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও ইন্টারনেটকে মৌলিক অধিকার হিসেবেও আখ্যায়িত করেন।

অনুষ্ঠানটি বিআইজিএফ সভাপতি, তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান জহুরুল হক, গুগল এশিয়া প্যাসিফিক, সিঙ্গাপুর এর কর্মকর্তা তেনজিন নরভু, আইকান এর এশিয়া প্যাসিফিক এর ম্যানেজার ঝিয়া রন-লু, ইন্টারনেট গভর্নমেন্ট সাপোর্ট ফোরামের প্রেসিডেন্ট মারকাস কুমার, নেপাল ইন্টারনেট ফোরাম কর্মকর্তা বাবু রাম আরিয়ান এবং আইসিটি ব্যক্তিত্ব বজলুর রহমান।