ঢাকা ১০:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ অচেতন অবস্থায় রংপুরে উদ্ধার গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া সরকারের উচিত নয়: আমির খসরু আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনতে আন্তর্জাতিক মহলের কোনো চাপ নেই: শফিকুল আলম আমরা এখন আর আইসিইউতে নেই, কেবিনে উঠে এসেছি: অর্থ উপদেষ্টা ‘বন্দি থাকাকালে বেগম জিয়ার পক্ষে কথা বলার কেউই ছিলেন না’:আসিফ নজরুল নোয়াখালীকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ মিশনে নিয়োগ

২৪ ঘণ্টায় প্রকাশ্যে এলো ছয় ধর্ষণ ঘটনা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় সারাদেশে বইছে প্রতিবাদের ঝড়। এর মধ্যে রবিবার রাত থেকে সোমবার পর্যন্ত ছয় জেলার ছয়টি ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এসব ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ, লক্ষ্মীপুরের রামগতি, সিলেট মহানগর, কুষ্টিয়ার মিরপুর, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন সময় ধর্ষণের ঘটনাগুলো ঘটে। রবিবার রাত থেকে সোমবার পর্যন্ত এসব ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে।

প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের বিরুদ্ধে। অভিযোগ থেকে জানা যায়, শনিবার সকালে উপজেলার ধারাবাশাইল গ্রামের মাসুদ হাওলাদার তার বাবার মাছের ঘেরপাড়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। এসময় তার বন্ধু ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে। ধর্ষণের কথা কাউকে বললে ধারণকৃত ভিডিও ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে হুমকিও দেওয়া হয়।

পরে সোমবার এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ওই স্কুল ছাত্রীর কোটালীপাড়া থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। তবে এখনো আসামিদের গ্রেপ্তার করা যায়নি।

কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ লুৎফর রহমান বলেন, ‘এ ধর্ষণের ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।’

এদিকে লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে শনিবার রাতে দরজা ভেঙে আসামিরা ঘরে ঢুকে সংঘবদ্ধভাবে এক বিধবা নারীকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে ওই নারীকে হাত-পা ও চোখ-মুখ বেঁধে ঘরের পেছনে ফেলে পালিয়ে যায় ধর্ষকরা। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

এ ঘটনায় গতকাল সোমবার সকালে নির্যাতনের শিকার ওই নারী বাদী হয়ে রামগতি থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধ মামলা করেছেন। পরে উপজেলার চরপোড়াগাছা গ্রাম থেকে সোহেল ও জামাল নামে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে।

রামগতি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, বিধবা নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদেরকে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করা হবে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বামী মারা যাওয়ার পর ওই নারী একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দেন। ফলে তিনি বাড়িতে একাই বসবাস করেন। এ সুযোগে আসামিরা তাকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। সম্প্রতি এ নিয়ে তাদের সঙ্গে বিধবা নারীর বাগবিতণ্ডা হয়। তখন বিধবাকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয়া হয়। এখনও তার হাত ও পায়ে ব্যান্ডেজ রয়েছে। এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলা করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা এলাকাবাসীর।

এদিকে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তুলে নিয়ে গৃহবধূকে গণধর্ষণের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ঘরে ঢুকে শনিবার সন্ধ্যায় গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। সিলেট নগরের শামীমাবাদ আবাসিক এলাকার চার নম্বর রোডের দুই নম্বর বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

পরে সোমবার সকালে সিলেটের কোতোয়ালি থানায় গৃহবধূ মামলা করলে ঘটনায় জড়িত দিলাওয়ার হোসেন ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদিকে ওই গৃহবধূকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসিতে) ভর্তি করা হয়েছে।

অন্যদিকে বগুড়ায় পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করেছে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ। ঘটনাটি গত জুলাইয়ের হলেও ভুক্তভোগী গৃহবধু রবিবার থানায় অভিযোগ দিলে রাতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মিলন মিয়া উপজেলার বিহার ইউনিয়নের বিহার উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

অভিযোগ আছে, ট্রাক চালক ছেলে বাড়ি না থাকায় মাঝেমধ্যেই গভীর রাতে ছেলের বউয়ের ঘরে ঢুকে শরীরের স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দিতেন। এতে টের পেয়ে পুত্রবধু জেগে উঠলে শ্বশুড় পালিয়ে যেতেন।

জানা যায়, গত ২৬ জুলাই পুত্রবধূ শয়নকক্ষে ঘুমানোর ভান করে থাকেন। গভীর রাতে শ্বশুর পুত্রবধূর শয়নকক্ষে ঢুকে ধর্ষণে লিপ্ত হন। এ সময় পুত্রবধূ কৌশলে আপত্তিকর অবস্থায় ভিডিও ধারণ করেন। এরপর পুত্রবধূ তার বাবাকে সঙ্গে নিয়ে রবিবার তার শ্বশুরের বিরুদ্ধে শিবগঞ্জ থানায় মামলা করেন। রাতেই পুলিশ শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করে।

অন্যদিকে কুষ্টিয়ার মিরপুরে অষ্টম শ্রেণির এক আবাসিক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সিরাজুল উলুম মরিয়ম নেসা মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে। সোমবার বিকালে মিরপুর থানায় ওই মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছেন ওই ছাত্রীর বাবা। অভিযোগ আছে, অনেক দিন ধরেই শিক্ষার্থীর ওপর পাশবিক নির্যাতন করে আসছিলেন এই শিক্ষক। গত রবিবার একজন অভিভাবক তার মেয়েকে খাবার দিতে আসলে শিক্ষককে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন। সোমবার বিষয়টি ওই ছাত্রী তার এক সহপাঠীকে জানায়। পরে এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিক্ষুদ্ধ জনতা মাদ্রাসায় হামলা চালায়।

অন্যদিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে রবিবার রাতে এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় রাতেই চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ

২৪ ঘণ্টায় প্রকাশ্যে এলো ছয় ধর্ষণ ঘটনা

আপডেট সময় ১১:২৫:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় সারাদেশে বইছে প্রতিবাদের ঝড়। এর মধ্যে রবিবার রাত থেকে সোমবার পর্যন্ত ছয় জেলার ছয়টি ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এসব ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ, লক্ষ্মীপুরের রামগতি, সিলেট মহানগর, কুষ্টিয়ার মিরপুর, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন সময় ধর্ষণের ঘটনাগুলো ঘটে। রবিবার রাত থেকে সোমবার পর্যন্ত এসব ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে।

প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের বিরুদ্ধে। অভিযোগ থেকে জানা যায়, শনিবার সকালে উপজেলার ধারাবাশাইল গ্রামের মাসুদ হাওলাদার তার বাবার মাছের ঘেরপাড়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। এসময় তার বন্ধু ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে। ধর্ষণের কথা কাউকে বললে ধারণকৃত ভিডিও ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে হুমকিও দেওয়া হয়।

পরে সোমবার এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ওই স্কুল ছাত্রীর কোটালীপাড়া থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। তবে এখনো আসামিদের গ্রেপ্তার করা যায়নি।

কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ লুৎফর রহমান বলেন, ‘এ ধর্ষণের ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।’

এদিকে লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে শনিবার রাতে দরজা ভেঙে আসামিরা ঘরে ঢুকে সংঘবদ্ধভাবে এক বিধবা নারীকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে ওই নারীকে হাত-পা ও চোখ-মুখ বেঁধে ঘরের পেছনে ফেলে পালিয়ে যায় ধর্ষকরা। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

এ ঘটনায় গতকাল সোমবার সকালে নির্যাতনের শিকার ওই নারী বাদী হয়ে রামগতি থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধ মামলা করেছেন। পরে উপজেলার চরপোড়াগাছা গ্রাম থেকে সোহেল ও জামাল নামে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে।

রামগতি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, বিধবা নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদেরকে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করা হবে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বামী মারা যাওয়ার পর ওই নারী একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দেন। ফলে তিনি বাড়িতে একাই বসবাস করেন। এ সুযোগে আসামিরা তাকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। সম্প্রতি এ নিয়ে তাদের সঙ্গে বিধবা নারীর বাগবিতণ্ডা হয়। তখন বিধবাকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয়া হয়। এখনও তার হাত ও পায়ে ব্যান্ডেজ রয়েছে। এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলা করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা এলাকাবাসীর।

এদিকে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তুলে নিয়ে গৃহবধূকে গণধর্ষণের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ঘরে ঢুকে শনিবার সন্ধ্যায় গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। সিলেট নগরের শামীমাবাদ আবাসিক এলাকার চার নম্বর রোডের দুই নম্বর বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

পরে সোমবার সকালে সিলেটের কোতোয়ালি থানায় গৃহবধূ মামলা করলে ঘটনায় জড়িত দিলাওয়ার হোসেন ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদিকে ওই গৃহবধূকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসিতে) ভর্তি করা হয়েছে।

অন্যদিকে বগুড়ায় পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করেছে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ। ঘটনাটি গত জুলাইয়ের হলেও ভুক্তভোগী গৃহবধু রবিবার থানায় অভিযোগ দিলে রাতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মিলন মিয়া উপজেলার বিহার ইউনিয়নের বিহার উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

অভিযোগ আছে, ট্রাক চালক ছেলে বাড়ি না থাকায় মাঝেমধ্যেই গভীর রাতে ছেলের বউয়ের ঘরে ঢুকে শরীরের স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দিতেন। এতে টের পেয়ে পুত্রবধু জেগে উঠলে শ্বশুড় পালিয়ে যেতেন।

জানা যায়, গত ২৬ জুলাই পুত্রবধূ শয়নকক্ষে ঘুমানোর ভান করে থাকেন। গভীর রাতে শ্বশুর পুত্রবধূর শয়নকক্ষে ঢুকে ধর্ষণে লিপ্ত হন। এ সময় পুত্রবধূ কৌশলে আপত্তিকর অবস্থায় ভিডিও ধারণ করেন। এরপর পুত্রবধূ তার বাবাকে সঙ্গে নিয়ে রবিবার তার শ্বশুরের বিরুদ্ধে শিবগঞ্জ থানায় মামলা করেন। রাতেই পুলিশ শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করে।

অন্যদিকে কুষ্টিয়ার মিরপুরে অষ্টম শ্রেণির এক আবাসিক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সিরাজুল উলুম মরিয়ম নেসা মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে। সোমবার বিকালে মিরপুর থানায় ওই মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছেন ওই ছাত্রীর বাবা। অভিযোগ আছে, অনেক দিন ধরেই শিক্ষার্থীর ওপর পাশবিক নির্যাতন করে আসছিলেন এই শিক্ষক। গত রবিবার একজন অভিভাবক তার মেয়েকে খাবার দিতে আসলে শিক্ষককে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন। সোমবার বিষয়টি ওই ছাত্রী তার এক সহপাঠীকে জানায়। পরে এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিক্ষুদ্ধ জনতা মাদ্রাসায় হামলা চালায়।

অন্যদিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে রবিবার রাতে এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় রাতেই চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।