ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

হোয়াটসঅ্যাপও নিয়ন্ত্রণ করছে বিজেপি!

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে হোয়াটসঅ্যাপ কিনে নেওয়ার পর থেকেই এর মালিকও মার্ক জাকারবার্গ। এই ম্যাসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে এখন ভারতে আর্থিক লেনদেন চালু করতে চায়। এজন্য বিজেপি-আরএসএসকে সন্তুষ্ট রাখতে গিয়ে নানা বিতর্কের মুখে পড়েছে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এ ম্যাসেজিং অ্যাপ।

এ ব্যাপারে ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী দাবি করেছেন ‘আমেরিকার টাইম ম্যাগাজিন বিজেপির সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপের যোগসাজশ ফাঁস করে দিয়েছে। ৪০ কোটি ভারতীয় হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। এই সংস্থা এখন চাইছে ভারতে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন চালু করতে। তার জন্য মোদী সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন। এভাবেই হোয়াটসঅ্যাপের ওপরেও নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বিজেপির।’

তবে এখন পর্যন্ত বিজেপির পক্ষ থেকে এ অভিযোগের প্রতিক্রিয়া দেয়া হয়নি।

সম্প্রতি মার্কিন দৈনিক ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর একটি প্রতিবেদন বলা হয়, জেনেশুনেই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ভারতের বিজেপি নেতাদের ঘৃণা বা উসকানিমূলক মন্তব্য মুছে ফেলতে চায় না।

এ প্রতিবেদন প্রকাশের পর ভারতজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। সেই বিতর্ক কিছুটা থিতু হয়ে আসার পরই মার্কিন সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘টাইম ম্যাগাজিন’-এ প্রায় একই রকম একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মুসলমানদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক সংবাদ প্রচার করে বিজেপির বিধায়ক শিলাদিত্য দেব। তিনি মুসলমান যুবক কর্তৃক তরুণী ধর্ষণের নিউজ শেয়ার করে তার কমেন্টে লিখেন, ‘দেখুন বাংলাদেশি মুসলমানরা কীভাবে আমাদের দেশের মানুষকে টার্গেট করছে?’

এ কমেন্টটি একবছর পর্যন্ত অনলাইনে ছিল। যদিও এখন তা মুছে দেয়া হয়েছে। গত ২১ আগস্ট পর্যন্ত এটি ছিল।

ফেসবুকের সাবেক একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে টাইম ম্যাগাজিন জানায়, ওই সময় ভারত ও এশিয়া অঞ্চলের ফেসবুকের পাবলিক পলিসি ডিরেক্টর ছিলেন শিবনাথ থুকরাল। ভারত সরকারের লবিং করাও তার কাজের অন্তর্ভুক্ত ছিল। এছাড়াও তিনি রাজনৈতিক নেতাদের মন্তব্য মডারেশনের দায়িত্বও ছিল।

যদিও ওই পোস্টটি মুছে দিয়ে পরে ফেসবুক জানায়, আমরা প্রথম দিকে রিভিউয়ে এটি মুছে দিতে ব্যর্থ হয়েছিলাম। এটা আমাদের মিসটেক ছিল।

মূল বিষয়, ভারতের বিপুল সংখ্যক গ্রাহকের কথা মাথায় রেখেই বিজেপি তথা ভারতের শাসক দলকে চটাতে চায় না ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরে ওই প্রতিবেদনেও অভিযোগ তোলা হয়েছে, বিজেপি নেতাদের ঘৃণা-মন্তব্য মুছে ফেলতে চায় না মার্ক জাকারবার্গের সংস্থা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

হোয়াটসঅ্যাপও নিয়ন্ত্রণ করছে বিজেপি!

আপডেট সময় ০৯:১৭:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে হোয়াটসঅ্যাপ কিনে নেওয়ার পর থেকেই এর মালিকও মার্ক জাকারবার্গ। এই ম্যাসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে এখন ভারতে আর্থিক লেনদেন চালু করতে চায়। এজন্য বিজেপি-আরএসএসকে সন্তুষ্ট রাখতে গিয়ে নানা বিতর্কের মুখে পড়েছে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এ ম্যাসেজিং অ্যাপ।

এ ব্যাপারে ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী দাবি করেছেন ‘আমেরিকার টাইম ম্যাগাজিন বিজেপির সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপের যোগসাজশ ফাঁস করে দিয়েছে। ৪০ কোটি ভারতীয় হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। এই সংস্থা এখন চাইছে ভারতে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন চালু করতে। তার জন্য মোদী সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন। এভাবেই হোয়াটসঅ্যাপের ওপরেও নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বিজেপির।’

তবে এখন পর্যন্ত বিজেপির পক্ষ থেকে এ অভিযোগের প্রতিক্রিয়া দেয়া হয়নি।

সম্প্রতি মার্কিন দৈনিক ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর একটি প্রতিবেদন বলা হয়, জেনেশুনেই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ভারতের বিজেপি নেতাদের ঘৃণা বা উসকানিমূলক মন্তব্য মুছে ফেলতে চায় না।

এ প্রতিবেদন প্রকাশের পর ভারতজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। সেই বিতর্ক কিছুটা থিতু হয়ে আসার পরই মার্কিন সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘টাইম ম্যাগাজিন’-এ প্রায় একই রকম একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মুসলমানদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক সংবাদ প্রচার করে বিজেপির বিধায়ক শিলাদিত্য দেব। তিনি মুসলমান যুবক কর্তৃক তরুণী ধর্ষণের নিউজ শেয়ার করে তার কমেন্টে লিখেন, ‘দেখুন বাংলাদেশি মুসলমানরা কীভাবে আমাদের দেশের মানুষকে টার্গেট করছে?’

এ কমেন্টটি একবছর পর্যন্ত অনলাইনে ছিল। যদিও এখন তা মুছে দেয়া হয়েছে। গত ২১ আগস্ট পর্যন্ত এটি ছিল।

ফেসবুকের সাবেক একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে টাইম ম্যাগাজিন জানায়, ওই সময় ভারত ও এশিয়া অঞ্চলের ফেসবুকের পাবলিক পলিসি ডিরেক্টর ছিলেন শিবনাথ থুকরাল। ভারত সরকারের লবিং করাও তার কাজের অন্তর্ভুক্ত ছিল। এছাড়াও তিনি রাজনৈতিক নেতাদের মন্তব্য মডারেশনের দায়িত্বও ছিল।

যদিও ওই পোস্টটি মুছে দিয়ে পরে ফেসবুক জানায়, আমরা প্রথম দিকে রিভিউয়ে এটি মুছে দিতে ব্যর্থ হয়েছিলাম। এটা আমাদের মিসটেক ছিল।

মূল বিষয়, ভারতের বিপুল সংখ্যক গ্রাহকের কথা মাথায় রেখেই বিজেপি তথা ভারতের শাসক দলকে চটাতে চায় না ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরে ওই প্রতিবেদনেও অভিযোগ তোলা হয়েছে, বিজেপি নেতাদের ঘৃণা-মন্তব্য মুছে ফেলতে চায় না মার্ক জাকারবার্গের সংস্থা।