ঢাকা ০৭:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

অন্য ছেলের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ায় প্রেমিকাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) টাঙ্গাইল আদালতে এফিডেভিটের মাধ্যমে শাবনুর আক্তার খাদিজাকে বিয়ে করার কথা ছিল আব্দুল খালেকের। কিন্তু ওইদিন শাবনুর আদালতে না গিয়ে অন্য ছেলের সঙ্গে ঘুরতে বের হয়।

এ খবর পরে জানতে পারে খালেক। এজন্য ক্ষিপ্ত হয়ে শুক্রবার (২১ আগস্ট) কোনো এক সময় শহরের সাহাপাড়ায় ভাড়া বাসায় শাবনুরকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায় খালেক।

শনিবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আকরাম হোসেনের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় খালেক।

এর আগে শুক্রবার রাতে শহরের সাহাপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে শাবনুর আক্তার খাদিজার (২০) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে শনিবার ভোরে সদর উপজেলার করটিয়া থেকে টাঙ্গাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর মোশারফ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ ঘাতক আব্দুল খালেককে গ্রেফতার করে। তিনি শহরের কাগমারা এলাকার আবু সাঈদের ছেলে। নিহত শাবনুর দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের চিনাখোলা গ্রামের জাকির হোসেনের মেয়ে।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরের দিকে খালেক সাহাপাড়ায় শাবনুরের ভাড়া বাসার ঘর বন্ধ করে বাইরে চলে যান। এসময় পাশের ভাড়াটিয়াকে আব্দুল খালেক জানান, শাবনুর ঘুমাচ্ছে, তিনি জরুরি কাজে বাইরে যাচ্ছেন। সারাদিন যাওয়ার পর আশপাশের মানুষের সন্দেহ হয়। তারা স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর ও পুলিশকে ঘটনা জানায়। পরে কাউন্সিলরের উপস্থিতিতে পুলিশ রাত ১০টার দিকে শাবনুরের মরদেহ উদ্ধার করে। শনিবার ভোরে সদর উপজেলার করটিয়া থেকে আব্দুল খালেককে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি শ্বাসরোধ করে শাবনুরকে হত্যার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিতে রাজি হন। ওসি আরো জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিহত শাবনুরের বাবা জাকির হোসেন জানান, গত সপ্তাহে শাবনুর গাজীপুরে গার্মেন্টসে চাকরি করবে বলে বাড়ি থেকে বের হয়। শাবনুর বিয়ে করেছে কিনা তারা জানেন না।

অপরদিকে আব্দুল খালেকের মা জানান, গত সোমবার (১৭ আগস্ট) খালেক বাড়ি থেকে বের হয়। তারপর থেকে তার মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। বাড়ির সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না। বাড়িতে খালেকের স্ত্রী রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

অন্য ছেলের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ায় প্রেমিকাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা

আপডেট সময় ১১:৪৫:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) টাঙ্গাইল আদালতে এফিডেভিটের মাধ্যমে শাবনুর আক্তার খাদিজাকে বিয়ে করার কথা ছিল আব্দুল খালেকের। কিন্তু ওইদিন শাবনুর আদালতে না গিয়ে অন্য ছেলের সঙ্গে ঘুরতে বের হয়।

এ খবর পরে জানতে পারে খালেক। এজন্য ক্ষিপ্ত হয়ে শুক্রবার (২১ আগস্ট) কোনো এক সময় শহরের সাহাপাড়ায় ভাড়া বাসায় শাবনুরকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায় খালেক।

শনিবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আকরাম হোসেনের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় খালেক।

এর আগে শুক্রবার রাতে শহরের সাহাপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে শাবনুর আক্তার খাদিজার (২০) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে শনিবার ভোরে সদর উপজেলার করটিয়া থেকে টাঙ্গাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর মোশারফ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ ঘাতক আব্দুল খালেককে গ্রেফতার করে। তিনি শহরের কাগমারা এলাকার আবু সাঈদের ছেলে। নিহত শাবনুর দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের চিনাখোলা গ্রামের জাকির হোসেনের মেয়ে।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরের দিকে খালেক সাহাপাড়ায় শাবনুরের ভাড়া বাসার ঘর বন্ধ করে বাইরে চলে যান। এসময় পাশের ভাড়াটিয়াকে আব্দুল খালেক জানান, শাবনুর ঘুমাচ্ছে, তিনি জরুরি কাজে বাইরে যাচ্ছেন। সারাদিন যাওয়ার পর আশপাশের মানুষের সন্দেহ হয়। তারা স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর ও পুলিশকে ঘটনা জানায়। পরে কাউন্সিলরের উপস্থিতিতে পুলিশ রাত ১০টার দিকে শাবনুরের মরদেহ উদ্ধার করে। শনিবার ভোরে সদর উপজেলার করটিয়া থেকে আব্দুল খালেককে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি শ্বাসরোধ করে শাবনুরকে হত্যার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিতে রাজি হন। ওসি আরো জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিহত শাবনুরের বাবা জাকির হোসেন জানান, গত সপ্তাহে শাবনুর গাজীপুরে গার্মেন্টসে চাকরি করবে বলে বাড়ি থেকে বের হয়। শাবনুর বিয়ে করেছে কিনা তারা জানেন না।

অপরদিকে আব্দুল খালেকের মা জানান, গত সোমবার (১৭ আগস্ট) খালেক বাড়ি থেকে বের হয়। তারপর থেকে তার মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। বাড়ির সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না। বাড়িতে খালেকের স্ত্রী রয়েছে।