ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

পুলিশের সন্দেহ এড়াতে গাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ইয়াবা পাচার!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

পুলিশের সন্দেহ এড়াতে ইয়াবা পাচারের জন্য গাড়িতে স্ত্রী, কখনও সন্তান ও শাশুড়িকে রাখা হয়।

কুমিল্লায় এই অভিনব পন্থায় ইয়াবা ট্যাবলেট পাচারকালে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ২০ হাজার পিস ইয়াবা। যার আনুমানিক মূল্য ৬০ লাখ টাকা।

কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজা এলাকায় একটি মাইক্রোবাস থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বুধবার জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামের এই তথ্য জানান।

আসামিরা হলেন, নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে মো. ইমাম হোসেন আজগর (৩২), তার স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৮),লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের নেসার আহম্মেদের ছেলে মাহাবুব আলম (২৮)।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, কক্সবাজার থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে সাদা রংয়ের একটি নোয়া মাইক্রোবাস ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে আমরা সংবাদ পাই। মঙ্গলবার বিকালে জেলা গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক ইখতিয়ার উদ্দিনসহ একটি টিম দাউদকান্দি টোলপ্লাজায় তল্লাশি চালায়। একটি নোয়া মাইক্রোবাস থামিয়ে দুই পুরুষ এবং এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা ইয়াবা পাচারের কথা স্বীকার করে। তারা মাইক্রোবাসের ভিতরে সিটের নিচে কার্টুনে লুকিয়ে রাখা স্কচটেপে আটকানো ২০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট বের করে দেয়।

তিনি জানান, ইমাম হোসেন ইয়াবা পাচারের জন্য তার স্ত্রী, কখনও তার সন্তান ও শাশুড়িকে ব্যবহার করে। যেন গাড়িতে পরিবার থাকার কারণে পুলিশের সন্দেহ না হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ আজিম-উল- আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তানভীর সালেহীন ইমনসহ জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশের সন্দেহ এড়াতে গাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ইয়াবা পাচার!

আপডেট সময় ০৪:০৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

পুলিশের সন্দেহ এড়াতে ইয়াবা পাচারের জন্য গাড়িতে স্ত্রী, কখনও সন্তান ও শাশুড়িকে রাখা হয়।

কুমিল্লায় এই অভিনব পন্থায় ইয়াবা ট্যাবলেট পাচারকালে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ২০ হাজার পিস ইয়াবা। যার আনুমানিক মূল্য ৬০ লাখ টাকা।

কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজা এলাকায় একটি মাইক্রোবাস থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বুধবার জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামের এই তথ্য জানান।

আসামিরা হলেন, নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে মো. ইমাম হোসেন আজগর (৩২), তার স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৮),লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের নেসার আহম্মেদের ছেলে মাহাবুব আলম (২৮)।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, কক্সবাজার থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে সাদা রংয়ের একটি নোয়া মাইক্রোবাস ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে আমরা সংবাদ পাই। মঙ্গলবার বিকালে জেলা গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক ইখতিয়ার উদ্দিনসহ একটি টিম দাউদকান্দি টোলপ্লাজায় তল্লাশি চালায়। একটি নোয়া মাইক্রোবাস থামিয়ে দুই পুরুষ এবং এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা ইয়াবা পাচারের কথা স্বীকার করে। তারা মাইক্রোবাসের ভিতরে সিটের নিচে কার্টুনে লুকিয়ে রাখা স্কচটেপে আটকানো ২০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট বের করে দেয়।

তিনি জানান, ইমাম হোসেন ইয়াবা পাচারের জন্য তার স্ত্রী, কখনও তার সন্তান ও শাশুড়িকে ব্যবহার করে। যেন গাড়িতে পরিবার থাকার কারণে পুলিশের সন্দেহ না হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ আজিম-উল- আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তানভীর সালেহীন ইমনসহ জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।