ঢাকা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

পুলিশের সন্দেহ এড়াতে গাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ইয়াবা পাচার!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

পুলিশের সন্দেহ এড়াতে ইয়াবা পাচারের জন্য গাড়িতে স্ত্রী, কখনও সন্তান ও শাশুড়িকে রাখা হয়।

কুমিল্লায় এই অভিনব পন্থায় ইয়াবা ট্যাবলেট পাচারকালে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ২০ হাজার পিস ইয়াবা। যার আনুমানিক মূল্য ৬০ লাখ টাকা।

কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজা এলাকায় একটি মাইক্রোবাস থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বুধবার জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামের এই তথ্য জানান।

আসামিরা হলেন, নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে মো. ইমাম হোসেন আজগর (৩২), তার স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৮),লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের নেসার আহম্মেদের ছেলে মাহাবুব আলম (২৮)।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, কক্সবাজার থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে সাদা রংয়ের একটি নোয়া মাইক্রোবাস ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে আমরা সংবাদ পাই। মঙ্গলবার বিকালে জেলা গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক ইখতিয়ার উদ্দিনসহ একটি টিম দাউদকান্দি টোলপ্লাজায় তল্লাশি চালায়। একটি নোয়া মাইক্রোবাস থামিয়ে দুই পুরুষ এবং এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা ইয়াবা পাচারের কথা স্বীকার করে। তারা মাইক্রোবাসের ভিতরে সিটের নিচে কার্টুনে লুকিয়ে রাখা স্কচটেপে আটকানো ২০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট বের করে দেয়।

তিনি জানান, ইমাম হোসেন ইয়াবা পাচারের জন্য তার স্ত্রী, কখনও তার সন্তান ও শাশুড়িকে ব্যবহার করে। যেন গাড়িতে পরিবার থাকার কারণে পুলিশের সন্দেহ না হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ আজিম-উল- আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তানভীর সালেহীন ইমনসহ জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

পুলিশের সন্দেহ এড়াতে গাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ইয়াবা পাচার!

আপডেট সময় ০৪:০৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

পুলিশের সন্দেহ এড়াতে ইয়াবা পাচারের জন্য গাড়িতে স্ত্রী, কখনও সন্তান ও শাশুড়িকে রাখা হয়।

কুমিল্লায় এই অভিনব পন্থায় ইয়াবা ট্যাবলেট পাচারকালে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ২০ হাজার পিস ইয়াবা। যার আনুমানিক মূল্য ৬০ লাখ টাকা।

কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজা এলাকায় একটি মাইক্রোবাস থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বুধবার জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামের এই তথ্য জানান।

আসামিরা হলেন, নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে মো. ইমাম হোসেন আজগর (৩২), তার স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৮),লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের নেসার আহম্মেদের ছেলে মাহাবুব আলম (২৮)।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, কক্সবাজার থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে সাদা রংয়ের একটি নোয়া মাইক্রোবাস ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে আমরা সংবাদ পাই। মঙ্গলবার বিকালে জেলা গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক ইখতিয়ার উদ্দিনসহ একটি টিম দাউদকান্দি টোলপ্লাজায় তল্লাশি চালায়। একটি নোয়া মাইক্রোবাস থামিয়ে দুই পুরুষ এবং এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা ইয়াবা পাচারের কথা স্বীকার করে। তারা মাইক্রোবাসের ভিতরে সিটের নিচে কার্টুনে লুকিয়ে রাখা স্কচটেপে আটকানো ২০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট বের করে দেয়।

তিনি জানান, ইমাম হোসেন ইয়াবা পাচারের জন্য তার স্ত্রী, কখনও তার সন্তান ও শাশুড়িকে ব্যবহার করে। যেন গাড়িতে পরিবার থাকার কারণে পুলিশের সন্দেহ না হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ আজিম-উল- আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তানভীর সালেহীন ইমনসহ জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।