ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পুলিশের সন্দেহ এড়াতে গাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ইয়াবা পাচার!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

পুলিশের সন্দেহ এড়াতে ইয়াবা পাচারের জন্য গাড়িতে স্ত্রী, কখনও সন্তান ও শাশুড়িকে রাখা হয়।

কুমিল্লায় এই অভিনব পন্থায় ইয়াবা ট্যাবলেট পাচারকালে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ২০ হাজার পিস ইয়াবা। যার আনুমানিক মূল্য ৬০ লাখ টাকা।

কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজা এলাকায় একটি মাইক্রোবাস থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বুধবার জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামের এই তথ্য জানান।

আসামিরা হলেন, নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে মো. ইমাম হোসেন আজগর (৩২), তার স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৮),লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের নেসার আহম্মেদের ছেলে মাহাবুব আলম (২৮)।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, কক্সবাজার থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে সাদা রংয়ের একটি নোয়া মাইক্রোবাস ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে আমরা সংবাদ পাই। মঙ্গলবার বিকালে জেলা গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক ইখতিয়ার উদ্দিনসহ একটি টিম দাউদকান্দি টোলপ্লাজায় তল্লাশি চালায়। একটি নোয়া মাইক্রোবাস থামিয়ে দুই পুরুষ এবং এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা ইয়াবা পাচারের কথা স্বীকার করে। তারা মাইক্রোবাসের ভিতরে সিটের নিচে কার্টুনে লুকিয়ে রাখা স্কচটেপে আটকানো ২০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট বের করে দেয়।

তিনি জানান, ইমাম হোসেন ইয়াবা পাচারের জন্য তার স্ত্রী, কখনও তার সন্তান ও শাশুড়িকে ব্যবহার করে। যেন গাড়িতে পরিবার থাকার কারণে পুলিশের সন্দেহ না হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ আজিম-উল- আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তানভীর সালেহীন ইমনসহ জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পুলিশের সন্দেহ এড়াতে গাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ইয়াবা পাচার!

আপডেট সময় ০৪:০৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

পুলিশের সন্দেহ এড়াতে ইয়াবা পাচারের জন্য গাড়িতে স্ত্রী, কখনও সন্তান ও শাশুড়িকে রাখা হয়।

কুমিল্লায় এই অভিনব পন্থায় ইয়াবা ট্যাবলেট পাচারকালে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ২০ হাজার পিস ইয়াবা। যার আনুমানিক মূল্য ৬০ লাখ টাকা।

কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজা এলাকায় একটি মাইক্রোবাস থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বুধবার জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামের এই তথ্য জানান।

আসামিরা হলেন, নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে মো. ইমাম হোসেন আজগর (৩২), তার স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৮),লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের নেসার আহম্মেদের ছেলে মাহাবুব আলম (২৮)।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, কক্সবাজার থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে সাদা রংয়ের একটি নোয়া মাইক্রোবাস ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে আমরা সংবাদ পাই। মঙ্গলবার বিকালে জেলা গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক ইখতিয়ার উদ্দিনসহ একটি টিম দাউদকান্দি টোলপ্লাজায় তল্লাশি চালায়। একটি নোয়া মাইক্রোবাস থামিয়ে দুই পুরুষ এবং এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা ইয়াবা পাচারের কথা স্বীকার করে। তারা মাইক্রোবাসের ভিতরে সিটের নিচে কার্টুনে লুকিয়ে রাখা স্কচটেপে আটকানো ২০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট বের করে দেয়।

তিনি জানান, ইমাম হোসেন ইয়াবা পাচারের জন্য তার স্ত্রী, কখনও তার সন্তান ও শাশুড়িকে ব্যবহার করে। যেন গাড়িতে পরিবার থাকার কারণে পুলিশের সন্দেহ না হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ আজিম-উল- আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তানভীর সালেহীন ইমনসহ জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।