ঢাকা ০১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন মুহাম্মদ ইউনূস থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়ল ক্রেন, নিহত ২২ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ : মির্জা ফখরুল আলমগীর টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান

পুলিশের সন্দেহ এড়াতে গাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ইয়াবা পাচার!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

পুলিশের সন্দেহ এড়াতে ইয়াবা পাচারের জন্য গাড়িতে স্ত্রী, কখনও সন্তান ও শাশুড়িকে রাখা হয়।

কুমিল্লায় এই অভিনব পন্থায় ইয়াবা ট্যাবলেট পাচারকালে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ২০ হাজার পিস ইয়াবা। যার আনুমানিক মূল্য ৬০ লাখ টাকা।

কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজা এলাকায় একটি মাইক্রোবাস থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বুধবার জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামের এই তথ্য জানান।

আসামিরা হলেন, নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে মো. ইমাম হোসেন আজগর (৩২), তার স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৮),লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের নেসার আহম্মেদের ছেলে মাহাবুব আলম (২৮)।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, কক্সবাজার থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে সাদা রংয়ের একটি নোয়া মাইক্রোবাস ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে আমরা সংবাদ পাই। মঙ্গলবার বিকালে জেলা গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক ইখতিয়ার উদ্দিনসহ একটি টিম দাউদকান্দি টোলপ্লাজায় তল্লাশি চালায়। একটি নোয়া মাইক্রোবাস থামিয়ে দুই পুরুষ এবং এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা ইয়াবা পাচারের কথা স্বীকার করে। তারা মাইক্রোবাসের ভিতরে সিটের নিচে কার্টুনে লুকিয়ে রাখা স্কচটেপে আটকানো ২০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট বের করে দেয়।

তিনি জানান, ইমাম হোসেন ইয়াবা পাচারের জন্য তার স্ত্রী, কখনও তার সন্তান ও শাশুড়িকে ব্যবহার করে। যেন গাড়িতে পরিবার থাকার কারণে পুলিশের সন্দেহ না হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ আজিম-উল- আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তানভীর সালেহীন ইমনসহ জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশের সন্দেহ এড়াতে গাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ইয়াবা পাচার!

আপডেট সময় ০৪:০৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

পুলিশের সন্দেহ এড়াতে ইয়াবা পাচারের জন্য গাড়িতে স্ত্রী, কখনও সন্তান ও শাশুড়িকে রাখা হয়।

কুমিল্লায় এই অভিনব পন্থায় ইয়াবা ট্যাবলেট পাচারকালে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ২০ হাজার পিস ইয়াবা। যার আনুমানিক মূল্য ৬০ লাখ টাকা।

কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজা এলাকায় একটি মাইক্রোবাস থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বুধবার জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামের এই তথ্য জানান।

আসামিরা হলেন, নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে মো. ইমাম হোসেন আজগর (৩২), তার স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৮),লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের নেসার আহম্মেদের ছেলে মাহাবুব আলম (২৮)।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, কক্সবাজার থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে সাদা রংয়ের একটি নোয়া মাইক্রোবাস ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে আমরা সংবাদ পাই। মঙ্গলবার বিকালে জেলা গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক ইখতিয়ার উদ্দিনসহ একটি টিম দাউদকান্দি টোলপ্লাজায় তল্লাশি চালায়। একটি নোয়া মাইক্রোবাস থামিয়ে দুই পুরুষ এবং এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা ইয়াবা পাচারের কথা স্বীকার করে। তারা মাইক্রোবাসের ভিতরে সিটের নিচে কার্টুনে লুকিয়ে রাখা স্কচটেপে আটকানো ২০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট বের করে দেয়।

তিনি জানান, ইমাম হোসেন ইয়াবা পাচারের জন্য তার স্ত্রী, কখনও তার সন্তান ও শাশুড়িকে ব্যবহার করে। যেন গাড়িতে পরিবার থাকার কারণে পুলিশের সন্দেহ না হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ আজিম-উল- আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তানভীর সালেহীন ইমনসহ জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।