ঢাকা ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যাটিং ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ের কাছে হারল বাংলাদেশ প্রতিটি ক্লাশরুমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, শ্রেণিকক্ষেই স্কুলছাত্রের বিষপান খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম জুলাইয়ের ৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার ক্ষমতাচ্যুত হাসিনা দেশে ফিরলে আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে: রুমিন ফারহানা ‘বিশ্বমানের প্রাথমিক শিক্ষা গড়তে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার’ প্রধানমন্ত্রীর সৌদি সফরে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নতুন গতির সঞ্চার হবে : হুমায়ুন কবির প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী

সিনহা হত্যার বিচার চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খানের মা নাসিমা আক্তার। বললেন, বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে আমি এখন পর্যন্ত সন্তুষ্ট। প্রধানমন্ত্রী, সেনাবাহিনী প্রধান, নৌ-বাহিনী প্রধানসহ আরও অনেকে আমাদের খোঁজ নিয়েছেন। আমরা চাই যারা এরসঙ্গে জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।

সোমবার দুপুরে সিনহাদের রাজধানীর বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই দাবি জানান নাসিমা আক্তার। এসময় ছেলেকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তার কণ্ঠ বারবার ধরে আসছিল।

সাবেক এই সেনা কর্মকর্তাকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের পরিবার। দেশজুড়ে আলোচিত এই ঘটনায় ইতিমধ্যে টেকনাফের ওসি, যার গুলিতে নিহত হয়েছেন সিনহা সেই এসআই লিয়াকতসহ বেশ কয়েকজন রিমান্ডে আছেন।

সিনহার মা সাংবাদিকদের বলেন, কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী ছিল আমার ছেলে। দেশকে নিয়ে অনেক ভাবতো। ছেলে আমাকে বলতো, আমরা যদি দেশে ভালো কিছু রেখে যাই তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সেটা অনুসরণ করবে।

তিনি আরও বলেন, সিনহা সবসময় ক্রিয়েটিভ কাজ করতে চাইত, সবসময় সারপ্রাইজ দিতে চাইত কাজের মাধ্যমে। ও বলতো, আমি আমার মনের খোরাকের জন্য কাজ করি; যাতে মানুষ উপকৃত হয়। একটা ডকুমেন্টরি করছি এখনো বলার মতো কিছু হয়নি, যখন হবে তখন বলব।

সিনহার মায়ের সঙ্গে পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাবেক মেজর সিনহা মো. রাশেদ।

দুই বছর আগে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যাওয়া রাশেদ ‘লেটস গো’ নামে একটি ভ্রমণ বিষয়ক ডকুমেন্টারি বানানোর জন্য গত প্রায় একমাস ধরে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকায় ছিলেন। ওই কাজেই তার সঙ্গে ছিলেন স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাত ও শিপ্রা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যাটিং ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ের কাছে হারল বাংলাদেশ

সিনহা হত্যার বিচার চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মা

আপডেট সময় ০৫:০৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খানের মা নাসিমা আক্তার। বললেন, বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে আমি এখন পর্যন্ত সন্তুষ্ট। প্রধানমন্ত্রী, সেনাবাহিনী প্রধান, নৌ-বাহিনী প্রধানসহ আরও অনেকে আমাদের খোঁজ নিয়েছেন। আমরা চাই যারা এরসঙ্গে জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।

সোমবার দুপুরে সিনহাদের রাজধানীর বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই দাবি জানান নাসিমা আক্তার। এসময় ছেলেকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তার কণ্ঠ বারবার ধরে আসছিল।

সাবেক এই সেনা কর্মকর্তাকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের পরিবার। দেশজুড়ে আলোচিত এই ঘটনায় ইতিমধ্যে টেকনাফের ওসি, যার গুলিতে নিহত হয়েছেন সিনহা সেই এসআই লিয়াকতসহ বেশ কয়েকজন রিমান্ডে আছেন।

সিনহার মা সাংবাদিকদের বলেন, কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী ছিল আমার ছেলে। দেশকে নিয়ে অনেক ভাবতো। ছেলে আমাকে বলতো, আমরা যদি দেশে ভালো কিছু রেখে যাই তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সেটা অনুসরণ করবে।

তিনি আরও বলেন, সিনহা সবসময় ক্রিয়েটিভ কাজ করতে চাইত, সবসময় সারপ্রাইজ দিতে চাইত কাজের মাধ্যমে। ও বলতো, আমি আমার মনের খোরাকের জন্য কাজ করি; যাতে মানুষ উপকৃত হয়। একটা ডকুমেন্টরি করছি এখনো বলার মতো কিছু হয়নি, যখন হবে তখন বলব।

সিনহার মায়ের সঙ্গে পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাবেক মেজর সিনহা মো. রাশেদ।

দুই বছর আগে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যাওয়া রাশেদ ‘লেটস গো’ নামে একটি ভ্রমণ বিষয়ক ডকুমেন্টারি বানানোর জন্য গত প্রায় একমাস ধরে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকায় ছিলেন। ওই কাজেই তার সঙ্গে ছিলেন স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাত ও শিপ্রা।