ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম শেখ হাসিনা চাচ্ছে না বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক : মেজর হাফিজ ৫৪ বছরে ক্ষমতায় যারা ছিল, তাদের শ্বশুরবাড়ির সম্পদ হু হু করে বেড়েছে:শফিকুর রহমান ৫ দশমিক ৯ মাত্রায় ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থানকারী দলের ইতিহাস বিকৃতিতে জাতি স্তব্ধ: মাহদী আমিন সাপ আর ভারতীয়র দেখা একসঙ্গে পেলে, আগে ভারতীয়কে মারা উচিত: এপস্টেইন নথি ‘আগামীতে এমনও শুনতে হবে জামায়াত দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল’:সালাহউদ্দিন দায়িত্ব শেষে আমি নাগরিক সমাজের কাজে ফিরে যাবো : শিক্ষা উপদেষ্টা আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভিয়েতনাম, গোপন নথি ফাঁস পাতানো নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই, অধিকার আদায়ে জনগণ জীবন দিতে প্রস্তুত: আসিফ মাহমুদ

ঈদে বিজিবিকে মিষ্টি খাওয়াল বিএসএফ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঈদুল আযহা উপলক্ষে শনিবার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ১৩৪ নং ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে বিজিবি) এর ৫২ ব্যাটালিয়নকে মিষ্টি বিতরণ করেছে। এর আগে লাঠিটিলা ও সুতারকান্দি শেওলা সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছে বিএসএফ।

সীমান্ত সূত্রে জানা গেছে, ভারত-বাংলাদেশ সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে দুই দেশের সীমান্ত রক্ষীদের মধ্যে বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় দিবসে মিষ্টিমুখ করানোর পরম্পরা দীর্ঘ দিনের। এরই ধারা অব্যাহত রেখে শনিবার পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভারতের আসাম রাজ্যের সীমান্ত জেলা করিমগঞ্জের বিএসএফের পক্ষ থেকে বিজিবির হাতে মিষ্টি তুলে দেয়া হয়েছে।

শনিবার সকালের দিকে বিয়ানীবাজারের সুতারকান্দি শেওলা সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর ৭নং বাহিনী এবং জুড়ীর লাঠিটিলা সীমান্তের আইরন ব্রিজ দিয়ে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর ১৩৪নং বাহিনীর সদস্যরা ৫২ বিজিবির সদস্যদের সঙ্গে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে মিষ্টির প্যাকেট তুলে দেয়।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিজিবি রিজিওন্যাল কমান্ডার, সিলেট, শ্রীমঙ্গল সেক্টর কমান্ডারসহ ৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক।

বিএসএফের অধিনায়করা মতবিনিময় করতে গিয়ে বলেন, উভয় দেশের সীমান্ত বাহিনীর মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে ঈদসহ বিভিন্ন জাতীয় দিবসে বিএসএফের পক্ষ থেকে বিজিবি সদস্যদের মিষ্টি বিতরণ করা হয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার ঈদ উপলক্ষে বিজিবি সদস্যদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়েছে।

অন্যদিকে বিজিবি কর্মকর্তারা বলেন, এ ধরনের কর্মসূচি ভারত বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যকার সম্পর্ককে আরও দৃঢ়, মজবুত এবং বিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি করবে। এতে নিজেদের সীমান্ত দায়িত্ব পালন আরও সহজ হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম

ঈদে বিজিবিকে মিষ্টি খাওয়াল বিএসএফ

আপডেট সময় ০৩:১৭:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঈদুল আযহা উপলক্ষে শনিবার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ১৩৪ নং ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে বিজিবি) এর ৫২ ব্যাটালিয়নকে মিষ্টি বিতরণ করেছে। এর আগে লাঠিটিলা ও সুতারকান্দি শেওলা সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছে বিএসএফ।

সীমান্ত সূত্রে জানা গেছে, ভারত-বাংলাদেশ সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে দুই দেশের সীমান্ত রক্ষীদের মধ্যে বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় দিবসে মিষ্টিমুখ করানোর পরম্পরা দীর্ঘ দিনের। এরই ধারা অব্যাহত রেখে শনিবার পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভারতের আসাম রাজ্যের সীমান্ত জেলা করিমগঞ্জের বিএসএফের পক্ষ থেকে বিজিবির হাতে মিষ্টি তুলে দেয়া হয়েছে।

শনিবার সকালের দিকে বিয়ানীবাজারের সুতারকান্দি শেওলা সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর ৭নং বাহিনী এবং জুড়ীর লাঠিটিলা সীমান্তের আইরন ব্রিজ দিয়ে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর ১৩৪নং বাহিনীর সদস্যরা ৫২ বিজিবির সদস্যদের সঙ্গে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে মিষ্টির প্যাকেট তুলে দেয়।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিজিবি রিজিওন্যাল কমান্ডার, সিলেট, শ্রীমঙ্গল সেক্টর কমান্ডারসহ ৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক।

বিএসএফের অধিনায়করা মতবিনিময় করতে গিয়ে বলেন, উভয় দেশের সীমান্ত বাহিনীর মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে ঈদসহ বিভিন্ন জাতীয় দিবসে বিএসএফের পক্ষ থেকে বিজিবি সদস্যদের মিষ্টি বিতরণ করা হয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার ঈদ উপলক্ষে বিজিবি সদস্যদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়েছে।

অন্যদিকে বিজিবি কর্মকর্তারা বলেন, এ ধরনের কর্মসূচি ভারত বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যকার সম্পর্ককে আরও দৃঢ়, মজবুত এবং বিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি করবে। এতে নিজেদের সীমান্ত দায়িত্ব পালন আরও সহজ হবে।