ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক মব নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রভাব পড়বে: টিআইবি ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লার পাশাপাশি হ্যাঁ-তে ভোট দিতে হবে: সাদিক কায়েম চট্টগ্রাম বন্দরে এবার ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতির ডাক এবার কোথাও কোনো কেন্দ্র দখল হলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দুর্নীতি-চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে বলায় তাদের চান্দি গরম হয়ে গেছে: জামায়াত আমির প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের রাজনীতি দেখতে চান না তারেক রহমান: দুলু প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় ও চুক্তি চলমান প্রক্রিয়ার অংশ: নিরাপত্তা উপদেষ্টা মঙ্গলবার পবিত্র শবে বরাত তরুণদের সঙ্গে জাইমা রহমানের ‘চায়ের আড্ডা’

কয়েকটি শহরে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সহিংসতার তাণ্ডব জাতির বিবেককে হতবাক করেছে, এটি এখনই বন্ধ করতে হবে উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি শহরে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অপরাধ দমাতে বেশ কয়েকটি মার্কিন শহরে বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য পাঠানো হবে। খবর বিবিসির।

সহিংসতা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠায় শিকাগোসহ আরো দুটি ডেমোক্রেট অধ্যুষিত শহরে এই সদস্যদের পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট। কিন্তু এর আগে পোর্টল্যান্ড ও অরেগন শহরে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন যে এর কারণে চলমান বিক্ষোভের সময়টাতে আরো বেশি উদ্বেগ তৈরি করেছে।

নভেম্বরের নির্বাচনে ট্রাম্পের পুর্নির্বাচনের একটি বড় বিষয় হতে পারে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন। গত ২৫শে মে মিনেসোটার মিনেয়াপোলিসে পুলিশি হেফাজতে নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনার পর থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে। বেশ কিছু শহরে এই বিক্ষোভ থেকে নৈরাজ্যও তৈরি হয়েছে।

এমন পরিস্থিতির মধ্যেই নিউইয়র্ক, ফিলাডেলফিয়া, লস-এঞ্জেলেস, শিকাগো এবং মিলওয়াকির মতো মেট্রোপলিটন শহরগুলোতে বন্দুক নিয়ে সহিংসতা বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই অভিযানের নাম দেয়া হয়েছে ‘অপারেশন লিজেন্ড’। লিজেন্ড ট্যালিফেরো নামে চার বছর বয়সী এক ছেলে শিশুর নামানুসারে এই কর্মসূচীর নামকরণ করা হয়েছে। ওই শিশুটি গত জুন মাসে কানসাসে বাড়িতে ঘুমিয়ে থাকার সময় মুখে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। বুধবার প্রেসিডেন্টের এই ঘোষণার সময় ওই শিশুটির মা উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, এই অভিযানে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই, মার্শালস সার্ভিস এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় সংস্থার সদস্যরা স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কাজ করবে।

অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ডেমোক্রেটরা দুর্বল বলে অভিযোগ তুলে প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহে পুলিশ বিভাগের উপর আক্রমণ, এবং এতে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে কট্টর আন্দোলন চলেছে।’

তিনি বলেন, ‘এর পর কোন মাকে আর তার মৃত শিশুকে কোলে নিয়ে ঘুরতে হবে না। এর আগে রাজনীতিবিদরা তাদের প্রতিবেশীদের নিরাপত্তা দিতে এবং শহরকে সুরক্ষিত করতে কোন ব্যবস্থা নেয়নি।’

মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার জানান, তারা প্রায় দুই শ’ ফেডারেল এজেন্টকে কানসাস সিটি ও মিসৌরিতে পাঠিয়েছেন। এমন সংখ্যক আরো এজেন্টকে শিকাগোতে এবং প্রায় ৩৫ জনকে নিউ মেক্সিকোর আলবুকারকিতে পাঠানো হবে। ৬০ মিলিয়ন ডলারের চেয়ে বেশি পরিমাণ অর্থ বরাদ্ধ করা হবে যাতে সহিংসতা আক্রান্ত শহরগুলোতে আরো বেশি সংখ্যক পুলিশ সদস্য নিয়োগ করা যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক

কয়েকটি শহরে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ০১:৫৭:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সহিংসতার তাণ্ডব জাতির বিবেককে হতবাক করেছে, এটি এখনই বন্ধ করতে হবে উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি শহরে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অপরাধ দমাতে বেশ কয়েকটি মার্কিন শহরে বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য পাঠানো হবে। খবর বিবিসির।

সহিংসতা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠায় শিকাগোসহ আরো দুটি ডেমোক্রেট অধ্যুষিত শহরে এই সদস্যদের পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট। কিন্তু এর আগে পোর্টল্যান্ড ও অরেগন শহরে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন যে এর কারণে চলমান বিক্ষোভের সময়টাতে আরো বেশি উদ্বেগ তৈরি করেছে।

নভেম্বরের নির্বাচনে ট্রাম্পের পুর্নির্বাচনের একটি বড় বিষয় হতে পারে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন। গত ২৫শে মে মিনেসোটার মিনেয়াপোলিসে পুলিশি হেফাজতে নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনার পর থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে। বেশ কিছু শহরে এই বিক্ষোভ থেকে নৈরাজ্যও তৈরি হয়েছে।

এমন পরিস্থিতির মধ্যেই নিউইয়র্ক, ফিলাডেলফিয়া, লস-এঞ্জেলেস, শিকাগো এবং মিলওয়াকির মতো মেট্রোপলিটন শহরগুলোতে বন্দুক নিয়ে সহিংসতা বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই অভিযানের নাম দেয়া হয়েছে ‘অপারেশন লিজেন্ড’। লিজেন্ড ট্যালিফেরো নামে চার বছর বয়সী এক ছেলে শিশুর নামানুসারে এই কর্মসূচীর নামকরণ করা হয়েছে। ওই শিশুটি গত জুন মাসে কানসাসে বাড়িতে ঘুমিয়ে থাকার সময় মুখে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। বুধবার প্রেসিডেন্টের এই ঘোষণার সময় ওই শিশুটির মা উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, এই অভিযানে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই, মার্শালস সার্ভিস এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় সংস্থার সদস্যরা স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কাজ করবে।

অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ডেমোক্রেটরা দুর্বল বলে অভিযোগ তুলে প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহে পুলিশ বিভাগের উপর আক্রমণ, এবং এতে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে কট্টর আন্দোলন চলেছে।’

তিনি বলেন, ‘এর পর কোন মাকে আর তার মৃত শিশুকে কোলে নিয়ে ঘুরতে হবে না। এর আগে রাজনীতিবিদরা তাদের প্রতিবেশীদের নিরাপত্তা দিতে এবং শহরকে সুরক্ষিত করতে কোন ব্যবস্থা নেয়নি।’

মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার জানান, তারা প্রায় দুই শ’ ফেডারেল এজেন্টকে কানসাস সিটি ও মিসৌরিতে পাঠিয়েছেন। এমন সংখ্যক আরো এজেন্টকে শিকাগোতে এবং প্রায় ৩৫ জনকে নিউ মেক্সিকোর আলবুকারকিতে পাঠানো হবে। ৬০ মিলিয়ন ডলারের চেয়ে বেশি পরিমাণ অর্থ বরাদ্ধ করা হবে যাতে সহিংসতা আক্রান্ত শহরগুলোতে আরো বেশি সংখ্যক পুলিশ সদস্য নিয়োগ করা যায়।