ঢাকা ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমারে হত্যাযজ্ঞ থেকে রক্ষা পাচ্ছে না হিন্দুরাও, ৬২ জনকে হত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারে আরাকান (রাখাইন) রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর অভিযানে হত্যাযজ্ঞের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না হিন্দুরাও। এধরনের জাতিগত বিশুদ্ধ অভিযানের মুখে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ৮টি হিন্দু পরিবার তাদের ৬২ জন স্বজন হারানোর কথা জানিয়েছেন। এসব পরিবারের বেঁচে যাওয়া ১৬ জন নারী ও শিশুর আশ্রয় মিলেছে তাদের নিকট আত্মীয়ের বাসায়। এমন আরও শতাধিক হিন্দু পরিবার আটকে আছে মিয়ানমার সীমান্তে।

কোনো রকম জীবনটা বাঁচিয়ে মিয়ানমার ছেড়ে পালিয়েছেন, পেছনে ফেলে রেখে এসেছেন স্বজনের লাশ। ওরা মুসলিম নন, হিন্দু তারপরও শনিবার রাতে হামলা হয় তাদের গ্রামে। হত্যা করা হয় ৬২ জনকে। লুট করা হয় বাড়ি ঘর। তবে শর্ত সাপেক্ষে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এমন ৮টি হিন্দু পরিবারের ১৬ জন নারী ও শিশু বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তারা বলছেন, হামলাকারীদের মুখ কালো কাপড়ে ঢাকা ছিল।

সীমান্ত পাড়ি দিয়ে তারা উঠেছিলেন, কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে কিন্তু নিরাপত্তার কথা ভেবে, ২৯ আগস্ট কক্সবাজারের উখিয়ায় তাদের নিকট আত্মীয়দের কাছে রাখা হয়। তাদের জিম্মাদার হয়েছেন স্থানীয় একজন ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য। তবে হামলাকারীরা মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নাকি সন্ত্রাসী তা নিশ্চিত হতে পারেনি তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমারে হত্যাযজ্ঞ থেকে রক্ষা পাচ্ছে না হিন্দুরাও, ৬২ জনকে হত্যা

আপডেট সময় ০৫:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারে আরাকান (রাখাইন) রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর অভিযানে হত্যাযজ্ঞের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না হিন্দুরাও। এধরনের জাতিগত বিশুদ্ধ অভিযানের মুখে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ৮টি হিন্দু পরিবার তাদের ৬২ জন স্বজন হারানোর কথা জানিয়েছেন। এসব পরিবারের বেঁচে যাওয়া ১৬ জন নারী ও শিশুর আশ্রয় মিলেছে তাদের নিকট আত্মীয়ের বাসায়। এমন আরও শতাধিক হিন্দু পরিবার আটকে আছে মিয়ানমার সীমান্তে।

কোনো রকম জীবনটা বাঁচিয়ে মিয়ানমার ছেড়ে পালিয়েছেন, পেছনে ফেলে রেখে এসেছেন স্বজনের লাশ। ওরা মুসলিম নন, হিন্দু তারপরও শনিবার রাতে হামলা হয় তাদের গ্রামে। হত্যা করা হয় ৬২ জনকে। লুট করা হয় বাড়ি ঘর। তবে শর্ত সাপেক্ষে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এমন ৮টি হিন্দু পরিবারের ১৬ জন নারী ও শিশু বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তারা বলছেন, হামলাকারীদের মুখ কালো কাপড়ে ঢাকা ছিল।

সীমান্ত পাড়ি দিয়ে তারা উঠেছিলেন, কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে কিন্তু নিরাপত্তার কথা ভেবে, ২৯ আগস্ট কক্সবাজারের উখিয়ায় তাদের নিকট আত্মীয়দের কাছে রাখা হয়। তাদের জিম্মাদার হয়েছেন স্থানীয় একজন ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য। তবে হামলাকারীরা মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নাকি সন্ত্রাসী তা নিশ্চিত হতে পারেনি তারা।