ঢাকা ১২:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যা কৌশলের অজুহাতে বিএনপি কোনো গোপন বেশ ধারণ করেনি: তারেক রহমান

নতুন উচ্চতায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ ব্যাংকে থাকা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবার রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে। এই দফায় পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৬০ কোটি ডলার। এর আগে রিজার্ভ এত উচ্চতায় উঠেনি। করোনার কারণে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর কাছ থেকে বৈদেশিক ঋণের অর্থ ছাড় হওয়ায় সেগুলো রিজার্ভে যোগ হচ্ছে। এতে রিজার্ভের পরিমাণ বাড়ছে। অন্যদিকে আমদানি ব্যয় কমে গেছে। এতে রিজার্ভের ব্যয়ও কমে গেছে।

করোনাকালে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ বাড়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা। তারা মনে করেন, এই সময়ে বেশি পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থাকলে একদিকে ডলারের বিপরীতে টাকার মান স্থিতিশীল থাকবে। অন্যদিকে বাজারে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জোগান বাড়ানো সহজ হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ৩১ মে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৩৪১ কোটি ডলার। ওই সময়ে এটাই ছিল সবচেয়ে বেশি রিজার্ভ। এর আগে গত বছরের ১৭ মে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ১৯২ কোটি ডলার।

প্রতিমাসে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয় বাবদ গড়ে ব্যয় হয় ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি ডলার। এ হিসাবে তিন মাসের জন্য প্রয়োজন ১ হাজার ২০০ কোটি থেকে ১ হাজার ৩৫০ কোটি ডলার। সে হিসাবে প্রায় তিনগুণ রিজার্ভ রয়েছে। বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে ৭ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে।

করোনার প্রভাবে আমদানি-রফতানি ও রেমিটেন্স প্রবাহ কমে গেছে। গত বছরের মে মাসের তুলনায় চলতি বছরের মে মাসে রেমিটেন্স কমেছে ১৪ শতাংশ। গত বছরের এপ্রিলের তুলনায় চলতি বছরের এপ্রিলে আমদানি ব্যয় কমেছে ৪৪ শতাংশ এবং গত বছরের মে মাসের তুলনায় চলতি বছরের মে মাসে রফতানি আয় কমেছে সাড়ে ৬১ শতাংশ। বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস রেমিটেন্স ও রফতানি আয়। এ দুটি কমার পাশাপাশি আমদানি ব্যয়ও কমেছে। এর মধ্যে করোনার প্রভাব মোকাবেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ঋণের অর্থ ছাড় শুরু করেছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১৫০ কোটি ডলার ছাড় করেছে। বিশ্বব্যাংক আরও ১০৫ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে। এগুলো ছাড় হলেও রিজার্ভের পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমানের পর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেটে আরেক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী

নতুন উচ্চতায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

আপডেট সময় ০৭:৫৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ ব্যাংকে থাকা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবার রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে। এই দফায় পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৬০ কোটি ডলার। এর আগে রিজার্ভ এত উচ্চতায় উঠেনি। করোনার কারণে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর কাছ থেকে বৈদেশিক ঋণের অর্থ ছাড় হওয়ায় সেগুলো রিজার্ভে যোগ হচ্ছে। এতে রিজার্ভের পরিমাণ বাড়ছে। অন্যদিকে আমদানি ব্যয় কমে গেছে। এতে রিজার্ভের ব্যয়ও কমে গেছে।

করোনাকালে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ বাড়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা। তারা মনে করেন, এই সময়ে বেশি পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থাকলে একদিকে ডলারের বিপরীতে টাকার মান স্থিতিশীল থাকবে। অন্যদিকে বাজারে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জোগান বাড়ানো সহজ হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ৩১ মে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৩৪১ কোটি ডলার। ওই সময়ে এটাই ছিল সবচেয়ে বেশি রিজার্ভ। এর আগে গত বছরের ১৭ মে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ১৯২ কোটি ডলার।

প্রতিমাসে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয় বাবদ গড়ে ব্যয় হয় ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি ডলার। এ হিসাবে তিন মাসের জন্য প্রয়োজন ১ হাজার ২০০ কোটি থেকে ১ হাজার ৩৫০ কোটি ডলার। সে হিসাবে প্রায় তিনগুণ রিজার্ভ রয়েছে। বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে ৭ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে।

করোনার প্রভাবে আমদানি-রফতানি ও রেমিটেন্স প্রবাহ কমে গেছে। গত বছরের মে মাসের তুলনায় চলতি বছরের মে মাসে রেমিটেন্স কমেছে ১৪ শতাংশ। গত বছরের এপ্রিলের তুলনায় চলতি বছরের এপ্রিলে আমদানি ব্যয় কমেছে ৪৪ শতাংশ এবং গত বছরের মে মাসের তুলনায় চলতি বছরের মে মাসে রফতানি আয় কমেছে সাড়ে ৬১ শতাংশ। বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস রেমিটেন্স ও রফতানি আয়। এ দুটি কমার পাশাপাশি আমদানি ব্যয়ও কমেছে। এর মধ্যে করোনার প্রভাব মোকাবেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ঋণের অর্থ ছাড় শুরু করেছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১৫০ কোটি ডলার ছাড় করেছে। বিশ্বব্যাংক আরও ১০৫ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে। এগুলো ছাড় হলেও রিজার্ভের পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।