ঢাকা ১২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির

মিনার উদ্দেশে রওনা আজ

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

পবিত্র হজ পালন করতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আজ মঙ্গলবার মিনার উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন। মক্কার মসজিদুল হারাম থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে মিনা। মিনায় কেউ যাবেন গাড়িতে, কেউবা হেঁটে। হজের অংশ হিসেবে তাঁরা পাঁচ দিন মিনা, আরাফাত, মুজদালিফা, মক্কা ও মিনায় অবস্থান করবেন।

প্রত্যেক হজযাত্রীকে নিজ নিজ মোয়াল্লেম কার্যালয় থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, কখন মিনার উদ্দেশে রওনা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে দেওয়া হয় মিনার তাঁবু নম্বরসংবলিত কার্ড। ওই কার্ড সব সময় গলায় ঝুলিয়ে রাখতে হয়। একইভাবে মিনা, আরাফাত, মুজদালিফায় কীভাবে ও কখন রওনা হবেন, তা-ও জানিয়ে দেওয়া হয় আগেভাগে।

মোয়াল্লেম আজ মঙ্গলবার এশার নামাজ পড়ে মিনার উদ্দেশে রওনা দেবেন বলে গতকাল জানিয়েছেন। যেহেতু পাঁচ দিন পরে আবার বাসায় ফিরতে হবে, তাই প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সঙ্গে নিতে হবে। ৮ জিলহজ মিনায় সারা দিন এবং ৯ জিলহজ ফজরের নামাজ আদায় করে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে আরাফাতের ময়দানে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করবেন হজযাত্রীরা। আরাফাত থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে মুজদালিফায় রাত যাপন ও পাথর সংগ্রহ করবেন
হজযাত্রীরা। ১০ জিলহজ ফজরের নামাজ আদায় করে মুজদালিফা থেকে আবার মিনায় ফিরে আসবেন। মিনায় এসে বড় শয়তানকে পাথর মারা, দমে শোকর বা কোরবানি ও মাথা মুণ্ডন বা চুল ছেঁটে মক্কায় কাবা শরিফ তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়া সাঈ করবেন।

হজযাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য আরাফাত থেকে মিনা পর্যন্ত মনোরেল সেবা চালু আছে। প্রায় ১৮ কিলোমিটার এ পথে রয়েছে নয়টি স্টেশন (আরাফাতে তিনটি, মুজদালিফায় তিনটি ও মিনায় তিনটি)। মিনায় যাঁদের তাঁবু রেলস্টেশনের কাছাকাছি পড়েছে, তাঁরা চাইলে রেলের টিকিট কিনতে পারেন। সৌদি ২৫০ রিয়াল দিয়ে মোয়াল্লেমের অফিস থেকে এ টিকিট পাওয়া যায়। এ টিকিট দিয়ে পুরো হজের পাঁচ দিন প্রয়োজনমতো যাওয়া-আসা করা যায়।

মিনায় হজযাত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় শুধু দক্ষিণ এশিয়ার হজযাত্রীদের জন্য ১ থেকে শুরু করে ১৩৭ নম্বর পর্যন্ত মোয়াল্লেম আছেন। মিনার তাঁবু বরাদ্দ হয় জামারাত ও রেলস্টেশনকে কেন্দ্র করে। মোয়াল্লেমকে অতিরিক্ত অর্থ দিলে জামারাতের (শয়তানকে পাথর মারার স্থান) কাছে তাঁবু পাওয়া যায়। তেমনিভাবে আফ্রিকা, স্থানীয় সৌদি, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ থেকে আসা হজযাত্রীদের জন্য রয়েছে আলাদা জোন। মিনায় এমন সাতটি জোন রয়েছে।

মক্কাপ্রবাসী মাকসুদ সেলিম জানান, যেসব এজেন্সি বাড়তি অর্থ দেয়, তাদের মাধ্যমে আসা হজযাত্রীদের তাঁবু মোয়াল্লেমরা জামারাতের কাছাকাছি অথবা রেলস্টেশনের কাছাকাছি রাখেন। এ অর্থ এজেন্সি আদায় করে হজযাত্রীদের কাছ থেকে।

বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় আসা হজযাত্রীরা ৭ ও ৮ মোয়াল্লেমের অধীনে থাকবেন। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এজেন্সির মাধ্যমে আসা হজযাত্রীরা থাকবেন বিভিন্ন মোয়াল্লেম নম্বরের অধীনে।

মিনায় হজযাত্রীদের সহায়তার জন্য ২৪/৬২ নম্বর তাঁবুতে পাঁচ দিন বাংলাদেশ হজ কার্যালয়ের কার্যক্রম চালানো হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মিনার উদ্দেশে রওনা আজ

আপডেট সময় ০৯:৩৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

পবিত্র হজ পালন করতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আজ মঙ্গলবার মিনার উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন। মক্কার মসজিদুল হারাম থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে মিনা। মিনায় কেউ যাবেন গাড়িতে, কেউবা হেঁটে। হজের অংশ হিসেবে তাঁরা পাঁচ দিন মিনা, আরাফাত, মুজদালিফা, মক্কা ও মিনায় অবস্থান করবেন।

প্রত্যেক হজযাত্রীকে নিজ নিজ মোয়াল্লেম কার্যালয় থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, কখন মিনার উদ্দেশে রওনা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে দেওয়া হয় মিনার তাঁবু নম্বরসংবলিত কার্ড। ওই কার্ড সব সময় গলায় ঝুলিয়ে রাখতে হয়। একইভাবে মিনা, আরাফাত, মুজদালিফায় কীভাবে ও কখন রওনা হবেন, তা-ও জানিয়ে দেওয়া হয় আগেভাগে।

মোয়াল্লেম আজ মঙ্গলবার এশার নামাজ পড়ে মিনার উদ্দেশে রওনা দেবেন বলে গতকাল জানিয়েছেন। যেহেতু পাঁচ দিন পরে আবার বাসায় ফিরতে হবে, তাই প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সঙ্গে নিতে হবে। ৮ জিলহজ মিনায় সারা দিন এবং ৯ জিলহজ ফজরের নামাজ আদায় করে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে আরাফাতের ময়দানে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করবেন হজযাত্রীরা। আরাফাত থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে মুজদালিফায় রাত যাপন ও পাথর সংগ্রহ করবেন
হজযাত্রীরা। ১০ জিলহজ ফজরের নামাজ আদায় করে মুজদালিফা থেকে আবার মিনায় ফিরে আসবেন। মিনায় এসে বড় শয়তানকে পাথর মারা, দমে শোকর বা কোরবানি ও মাথা মুণ্ডন বা চুল ছেঁটে মক্কায় কাবা শরিফ তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়া সাঈ করবেন।

হজযাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য আরাফাত থেকে মিনা পর্যন্ত মনোরেল সেবা চালু আছে। প্রায় ১৮ কিলোমিটার এ পথে রয়েছে নয়টি স্টেশন (আরাফাতে তিনটি, মুজদালিফায় তিনটি ও মিনায় তিনটি)। মিনায় যাঁদের তাঁবু রেলস্টেশনের কাছাকাছি পড়েছে, তাঁরা চাইলে রেলের টিকিট কিনতে পারেন। সৌদি ২৫০ রিয়াল দিয়ে মোয়াল্লেমের অফিস থেকে এ টিকিট পাওয়া যায়। এ টিকিট দিয়ে পুরো হজের পাঁচ দিন প্রয়োজনমতো যাওয়া-আসা করা যায়।

মিনায় হজযাত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় শুধু দক্ষিণ এশিয়ার হজযাত্রীদের জন্য ১ থেকে শুরু করে ১৩৭ নম্বর পর্যন্ত মোয়াল্লেম আছেন। মিনার তাঁবু বরাদ্দ হয় জামারাত ও রেলস্টেশনকে কেন্দ্র করে। মোয়াল্লেমকে অতিরিক্ত অর্থ দিলে জামারাতের (শয়তানকে পাথর মারার স্থান) কাছে তাঁবু পাওয়া যায়। তেমনিভাবে আফ্রিকা, স্থানীয় সৌদি, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ থেকে আসা হজযাত্রীদের জন্য রয়েছে আলাদা জোন। মিনায় এমন সাতটি জোন রয়েছে।

মক্কাপ্রবাসী মাকসুদ সেলিম জানান, যেসব এজেন্সি বাড়তি অর্থ দেয়, তাদের মাধ্যমে আসা হজযাত্রীদের তাঁবু মোয়াল্লেমরা জামারাতের কাছাকাছি অথবা রেলস্টেশনের কাছাকাছি রাখেন। এ অর্থ এজেন্সি আদায় করে হজযাত্রীদের কাছ থেকে।

বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় আসা হজযাত্রীরা ৭ ও ৮ মোয়াল্লেমের অধীনে থাকবেন। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এজেন্সির মাধ্যমে আসা হজযাত্রীরা থাকবেন বিভিন্ন মোয়াল্লেম নম্বরের অধীনে।

মিনায় হজযাত্রীদের সহায়তার জন্য ২৪/৬২ নম্বর তাঁবুতে পাঁচ দিন বাংলাদেশ হজ কার্যালয়ের কার্যক্রম চালানো হবে।