ঢাকা ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি বাংলাদেশে নীতির অনিশ্চয়তা আমাদের ভয়ের কারণ: ব্রুনাইয়ের রাষ্ট্রদূত চবিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতার অবস্থান কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ প্রত্যাহার না করলে পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে না ইরান যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় আট শিশু নিহত এপ্রিলের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৮০ কোটি ডলার বিগত সরকারের দুর্নীতির কারণে হাতুড়ির টোকায় বর্তমান স্বাস্থ্যখাত পুনর্গঠন কঠিন স্কুলপড়ুয়া শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, দ্বিতীয় দফার বৈঠকে পাকিস্তানে যাচ্ছেন না মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভারতে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ২০

বিচারপতি মানিকের বক্তব্য সংবিধান লঙ্ঘন ও আদালত অবমাননা: ফখরুল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় ও প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের বক্তব্য সংবিধান লঙ্ঘনের শামিল এবং আদালত অবমাননা বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার জাতীয় কবির মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে তার সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে এ কথা বলেন তিনি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের সব বিচারপতির সর্বসম্মতিক্রমে ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় হয়েছে। এই বিষয়ে প্রশ্ন তুলে, যে ভাষায় সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক কথা বলেছেন, তাতে মনে হয় না যে তার বিচারপতি হওয়ার যোগ্যতা ছিল। তিনি বলেন, রায় নিয়ে প্রশ্ন তোলা আদালত অবমাননা এবং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে যে ব্ক্তব্য দিয়েছেন তা সংবিধান লঙ্ঘনের শামিল।

শনিবার দুপুরে এক আলোচনা সভায় ষোড়শ সংশোধনীর রায় ও রায়ের পর্যবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন তোলে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বাংলাদেশে থাকার কোনো অধিকার নেই বলে বক্তব্য দেন সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ‘স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত’ আলোচনা সভায় বিচারপতি মানিক আরও বলেন, ষোড়শ সংশোধনী মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত না এমন অনেক কথা তিনি (প্রধান বিচারপতি) অবজারভেশনে বলেছেন, প্রধান বিচারপতির কাজ রাজনীতি করা না। যে প্রধান বিচারপতি রাজনীতি করে সেটা তার অযোগ্যতা।

মানিকের দাবি, ২৫ দিনে ৪০০ পৃষ্ঠার রায় কোনোভাবেই লেখা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, উনি (প্রধান বিচারপতি) মাত্র ২৫ দিনের মধ্যে ৪০০ পৃষ্ঠার কথা লিখেছেন, যেটা অসম্ভব, যেটা হতে পারে না। এটা তার লেখা রায় মোটেও নয়।

বক্তব্যে প্রধান বিচারপতিকে উদ্দেশ করে বিচারপতি মানিক বলেন, সবচেয়ে বড় কথা, তুমি শুধু প্রধান বিচারপতির পদ ছাড়বা না, এই দেশ ছাড়তে হবে। এ দেশে থাকার কোনো অধিকার তোমার নাই। তুমি যখন বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব স্বীকার করো না, যেটা বিশ্ববাসী স্বীকার করে।

মানিকের ওই বক্তব্যের একদিন পর বিএনপির মহাসচিব বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সব বিচারপতির সর্বসম্মতিক্রমে ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় দিয়েছেন। এই বিষয়ে প্রশ্ন তুলে, যে ভাষায় সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক কথা বলেছেন, তাতে মনে হয় না যে তার বিচারপতি হওয়ার যোগ্যতা ছিল।

ফখরুল বলেন, আদালত নিয়ে এবং প্রধান বিচারপতিকে যে ভাষায় তিনি (মানিক) যা বলেছেন, তা স্পষ্টত আদালত অবমাননা এবং সংবিধান লঙ্ঘনের শামিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি

বিচারপতি মানিকের বক্তব্য সংবিধান লঙ্ঘন ও আদালত অবমাননা: ফখরুল

আপডেট সময় ১২:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় ও প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের বক্তব্য সংবিধান লঙ্ঘনের শামিল এবং আদালত অবমাননা বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার জাতীয় কবির মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে তার সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে এ কথা বলেন তিনি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের সব বিচারপতির সর্বসম্মতিক্রমে ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় হয়েছে। এই বিষয়ে প্রশ্ন তুলে, যে ভাষায় সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক কথা বলেছেন, তাতে মনে হয় না যে তার বিচারপতি হওয়ার যোগ্যতা ছিল। তিনি বলেন, রায় নিয়ে প্রশ্ন তোলা আদালত অবমাননা এবং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে যে ব্ক্তব্য দিয়েছেন তা সংবিধান লঙ্ঘনের শামিল।

শনিবার দুপুরে এক আলোচনা সভায় ষোড়শ সংশোধনীর রায় ও রায়ের পর্যবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন তোলে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বাংলাদেশে থাকার কোনো অধিকার নেই বলে বক্তব্য দেন সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ‘স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত’ আলোচনা সভায় বিচারপতি মানিক আরও বলেন, ষোড়শ সংশোধনী মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত না এমন অনেক কথা তিনি (প্রধান বিচারপতি) অবজারভেশনে বলেছেন, প্রধান বিচারপতির কাজ রাজনীতি করা না। যে প্রধান বিচারপতি রাজনীতি করে সেটা তার অযোগ্যতা।

মানিকের দাবি, ২৫ দিনে ৪০০ পৃষ্ঠার রায় কোনোভাবেই লেখা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, উনি (প্রধান বিচারপতি) মাত্র ২৫ দিনের মধ্যে ৪০০ পৃষ্ঠার কথা লিখেছেন, যেটা অসম্ভব, যেটা হতে পারে না। এটা তার লেখা রায় মোটেও নয়।

বক্তব্যে প্রধান বিচারপতিকে উদ্দেশ করে বিচারপতি মানিক বলেন, সবচেয়ে বড় কথা, তুমি শুধু প্রধান বিচারপতির পদ ছাড়বা না, এই দেশ ছাড়তে হবে। এ দেশে থাকার কোনো অধিকার তোমার নাই। তুমি যখন বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব স্বীকার করো না, যেটা বিশ্ববাসী স্বীকার করে।

মানিকের ওই বক্তব্যের একদিন পর বিএনপির মহাসচিব বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সব বিচারপতির সর্বসম্মতিক্রমে ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় দিয়েছেন। এই বিষয়ে প্রশ্ন তুলে, যে ভাষায় সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক কথা বলেছেন, তাতে মনে হয় না যে তার বিচারপতি হওয়ার যোগ্যতা ছিল।

ফখরুল বলেন, আদালত নিয়ে এবং প্রধান বিচারপতিকে যে ভাষায় তিনি (মানিক) যা বলেছেন, তা স্পষ্টত আদালত অবমাননা এবং সংবিধান লঙ্ঘনের শামিল।