ঢাকা ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাপন আমলের রেকর্ডপত্র চেয়ে বিসিবিতে দুদকের ৩ চিঠি হাত–মুখ বেঁধে জামায়াত নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ পশ্চিমা দেশগুলোর সন্দেহের মাঝেই চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌ মহড়া মোংলায় চাঁদা না পেয়ে গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার ৩ ১৮ বছরের নির্যাতনের পর অস্থিরতা স্বাভাবিক, তবে নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরতে হবে: দুদু পুলিশের ৩৩ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার বাসা থেকে ধরে নিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে যুবককে পিটিয়ে হত্যা অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে’:শিল্পমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে পেটে গুলি লেগেছিল মন্নাস আলীর, ৫৫ বছর পর অস্ত্রোপচারে অপসারণ মেয়েকে তুলে নিয়ে বিয়ের পর ২০ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ, হুমকি-অপমানে বাবার ‘আত্মহত্যা’

নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের ২ গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আমানউল্লাপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার, দলীয় কোন্দল ও পূর্ব শক্রতার জেরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, সংষর্ষ ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। ইউনিয়ন আওলীগ সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান মাহমুদ গ্রুপ ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা খোকন গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

সোমবার (২৫ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার আমানউল্লাপুর ইউনিয়নের আমানউল্লাপুর বাজার সংলগ্ন পালোয়ান বাড়ির সামনে এ সংষর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে ৪ জন গুলিবিদ্ধসহ ১৩ জন আহত হয়েছে। গুলিবিদ্ধ ৪ জনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত এবং গুলিবিদ্ধরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান মাহমুদের অনুসারী।

গুলিবিদ্ধরা হলেন- আমান উল্যাহপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মহেশপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে পারভেজ (২৭), ৪নং ওয়ার্ডের আইয়ুবপুর গ্রামের সফি উল্যাহর ছেলে মিজানুর রহমান পলাশ (২৬), ৮নং ওয়ার্ডের জয়নারায়ণপুর গ্রামের আবু ছায়েদের ছেলে হৃদয় (২২), ৮নং ওয়ার্ডের পশ্চিম জয়নারায়ণপুর গ্রামের নওশাদ ভূঞা’র ছেলে মো. নিশাত (২৫)।

বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল বাহার চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গুলিবিদ্ধ ৪ জন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। তারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির গ্রুপের কর্মী।

স্থানীয়রা জানায়, রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকনের অনুসারীরা ১৫-২০টি মোটরসাইকেলের একটি বহর নিয়ে খোকনের বাড়ি যাওয়ার পথে সভাপতি আরিফুর রহমান মাহমুদের অনুসারীরা পেছনের কয়েকটি মোটরসাইকেলকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে।

একপর্যায়ে সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা মোটরসাইকেলের বহর থেকে আরিফুর রহমান মাহমুদে অনুসারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে ৪ জন গুলিবিদ্ধ এবং সবমিলিয়ে অন্তত ৯ জন আহত হয়। এ সময় আরিফুর রহমান মাহমুদের অনুসারীরা পাল্টা ধাওয়া করলে সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা ২টি মোটরসাইকেল ঘটনাস্থলে রেখে পালিয়ে যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাপন আমলের রেকর্ডপত্র চেয়ে বিসিবিতে দুদকের ৩ চিঠি

নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের ২ গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৪

আপডেট সময় ০৯:১৫:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আমানউল্লাপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার, দলীয় কোন্দল ও পূর্ব শক্রতার জেরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, সংষর্ষ ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। ইউনিয়ন আওলীগ সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান মাহমুদ গ্রুপ ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা খোকন গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

সোমবার (২৫ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার আমানউল্লাপুর ইউনিয়নের আমানউল্লাপুর বাজার সংলগ্ন পালোয়ান বাড়ির সামনে এ সংষর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে ৪ জন গুলিবিদ্ধসহ ১৩ জন আহত হয়েছে। গুলিবিদ্ধ ৪ জনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত এবং গুলিবিদ্ধরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান মাহমুদের অনুসারী।

গুলিবিদ্ধরা হলেন- আমান উল্যাহপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মহেশপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে পারভেজ (২৭), ৪নং ওয়ার্ডের আইয়ুবপুর গ্রামের সফি উল্যাহর ছেলে মিজানুর রহমান পলাশ (২৬), ৮নং ওয়ার্ডের জয়নারায়ণপুর গ্রামের আবু ছায়েদের ছেলে হৃদয় (২২), ৮নং ওয়ার্ডের পশ্চিম জয়নারায়ণপুর গ্রামের নওশাদ ভূঞা’র ছেলে মো. নিশাত (২৫)।

বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল বাহার চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গুলিবিদ্ধ ৪ জন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। তারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির গ্রুপের কর্মী।

স্থানীয়রা জানায়, রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকনের অনুসারীরা ১৫-২০টি মোটরসাইকেলের একটি বহর নিয়ে খোকনের বাড়ি যাওয়ার পথে সভাপতি আরিফুর রহমান মাহমুদের অনুসারীরা পেছনের কয়েকটি মোটরসাইকেলকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে।

একপর্যায়ে সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা মোটরসাইকেলের বহর থেকে আরিফুর রহমান মাহমুদে অনুসারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে ৪ জন গুলিবিদ্ধ এবং সবমিলিয়ে অন্তত ৯ জন আহত হয়। এ সময় আরিফুর রহমান মাহমুদের অনুসারীরা পাল্টা ধাওয়া করলে সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা ২টি মোটরসাইকেল ঘটনাস্থলে রেখে পালিয়ে যায়।