ঢাকা ১২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে জখম ১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার: এইচআরএসএসের প্রতিবেদন ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দেবে জামায়াত: মিন্টু অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে মাঠ পর্যায় পরিদর্শনে নৌবাহিনী প্রধান জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক আমরা বসন্তের কোকিল নই, জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশ ছাড়িনি: শফিকুর রহমান ‘শুধু একদিন আমার হাঁসটাকে পাহারা দেন, নির্বাচিত হলে ৫ বছর আপনাদেরকে পাহারা দেব’:রুমিন ফারহানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ রুখতে ছাত্র-জনতাকে রাজপথে থাকতে হবে: মামুনুল হক সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য জনমুখী নীতিমালার আহ্বান বাংলাদেশের অনলাইন গেমে আসক্তি, নবম তলা থেকে লাফিয়ে তিন বোনের আত্মহত্যা

‘এবারের ঈদ দেশের জন্য উৎসর্গ করেছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও করোনা হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীরা করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রায় তিনমাস ধরেই ছুটিহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। করোনা আক্রান্তদের সেবা ও দায়িত্ব পালনের তাগিদে পরিবার থেকে রয়েছেন দূরে।

কেমন যাবে এবার করোনার সম্মুখ যোদ্ধা এসব স্বাস্থ্যকর্মীদের ঈদ তা নিয়ে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও করোনা হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা হয়েছে ।

রোববার (২৪ মে) কাছে এবারের ঈদে পরিকল্পনা নিয়ে কথা হয় জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, জেলা করোনা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. গৌতম রায় ও হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. শামসুদ্দোহা সরকার সঞ্চয়ের সঙ্গে।

ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ জানান, আজকে তিনমাস যাবত জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের প্রত্যেক কর্মী দিন নেই রাত নেই অমানুষিক পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এদের না আছে কোনো শুক্রবার, না আছে শনিবার। প্রতিটা দিন বাংলাদেশের সকল স্বাস্থ্যকর্মীরা এভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এবারের ঈদটা আসলে স্বাস্থ্যকর্মীরা দেশের জন্য উৎসর্গ করেছেন। তারা সকল কিছুর ঊর্ধ্বে নিজেদের দায়িত্ববোধ ও দেশকে প্রাধান্য দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, সবাই যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উদযাপন করবেন। ঈদেও নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ নিজেদের কার্যক্রম চালু রাখবে। নমুনা সংগ্রহ, আক্রান্তদের সেবা দেয়াসহ ল্যাবও চালু থাকবে। তবে শুধু ঈদের দিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হবে না, ওইদিন এখানে এসে নমুনা দিয়ে যেতে হবে।

ডা. গৌতম রায় জানান, ঈদের দিন সকাল থেকেই আমরা হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করবো। আমার পক্ষ থেকে বিশেষ সেমাই ও মিষ্টিমুখ করানো হবে স্বাস্থ্যকর্মী ও আক্রান্তদের। পরিবার ছাড়া ঈদ পালন হয়তো স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য কিছুটা বেদনার, তবে এই সেবার মধ্যেই আমরা আমাদের ঈদ আনন্দকে খুঁজে নিচ্ছি।

ডা. সঞ্চয় জানান, করোনা রোগী যারা হাসপাতালে সেবা নিচ্ছেন এবং আমরা যারা স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছি এখন এটিই আমাদের পরিবার। পরিবার থেকে দূরে ঈদ করার কষ্ট সত্যিই বেদনাদায়ক, তবে আমরা আমাদের দায়িত্বকে প্রাধান্য দিচ্ছি। ঈদের দিন, ছুটির দিন সবকিছুই এখন আমাদের জন্য এক। ঈদের দিন আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান বিশেষ খাবারের আয়োজন করেছেন। পরিবারের সঙ্গে আপাতত মুঠোফোনে শুভেচ্ছা বিনিময়েই আমাদের ঈদ উদযাপিত হবে। আমরা সকলেই যেভাবে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করছি, ঈদের দিনও সেভাবেই পালন করবো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘এবারের ঈদ দেশের জন্য উৎসর্গ করেছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা’

আপডেট সময় ০৪:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও করোনা হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীরা করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রায় তিনমাস ধরেই ছুটিহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। করোনা আক্রান্তদের সেবা ও দায়িত্ব পালনের তাগিদে পরিবার থেকে রয়েছেন দূরে।

কেমন যাবে এবার করোনার সম্মুখ যোদ্ধা এসব স্বাস্থ্যকর্মীদের ঈদ তা নিয়ে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও করোনা হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা হয়েছে ।

রোববার (২৪ মে) কাছে এবারের ঈদে পরিকল্পনা নিয়ে কথা হয় জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, জেলা করোনা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. গৌতম রায় ও হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. শামসুদ্দোহা সরকার সঞ্চয়ের সঙ্গে।

ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ জানান, আজকে তিনমাস যাবত জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের প্রত্যেক কর্মী দিন নেই রাত নেই অমানুষিক পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এদের না আছে কোনো শুক্রবার, না আছে শনিবার। প্রতিটা দিন বাংলাদেশের সকল স্বাস্থ্যকর্মীরা এভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এবারের ঈদটা আসলে স্বাস্থ্যকর্মীরা দেশের জন্য উৎসর্গ করেছেন। তারা সকল কিছুর ঊর্ধ্বে নিজেদের দায়িত্ববোধ ও দেশকে প্রাধান্য দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, সবাই যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উদযাপন করবেন। ঈদেও নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ নিজেদের কার্যক্রম চালু রাখবে। নমুনা সংগ্রহ, আক্রান্তদের সেবা দেয়াসহ ল্যাবও চালু থাকবে। তবে শুধু ঈদের দিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হবে না, ওইদিন এখানে এসে নমুনা দিয়ে যেতে হবে।

ডা. গৌতম রায় জানান, ঈদের দিন সকাল থেকেই আমরা হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করবো। আমার পক্ষ থেকে বিশেষ সেমাই ও মিষ্টিমুখ করানো হবে স্বাস্থ্যকর্মী ও আক্রান্তদের। পরিবার ছাড়া ঈদ পালন হয়তো স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য কিছুটা বেদনার, তবে এই সেবার মধ্যেই আমরা আমাদের ঈদ আনন্দকে খুঁজে নিচ্ছি।

ডা. সঞ্চয় জানান, করোনা রোগী যারা হাসপাতালে সেবা নিচ্ছেন এবং আমরা যারা স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছি এখন এটিই আমাদের পরিবার। পরিবার থেকে দূরে ঈদ করার কষ্ট সত্যিই বেদনাদায়ক, তবে আমরা আমাদের দায়িত্বকে প্রাধান্য দিচ্ছি। ঈদের দিন, ছুটির দিন সবকিছুই এখন আমাদের জন্য এক। ঈদের দিন আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান বিশেষ খাবারের আয়োজন করেছেন। পরিবারের সঙ্গে আপাতত মুঠোফোনে শুভেচ্ছা বিনিময়েই আমাদের ঈদ উদযাপিত হবে। আমরা সকলেই যেভাবে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করছি, ঈদের দিনও সেভাবেই পালন করবো।