ঢাকা ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লকডাউনে দু’মাস বেতন নেই, কুয়োয় ঝাঁপ দিয়ে শ্রমিকদের গণ আত্মহত্যা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

লকডাউনে দু’মাস বেতন না-পাওয়া শ্রমিকরা গণ আত্মহত্যা করেছে। ভারতের তেলঙ্গানায় এ ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার গ্রামের একটি কুয়ো থেকে শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্য মিলিয়ে ৯ জনের দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। খবর আনন্দবাজার।

উদ্ধারকৃত ৯ জনের মধ্যে ৬ জনের বাড়ি পশ্চিমবঙ্গে। দু’জনের বিহারে ও এক জনের বাড়ি ত্রিপুরা। এ ঘটনাকে পুলিশ গণ-আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে। কেননা কারও শরীরে আঘাতের চিহ্ন নেই। ফলে হত্যার ঘটনা হওয়ার সম্ভবনা কম। এছাড়া এই শ্রমিকরা বাড়ি ফিরতে পারছিলেন না। দু’মাস ধরে জুটমিল ও অন্য কারখানা থেকে বেতন পাননি বরে জানা গেছে।

জানা যায়, ঘরে ফিরতে না-পারা, থাকার ঘর হারানো এবং চরম আর্থিক সঙ্কট নিয়ে সকলেরই অবস্থা ছিল কোণঠাসা। পশ্চিমবঙ্গের মকসুদ আলম ২০ বছর আগে এখানে জুট মিলে কাজ করতে আসেন। কারখানার কাছাকাছি দুটি ঘরে সপরিবার থাকতেন তিনি। কিন্তু লকডাউনে বেতন না পাওয়ায় ঘর ছাড়তে হয়। স্থানীয় এক দোকানদার নিজের গুদাম ঘরে তাদের আশ্রয় দেয়। সেখানেই ছিলো কুয়োটি। পরে শুক্রবার কুয়ো থেকে মকসুদ, তার স্ত্রী নিশা, দুই ছেলে সোহেল ও শাবাদ, মেয়ে বুশরা খাতুন এবং তিন বছরের নাতি শাকিলের দেহ উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া ত্রিপুরার বাসিন্দা শাকিল আহমেদ, বিহারের শ্রীরাম ও শ্যামেরও দেহ উদ্ধার করা হয় এই কুয়ো থেকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লকডাউনে দু’মাস বেতন নেই, কুয়োয় ঝাঁপ দিয়ে শ্রমিকদের গণ আত্মহত্যা

আপডেট সময় ০৩:১৫:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

লকডাউনে দু’মাস বেতন না-পাওয়া শ্রমিকরা গণ আত্মহত্যা করেছে। ভারতের তেলঙ্গানায় এ ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার গ্রামের একটি কুয়ো থেকে শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্য মিলিয়ে ৯ জনের দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। খবর আনন্দবাজার।

উদ্ধারকৃত ৯ জনের মধ্যে ৬ জনের বাড়ি পশ্চিমবঙ্গে। দু’জনের বিহারে ও এক জনের বাড়ি ত্রিপুরা। এ ঘটনাকে পুলিশ গণ-আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে। কেননা কারও শরীরে আঘাতের চিহ্ন নেই। ফলে হত্যার ঘটনা হওয়ার সম্ভবনা কম। এছাড়া এই শ্রমিকরা বাড়ি ফিরতে পারছিলেন না। দু’মাস ধরে জুটমিল ও অন্য কারখানা থেকে বেতন পাননি বরে জানা গেছে।

জানা যায়, ঘরে ফিরতে না-পারা, থাকার ঘর হারানো এবং চরম আর্থিক সঙ্কট নিয়ে সকলেরই অবস্থা ছিল কোণঠাসা। পশ্চিমবঙ্গের মকসুদ আলম ২০ বছর আগে এখানে জুট মিলে কাজ করতে আসেন। কারখানার কাছাকাছি দুটি ঘরে সপরিবার থাকতেন তিনি। কিন্তু লকডাউনে বেতন না পাওয়ায় ঘর ছাড়তে হয়। স্থানীয় এক দোকানদার নিজের গুদাম ঘরে তাদের আশ্রয় দেয়। সেখানেই ছিলো কুয়োটি। পরে শুক্রবার কুয়ো থেকে মকসুদ, তার স্ত্রী নিশা, দুই ছেলে সোহেল ও শাবাদ, মেয়ে বুশরা খাতুন এবং তিন বছরের নাতি শাকিলের দেহ উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া ত্রিপুরার বাসিন্দা শাকিল আহমেদ, বিহারের শ্রীরাম ও শ্যামেরও দেহ উদ্ধার করা হয় এই কুয়ো থেকে।