ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রূপগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নতুন রাষ্ট্রপতি দিয়ে সরকারকে যাত্রা শুরু করতে হবে: উমামা প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় ছাত্রলীগ নেতা সুবিধা বঞ্চিত নারী ও শিশুদের নিয়ে ইফতার করলেন ডা. জুবাইদা রহমান ফিলিস্তিন ভূখণ্ড দখলে ইসরায়েলি আইনের তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সরকার স্বচ্ছতার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে চায়: আসাদুজ্জামান ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর সাকিবকে খেলতে না দেওয়া দুর্নীতি হলে শাস্তি পেতে রাজি: আসিফ মাহমুদ পাকিস্তানের ‘ঘাড় মটকে’ দেয়ার হুঁশিয়ারি আফগানিস্তানের নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার: মির্জা ফখরুল

পোশাকের ক্রয়াদেশ বাতিলে ইইউ পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ চায় ঢাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিত করছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো। এই প্রেক্ষাপট থেকে উত্তরণে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে ঢাকা। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, কিছু ইউরোপিয়ান ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের গার্মেন্ট ফ্যাক্টরিগুলোর ক্রয়াদেশ বাতিল ও মূল্য কমানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ ধরনের অনৈতিক ও অস্বস্তিকর পদক্ষেপ পোশাক ব্যবসার নৈতিকতার ধারণার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

এটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের চেতনার পরিপন্থী উল্লেখ করে চিঠিতে বিষয়টির সমাধান চেয়ে ইইউ পার্লামেন্টের কমিটি অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (আইএনটিএ) হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

জানা যায়, গত ১৩ মে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সদস্য ও কমিটি অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (আইএনটিএ) চেয়ার ব্রান্ড ল্যাঞ্জের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন।

চিঠিতে আইএনটিএর চেয়ারকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, কোভিড-১৯ বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং রপ্তানিভিত্তিক তৈরি পোশাক কারখানায় নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। দেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ ভাগই আসে তৈরি পোশাকখাত থেকে। এ মুহূর্তে এই খাতটিকে পর্যাপ্ত সহায়তা না দিলে ধস পড়তে পারে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার পোশাকখাতকে চাঙা করতে নানামুখি উদ্দীপনা প্যাকেজ গ্রহণ করেছে। তবে এটি ৪০ লাখ শ্রমিকের জীবন ও জীবিকা নির্বাহের পক্ষে যথেষ্ট নয়।

বিশেষ করে যার বেশিরভাগই নারী শ্রমিক-দেশের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। আমরা বুঝতে পারি যে, মহামারিটি (কোভিড-১৯) ইউরোপীয় অনেক ব্যবসায়ও ক্ষতি করেছে। এই বিরাট চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা ইইউর সহযোগিতা চাই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রূপগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

পোশাকের ক্রয়াদেশ বাতিলে ইইউ পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ চায় ঢাকা

আপডেট সময় ০৭:৫০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিত করছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো। এই প্রেক্ষাপট থেকে উত্তরণে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে ঢাকা। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, কিছু ইউরোপিয়ান ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের গার্মেন্ট ফ্যাক্টরিগুলোর ক্রয়াদেশ বাতিল ও মূল্য কমানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ ধরনের অনৈতিক ও অস্বস্তিকর পদক্ষেপ পোশাক ব্যবসার নৈতিকতার ধারণার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

এটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের চেতনার পরিপন্থী উল্লেখ করে চিঠিতে বিষয়টির সমাধান চেয়ে ইইউ পার্লামেন্টের কমিটি অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (আইএনটিএ) হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

জানা যায়, গত ১৩ মে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সদস্য ও কমিটি অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (আইএনটিএ) চেয়ার ব্রান্ড ল্যাঞ্জের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন।

চিঠিতে আইএনটিএর চেয়ারকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, কোভিড-১৯ বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং রপ্তানিভিত্তিক তৈরি পোশাক কারখানায় নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। দেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ ভাগই আসে তৈরি পোশাকখাত থেকে। এ মুহূর্তে এই খাতটিকে পর্যাপ্ত সহায়তা না দিলে ধস পড়তে পারে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার পোশাকখাতকে চাঙা করতে নানামুখি উদ্দীপনা প্যাকেজ গ্রহণ করেছে। তবে এটি ৪০ লাখ শ্রমিকের জীবন ও জীবিকা নির্বাহের পক্ষে যথেষ্ট নয়।

বিশেষ করে যার বেশিরভাগই নারী শ্রমিক-দেশের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। আমরা বুঝতে পারি যে, মহামারিটি (কোভিড-১৯) ইউরোপীয় অনেক ব্যবসায়ও ক্ষতি করেছে। এই বিরাট চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা ইইউর সহযোগিতা চাই।