ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পোশাকের ক্রয়াদেশ বাতিলে ইইউ পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ চায় ঢাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিত করছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো। এই প্রেক্ষাপট থেকে উত্তরণে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে ঢাকা। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, কিছু ইউরোপিয়ান ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের গার্মেন্ট ফ্যাক্টরিগুলোর ক্রয়াদেশ বাতিল ও মূল্য কমানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ ধরনের অনৈতিক ও অস্বস্তিকর পদক্ষেপ পোশাক ব্যবসার নৈতিকতার ধারণার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

এটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের চেতনার পরিপন্থী উল্লেখ করে চিঠিতে বিষয়টির সমাধান চেয়ে ইইউ পার্লামেন্টের কমিটি অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (আইএনটিএ) হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

জানা যায়, গত ১৩ মে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সদস্য ও কমিটি অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (আইএনটিএ) চেয়ার ব্রান্ড ল্যাঞ্জের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন।

চিঠিতে আইএনটিএর চেয়ারকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, কোভিড-১৯ বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং রপ্তানিভিত্তিক তৈরি পোশাক কারখানায় নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। দেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ ভাগই আসে তৈরি পোশাকখাত থেকে। এ মুহূর্তে এই খাতটিকে পর্যাপ্ত সহায়তা না দিলে ধস পড়তে পারে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার পোশাকখাতকে চাঙা করতে নানামুখি উদ্দীপনা প্যাকেজ গ্রহণ করেছে। তবে এটি ৪০ লাখ শ্রমিকের জীবন ও জীবিকা নির্বাহের পক্ষে যথেষ্ট নয়।

বিশেষ করে যার বেশিরভাগই নারী শ্রমিক-দেশের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। আমরা বুঝতে পারি যে, মহামারিটি (কোভিড-১৯) ইউরোপীয় অনেক ব্যবসায়ও ক্ষতি করেছে। এই বিরাট চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা ইইউর সহযোগিতা চাই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পোশাকের ক্রয়াদেশ বাতিলে ইইউ পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ চায় ঢাকা

আপডেট সময় ০৭:৫০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিত করছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো। এই প্রেক্ষাপট থেকে উত্তরণে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে ঢাকা। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, কিছু ইউরোপিয়ান ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের গার্মেন্ট ফ্যাক্টরিগুলোর ক্রয়াদেশ বাতিল ও মূল্য কমানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ ধরনের অনৈতিক ও অস্বস্তিকর পদক্ষেপ পোশাক ব্যবসার নৈতিকতার ধারণার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

এটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের চেতনার পরিপন্থী উল্লেখ করে চিঠিতে বিষয়টির সমাধান চেয়ে ইইউ পার্লামেন্টের কমিটি অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (আইএনটিএ) হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

জানা যায়, গত ১৩ মে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সদস্য ও কমিটি অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (আইএনটিএ) চেয়ার ব্রান্ড ল্যাঞ্জের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন।

চিঠিতে আইএনটিএর চেয়ারকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, কোভিড-১৯ বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং রপ্তানিভিত্তিক তৈরি পোশাক কারখানায় নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। দেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ ভাগই আসে তৈরি পোশাকখাত থেকে। এ মুহূর্তে এই খাতটিকে পর্যাপ্ত সহায়তা না দিলে ধস পড়তে পারে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার পোশাকখাতকে চাঙা করতে নানামুখি উদ্দীপনা প্যাকেজ গ্রহণ করেছে। তবে এটি ৪০ লাখ শ্রমিকের জীবন ও জীবিকা নির্বাহের পক্ষে যথেষ্ট নয়।

বিশেষ করে যার বেশিরভাগই নারী শ্রমিক-দেশের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। আমরা বুঝতে পারি যে, মহামারিটি (কোভিড-১৯) ইউরোপীয় অনেক ব্যবসায়ও ক্ষতি করেছে। এই বিরাট চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা ইইউর সহযোগিতা চাই।