ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় পদক্ষেপ, ইউরেনিয়াম চুক্তিতে সই করল ভারত-অস্ট্রেলিয়া খামেনির শেষযাত্রার পথে মার্কিন হামলা, রেলসেতু ধ্বংসের পর বন্ধ ট্রেন চলাচল বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রবৃদ্ধি কিছুটা শ্লথ হলেও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রয়েছে : এডিবি আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী ফিফা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ নিয়ে থানায় নোয়াখালীর তরুণ তুরস্কের সঙ্গে যৌথ ড্রোন কারখানা হবে বগুড়ায় : এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালকে দখলমুক্ত করে সুশৃঙ্খল করা হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় নতুন করে ইরানের হামলা ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে সিরিয়াসলি চিন্তা করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের ১৯২ নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে সেবার পরিধি বাড়ানো হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পোশাকের ক্রয়াদেশ বাতিলে ইইউ পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ চায় ঢাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিত করছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো। এই প্রেক্ষাপট থেকে উত্তরণে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে ঢাকা। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, কিছু ইউরোপিয়ান ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের গার্মেন্ট ফ্যাক্টরিগুলোর ক্রয়াদেশ বাতিল ও মূল্য কমানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ ধরনের অনৈতিক ও অস্বস্তিকর পদক্ষেপ পোশাক ব্যবসার নৈতিকতার ধারণার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

এটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের চেতনার পরিপন্থী উল্লেখ করে চিঠিতে বিষয়টির সমাধান চেয়ে ইইউ পার্লামেন্টের কমিটি অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (আইএনটিএ) হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

জানা যায়, গত ১৩ মে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সদস্য ও কমিটি অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (আইএনটিএ) চেয়ার ব্রান্ড ল্যাঞ্জের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন।

চিঠিতে আইএনটিএর চেয়ারকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, কোভিড-১৯ বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং রপ্তানিভিত্তিক তৈরি পোশাক কারখানায় নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। দেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ ভাগই আসে তৈরি পোশাকখাত থেকে। এ মুহূর্তে এই খাতটিকে পর্যাপ্ত সহায়তা না দিলে ধস পড়তে পারে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার পোশাকখাতকে চাঙা করতে নানামুখি উদ্দীপনা প্যাকেজ গ্রহণ করেছে। তবে এটি ৪০ লাখ শ্রমিকের জীবন ও জীবিকা নির্বাহের পক্ষে যথেষ্ট নয়।

বিশেষ করে যার বেশিরভাগই নারী শ্রমিক-দেশের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। আমরা বুঝতে পারি যে, মহামারিটি (কোভিড-১৯) ইউরোপীয় অনেক ব্যবসায়ও ক্ষতি করেছে। এই বিরাট চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা ইইউর সহযোগিতা চাই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে ঘিরে বিতর্কে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ফিফা

পোশাকের ক্রয়াদেশ বাতিলে ইইউ পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ চায় ঢাকা

আপডেট সময় ০৭:৫০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিত করছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো। এই প্রেক্ষাপট থেকে উত্তরণে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে ঢাকা। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, কিছু ইউরোপিয়ান ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের গার্মেন্ট ফ্যাক্টরিগুলোর ক্রয়াদেশ বাতিল ও মূল্য কমানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ ধরনের অনৈতিক ও অস্বস্তিকর পদক্ষেপ পোশাক ব্যবসার নৈতিকতার ধারণার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

এটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের চেতনার পরিপন্থী উল্লেখ করে চিঠিতে বিষয়টির সমাধান চেয়ে ইইউ পার্লামেন্টের কমিটি অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (আইএনটিএ) হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

জানা যায়, গত ১৩ মে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সদস্য ও কমিটি অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (আইএনটিএ) চেয়ার ব্রান্ড ল্যাঞ্জের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন।

চিঠিতে আইএনটিএর চেয়ারকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, কোভিড-১৯ বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং রপ্তানিভিত্তিক তৈরি পোশাক কারখানায় নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। দেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ ভাগই আসে তৈরি পোশাকখাত থেকে। এ মুহূর্তে এই খাতটিকে পর্যাপ্ত সহায়তা না দিলে ধস পড়তে পারে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার পোশাকখাতকে চাঙা করতে নানামুখি উদ্দীপনা প্যাকেজ গ্রহণ করেছে। তবে এটি ৪০ লাখ শ্রমিকের জীবন ও জীবিকা নির্বাহের পক্ষে যথেষ্ট নয়।

বিশেষ করে যার বেশিরভাগই নারী শ্রমিক-দেশের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। আমরা বুঝতে পারি যে, মহামারিটি (কোভিড-১৯) ইউরোপীয় অনেক ব্যবসায়ও ক্ষতি করেছে। এই বিরাট চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা ইইউর সহযোগিতা চাই।