ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাপন আমলের রেকর্ডপত্র চেয়ে বিসিবিতে দুদকের ৩ চিঠি হাত–মুখ বেঁধে জামায়াত নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ পশ্চিমা দেশগুলোর সন্দেহের মাঝেই চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌ মহড়া মোংলায় চাঁদা না পেয়ে গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার ৩ ১৮ বছরের নির্যাতনের পর অস্থিরতা স্বাভাবিক, তবে নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরতে হবে: দুদু পুলিশের ৩৩ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার বাসা থেকে ধরে নিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে যুবককে পিটিয়ে হত্যা অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে’:শিল্পমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে পেটে গুলি লেগেছিল মন্নাস আলীর, ৫৫ বছর পর অস্ত্রোপচারে অপসারণ মেয়েকে তুলে নিয়ে বিয়ের পর ২০ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ, হুমকি-অপমানে বাবার ‘আত্মহত্যা’

ভিড় সামলাতে না পেরে বন্ধ করে দেওয়া হলো সব মার্কেট

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মার্কেট খুলতেই দেখা যায় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। কেউই সরকার প্রদত্ত শর্ত মানছেন না। তাই বাধ্য হয়ে মার্কেট খোলার দুইদিনের মধ্যেই আবার ফরিদপুর শহরের সব দোকান বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলাটির চেম্বার অফ কমার্স। সোমবার (১১ মে) এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বেলা ১২টার দিকে নিউমার্কেট ও চকবাজার কাপড় পট্টিতে গিয়ে দেখা গেছে, মার্কেটের গেটে পুলিশ প্রহরা রয়েছে। ব্যবসায়ী কমিটির কর্মকর্তারা হ্যান্ড মাইকে ক্রেতাদের সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেনাকাটার জন্য নির্দেশ দিচ্ছেন। তবে প্রতিটি অলিগলি ও দোকানের সামনে ক্রেতাদের ভিড় কমানো যায়নি। ক্রেতাদের সিংহভাগই নারী। কোলের শিশুও নিয়ে এসেছেন তারা। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছিলেন না অনেকে। ভিড় সামলাতে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি ব্যবসায়ী কমিটির কর্মকর্তারা হিমশিম খেতে দেখা যায়।

ব্যবসায়ীরা জানান, মার্কেটে আসা ক্রেতাদের বেশিরভাগই দূরদূরান্ত ও গ্রাম থেকে আসা। তারা কিনছেন কম দামের শাড়ি, লুঙ্গি, গেঞ্জি, জুতা-স্যান্ডেল ও কাপড়চোপড়। বেশি দামের কোনো পণ্যই তারা বিক্রি করতে পারেননি এই দু’দিনে।মফরিদপুর চেম্বার অব কমার্সের (এফসিসিআই) নেতৃবৃন্দ সোমবারও সরেজমিনে অবস্থা পরিদর্শন করেন।

এফসিসিআই পরিচালক নাজমুল ইসলাম খন্দকার লেভী বলেন, মার্কেটে একদিন এক পাশের ও অন্য দিনে আরেক পাশের দোকান খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরিবারের একজনের বেশি না আসা ও কোনক্রমেই শিশুদের না আনার কড়া নির্দেশনা রয়েছে। মতিনি বলেন, যেসব নির্দেশনা আমরা দিয়েছিলাম তার কোনোটাই মানা হচ্ছে না।

ফরিদপুর চকবাজার বণিক সমিতির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক দিনদয়াল আগরওয়াল জানান, মার্কেটে আসা ক্রেতাদের সচেতন করতে হ্যান্ড মাইকে ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের সত্য নারায়ণ আগরওয়াল অ্যান্ড সন্সসহ কিছু দোকান বন্ধ রয়েছে। আবার অনেকে তা মানছে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাপন আমলের রেকর্ডপত্র চেয়ে বিসিবিতে দুদকের ৩ চিঠি

ভিড় সামলাতে না পেরে বন্ধ করে দেওয়া হলো সব মার্কেট

আপডেট সময় ০৫:০১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মার্কেট খুলতেই দেখা যায় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। কেউই সরকার প্রদত্ত শর্ত মানছেন না। তাই বাধ্য হয়ে মার্কেট খোলার দুইদিনের মধ্যেই আবার ফরিদপুর শহরের সব দোকান বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলাটির চেম্বার অফ কমার্স। সোমবার (১১ মে) এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বেলা ১২টার দিকে নিউমার্কেট ও চকবাজার কাপড় পট্টিতে গিয়ে দেখা গেছে, মার্কেটের গেটে পুলিশ প্রহরা রয়েছে। ব্যবসায়ী কমিটির কর্মকর্তারা হ্যান্ড মাইকে ক্রেতাদের সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেনাকাটার জন্য নির্দেশ দিচ্ছেন। তবে প্রতিটি অলিগলি ও দোকানের সামনে ক্রেতাদের ভিড় কমানো যায়নি। ক্রেতাদের সিংহভাগই নারী। কোলের শিশুও নিয়ে এসেছেন তারা। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছিলেন না অনেকে। ভিড় সামলাতে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি ব্যবসায়ী কমিটির কর্মকর্তারা হিমশিম খেতে দেখা যায়।

ব্যবসায়ীরা জানান, মার্কেটে আসা ক্রেতাদের বেশিরভাগই দূরদূরান্ত ও গ্রাম থেকে আসা। তারা কিনছেন কম দামের শাড়ি, লুঙ্গি, গেঞ্জি, জুতা-স্যান্ডেল ও কাপড়চোপড়। বেশি দামের কোনো পণ্যই তারা বিক্রি করতে পারেননি এই দু’দিনে।মফরিদপুর চেম্বার অব কমার্সের (এফসিসিআই) নেতৃবৃন্দ সোমবারও সরেজমিনে অবস্থা পরিদর্শন করেন।

এফসিসিআই পরিচালক নাজমুল ইসলাম খন্দকার লেভী বলেন, মার্কেটে একদিন এক পাশের ও অন্য দিনে আরেক পাশের দোকান খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরিবারের একজনের বেশি না আসা ও কোনক্রমেই শিশুদের না আনার কড়া নির্দেশনা রয়েছে। মতিনি বলেন, যেসব নির্দেশনা আমরা দিয়েছিলাম তার কোনোটাই মানা হচ্ছে না।

ফরিদপুর চকবাজার বণিক সমিতির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক দিনদয়াল আগরওয়াল জানান, মার্কেটে আসা ক্রেতাদের সচেতন করতে হ্যান্ড মাইকে ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের সত্য নারায়ণ আগরওয়াল অ্যান্ড সন্সসহ কিছু দোকান বন্ধ রয়েছে। আবার অনেকে তা মানছে না।