ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মার্কেট খোলার সিদ্ধান্ত নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় তোলপাড়

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে দেশের মার্কেটগুলো সীমিত পরিসরে খোলার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার তা নিয়ে বেশ তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে স্যোশাল মিডিয়ায়। প্রথমে গার্মেন্টস খুলে দেওয়া এবং এরপর একে একে মার্কেট ও মসজিদ খুলে দেওয়ার বিষয়গুলো একটু ভিন্ন আঙ্গিকেই দেখছেন নেটিজনরা।

বুধবার (০৬ মে) সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে দেখা গেছে বিভিন্নজন এই বিষয়গুলো নিয়ে মন্তব্য করেছেন বিভিন্ন রকম ভাবে। তবে যারা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার করেন, তাদের প্রধান আলোচ্য বিষয়ই ছিল সরকারের পক্ষ থেকে গার্মেন্টস, মার্কেট এবং মসজিদ খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন দেওয়া নিয়ে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কেট খুলে দিলে বাংলাদেশে আগামী ১ মাস পর করোনায় মৃত্যুর মিছিল ঘটবে বলে মন্তব্য করেছেন আব্দুস সালাম সোহাগ নামের এক ব্যক্তি। তিনি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘লাখ লাখ শ্রমিক নিয়ে গার্মেন্টস খোলা। ১০ তারিখ থেকে মার্কেটসহ দোকান খোলা, হাটবাজার খোলা। করোনা ছড়াতে ৭ দিন লাগবে। লক্ষ করলে দেখা যাবে, করোনা লক্ষণ দেখা দিবে ১৪ দিন পর। নমুনা সংগ্রহ, টেস্ট করতে লাগবে ৭ দিন। সুতরাং ১ মাস পর দেখবেন দেশের অবস্থান কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।’

‘এক মাস যেহেতু ধৈর্য ধরতে পেরেছি, আর এক মাসে কী এমন অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে। দেশের নাগরিকদের জীবনের চেয়ে অর্থনৈতিক মূল্য এতটাই বেশি! দয়া করে করোনা সংক্রমণ শূন্যে না নামা পর্যন্ত কোনো কিছু চালু করবেন না। সরকার এই সহজ হিসেবটা কেন বোঝে না।’

এদিকে ‘দেশে করোনায় আক্রান্ত ৩৮ দিনে এক হাজার, বাকি ২০ দিনে নয় হাজার। এই পরিস্থিতিতে মার্কেট খোলা কতটুকু যৌক্তিক?’ এমন প্রশ্নও করেছেন কেউ কেউ। তাদের মতে, ‘মার্কেট খোলা ভুল সিদ্ধান্ত। সামনে আসছে ভয়াবহ পরিস্থিতি।’

এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে দেশে মার্কেট, শপিং কমপ্লেক্স, মসজিদ খুলে দেওয়ায় একটা উৎসব শুরু হয়েছে উল্লেখ করে আসিফ জামিল শাহেদ নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘জেনে শুনে জনগণকে নিশ্চিত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে না তো? দেশে মার্কেট, শপিং কমপ্লেক্স, মসজিদ খুলে দিয়ে যেন একটা উৎসব শুরু হয়েছে। করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজারের উপর যে দেশে যাচ্ছে, সেই দেশ সাথে সাথে জরুরি অবস্থা জারি করে দিচ্ছে। আমেরিকা প্রথমে খুব হালকা ভাবে নিয়েছিল এটা। চীনের করোনা আমেরিকাতে আসতে পারবে না। ইচ্ছামতো সব কিছু খোলা রেখেছিল। আজকে তাদের মৃত্যু সংখ্যা প্রায় ৭৩ হাজার এর কাছাকাছি আর আক্রান্ত সংখ্যা সাড়ে ১২ লাখ এর মতো। শুধুমাত্র একটু অবহেলার কারণে উন্নত চিকিৎসার সব কিছু থাকার পরও তাদের অবস্থা আজকে এত খারাপের দিকে।’

‘ঠিক কাছকাছি সময়ে মালয়েশিয়া আক্রান্ত হয়েছিল। সরকার তাদের জীবন দিয়ে যত ক্ষতিই হোক না কেন, এই মহামারি থেকে জনগণকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছে। দেশে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান ছিল না যেটা তারা বন্ধ করেনি। এখন অনেক ভালো অবস্থানে মালয়েশিয়া। এতদিনেও মোট আক্রান্ত সাড়ে ছয় হাজার পার করেনি দেশটি। আর মোট মৃত্যু ১০৭ জন মাত্র। এখন এই মৃত্যু ও আক্রান্তের হার অনেক কম, তারপরও তারা বড় বড় শপিংমল, মসজিদ খোলার সাহস পায়নি। আমাদের দেশে এমন কী আছে যেটা দিয়ে আমরা এই মহামারি রুখতে পারবো? যাও লকডাউন দিয়ে একটু রক্ষা হচ্ছিলো তাও উঠিয় দেওয়া হচ্ছে।’

মো. আলী নেওয়াজ নামে একজন লিখেছেন, ‘লকডাউন, কিন্তু ঈদের মার্কেট খোলা। ঈদের মার্কেটে মানুষ কি হেঁটে যাবে না গাড়িতে যাবে? জামা কাপড় কি হাতে ধরাধরি করে কিনবে নাকি দূর থেকে দেখে কিনে ফেলবে? ঈদের জামা কাপড় বড় না করোনা থেকে দেশ বাঁচানো বড়?! রেস্টুরেন্ট খোলা, গার্মেন্টসও খোলা, কিন্তু আবার লকডাউন। কি জানি কি! সবকিছুই এলোমেলো।’

এছাড়া মার্কেট খোলা রেখে গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা খুঁজে পাননি নেটিজন নাজিম সরকার। একইসাথে লকডাউনের মধ্যেও সকলের ছন্নছাড়া ভাবের জন্য দেশের জনগণের প্রতিও তার ক্ষোভ লক্ষ করা গেছে। লিখেছেন মহাসড়কে বিস্তর যান চলাচল নিয়েও।

নাজিম সরকার লেখেন, ‘মার্কেট খোলা, গাড়ি চলাচল বন্ধ…। গ্রাম থেকে জেলা শহরে কি হেঁটে হেঁটে শপিং করতে আসবে মানুষ…? অপরদিকে দুই মাসে করোনায় মারা গেছে ১৮২ জন। কিন্তু গতমাসে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে ২৫৭ জন। মানুষ নাই, গাড়ি নাই। তবু দুর্ঘটনা বন্ধ হয় নাই। মনে হচ্ছে- কেয়ামতের দিন সকালে এবং পুলসিরাতের ব্রিজেও বাঙালি এক্সিডেন্ট করে মারা যাবে। ঈদের নামাজ না পড়লেও চলবে। কিন্তু নতুন পায়জামা না পড়লে, বাঙালির ঈদ হবে না। তাই ঈদের জামায়াত ও তারাবির জামায়াত বাদ দিয়ে পায়জামা ও জিলাপির জন্য লাইন ধরবে সবাই।’

তবে এতকিছুর মধ্যেও নিজেদের সাবধনতা নিয়েও কথা বলছেন অনেকেই। সচেতন করছেন অন্যদেরও। এ বিষয়ে হালিমা তুজ স্নিগ্ধা নামে একজন লিখেছেন, ‘ফেসবুকে বাংলাদেশ বর্তমানে ২ পক্ষে বিভক্ত হয়েছে। একটি মার্কেট খোলা নিয়ে দ্বিমত পোষণ করছে। অপরটি মার্কেট খোলাকে সমর্থন করছেন। আপনি উভয়পক্ষকেই এড়িয়ে চলুন। নিজের জায়গা থেকে নিজে সচেতন হোন। যেটি আপনার এবং সবার জন্য ভালো হবে সেটিই করুন। আপনার জীবন বাঁচানোর দায়িত্ব আপনার নিজেরই।’

আগামী ১০ মে থেকে শর্ত সাপেক্ষে দোকানপাট ও শপিংমল বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে সরকার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

মার্কেট খোলার সিদ্ধান্ত নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় তোলপাড়

আপডেট সময় ০৭:৪৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে দেশের মার্কেটগুলো সীমিত পরিসরে খোলার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার তা নিয়ে বেশ তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে স্যোশাল মিডিয়ায়। প্রথমে গার্মেন্টস খুলে দেওয়া এবং এরপর একে একে মার্কেট ও মসজিদ খুলে দেওয়ার বিষয়গুলো একটু ভিন্ন আঙ্গিকেই দেখছেন নেটিজনরা।

বুধবার (০৬ মে) সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে দেখা গেছে বিভিন্নজন এই বিষয়গুলো নিয়ে মন্তব্য করেছেন বিভিন্ন রকম ভাবে। তবে যারা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার করেন, তাদের প্রধান আলোচ্য বিষয়ই ছিল সরকারের পক্ষ থেকে গার্মেন্টস, মার্কেট এবং মসজিদ খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন দেওয়া নিয়ে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কেট খুলে দিলে বাংলাদেশে আগামী ১ মাস পর করোনায় মৃত্যুর মিছিল ঘটবে বলে মন্তব্য করেছেন আব্দুস সালাম সোহাগ নামের এক ব্যক্তি। তিনি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘লাখ লাখ শ্রমিক নিয়ে গার্মেন্টস খোলা। ১০ তারিখ থেকে মার্কেটসহ দোকান খোলা, হাটবাজার খোলা। করোনা ছড়াতে ৭ দিন লাগবে। লক্ষ করলে দেখা যাবে, করোনা লক্ষণ দেখা দিবে ১৪ দিন পর। নমুনা সংগ্রহ, টেস্ট করতে লাগবে ৭ দিন। সুতরাং ১ মাস পর দেখবেন দেশের অবস্থান কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।’

‘এক মাস যেহেতু ধৈর্য ধরতে পেরেছি, আর এক মাসে কী এমন অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে। দেশের নাগরিকদের জীবনের চেয়ে অর্থনৈতিক মূল্য এতটাই বেশি! দয়া করে করোনা সংক্রমণ শূন্যে না নামা পর্যন্ত কোনো কিছু চালু করবেন না। সরকার এই সহজ হিসেবটা কেন বোঝে না।’

এদিকে ‘দেশে করোনায় আক্রান্ত ৩৮ দিনে এক হাজার, বাকি ২০ দিনে নয় হাজার। এই পরিস্থিতিতে মার্কেট খোলা কতটুকু যৌক্তিক?’ এমন প্রশ্নও করেছেন কেউ কেউ। তাদের মতে, ‘মার্কেট খোলা ভুল সিদ্ধান্ত। সামনে আসছে ভয়াবহ পরিস্থিতি।’

এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে দেশে মার্কেট, শপিং কমপ্লেক্স, মসজিদ খুলে দেওয়ায় একটা উৎসব শুরু হয়েছে উল্লেখ করে আসিফ জামিল শাহেদ নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘জেনে শুনে জনগণকে নিশ্চিত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে না তো? দেশে মার্কেট, শপিং কমপ্লেক্স, মসজিদ খুলে দিয়ে যেন একটা উৎসব শুরু হয়েছে। করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজারের উপর যে দেশে যাচ্ছে, সেই দেশ সাথে সাথে জরুরি অবস্থা জারি করে দিচ্ছে। আমেরিকা প্রথমে খুব হালকা ভাবে নিয়েছিল এটা। চীনের করোনা আমেরিকাতে আসতে পারবে না। ইচ্ছামতো সব কিছু খোলা রেখেছিল। আজকে তাদের মৃত্যু সংখ্যা প্রায় ৭৩ হাজার এর কাছাকাছি আর আক্রান্ত সংখ্যা সাড়ে ১২ লাখ এর মতো। শুধুমাত্র একটু অবহেলার কারণে উন্নত চিকিৎসার সব কিছু থাকার পরও তাদের অবস্থা আজকে এত খারাপের দিকে।’

‘ঠিক কাছকাছি সময়ে মালয়েশিয়া আক্রান্ত হয়েছিল। সরকার তাদের জীবন দিয়ে যত ক্ষতিই হোক না কেন, এই মহামারি থেকে জনগণকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছে। দেশে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান ছিল না যেটা তারা বন্ধ করেনি। এখন অনেক ভালো অবস্থানে মালয়েশিয়া। এতদিনেও মোট আক্রান্ত সাড়ে ছয় হাজার পার করেনি দেশটি। আর মোট মৃত্যু ১০৭ জন মাত্র। এখন এই মৃত্যু ও আক্রান্তের হার অনেক কম, তারপরও তারা বড় বড় শপিংমল, মসজিদ খোলার সাহস পায়নি। আমাদের দেশে এমন কী আছে যেটা দিয়ে আমরা এই মহামারি রুখতে পারবো? যাও লকডাউন দিয়ে একটু রক্ষা হচ্ছিলো তাও উঠিয় দেওয়া হচ্ছে।’

মো. আলী নেওয়াজ নামে একজন লিখেছেন, ‘লকডাউন, কিন্তু ঈদের মার্কেট খোলা। ঈদের মার্কেটে মানুষ কি হেঁটে যাবে না গাড়িতে যাবে? জামা কাপড় কি হাতে ধরাধরি করে কিনবে নাকি দূর থেকে দেখে কিনে ফেলবে? ঈদের জামা কাপড় বড় না করোনা থেকে দেশ বাঁচানো বড়?! রেস্টুরেন্ট খোলা, গার্মেন্টসও খোলা, কিন্তু আবার লকডাউন। কি জানি কি! সবকিছুই এলোমেলো।’

এছাড়া মার্কেট খোলা রেখে গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা খুঁজে পাননি নেটিজন নাজিম সরকার। একইসাথে লকডাউনের মধ্যেও সকলের ছন্নছাড়া ভাবের জন্য দেশের জনগণের প্রতিও তার ক্ষোভ লক্ষ করা গেছে। লিখেছেন মহাসড়কে বিস্তর যান চলাচল নিয়েও।

নাজিম সরকার লেখেন, ‘মার্কেট খোলা, গাড়ি চলাচল বন্ধ…। গ্রাম থেকে জেলা শহরে কি হেঁটে হেঁটে শপিং করতে আসবে মানুষ…? অপরদিকে দুই মাসে করোনায় মারা গেছে ১৮২ জন। কিন্তু গতমাসে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে ২৫৭ জন। মানুষ নাই, গাড়ি নাই। তবু দুর্ঘটনা বন্ধ হয় নাই। মনে হচ্ছে- কেয়ামতের দিন সকালে এবং পুলসিরাতের ব্রিজেও বাঙালি এক্সিডেন্ট করে মারা যাবে। ঈদের নামাজ না পড়লেও চলবে। কিন্তু নতুন পায়জামা না পড়লে, বাঙালির ঈদ হবে না। তাই ঈদের জামায়াত ও তারাবির জামায়াত বাদ দিয়ে পায়জামা ও জিলাপির জন্য লাইন ধরবে সবাই।’

তবে এতকিছুর মধ্যেও নিজেদের সাবধনতা নিয়েও কথা বলছেন অনেকেই। সচেতন করছেন অন্যদেরও। এ বিষয়ে হালিমা তুজ স্নিগ্ধা নামে একজন লিখেছেন, ‘ফেসবুকে বাংলাদেশ বর্তমানে ২ পক্ষে বিভক্ত হয়েছে। একটি মার্কেট খোলা নিয়ে দ্বিমত পোষণ করছে। অপরটি মার্কেট খোলাকে সমর্থন করছেন। আপনি উভয়পক্ষকেই এড়িয়ে চলুন। নিজের জায়গা থেকে নিজে সচেতন হোন। যেটি আপনার এবং সবার জন্য ভালো হবে সেটিই করুন। আপনার জীবন বাঁচানোর দায়িত্ব আপনার নিজেরই।’

আগামী ১০ মে থেকে শর্ত সাপেক্ষে দোকানপাট ও শপিংমল বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে সরকার।