আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
ফটিকছড়ির পাইন্দংয়ে ৪ বছর বয়সী শিশু দিহানকে নির্মমভাবে খুন করেন তার অাপন চাচী রেশমি অাক্তার (২৫)। ঘটনার পর সন্দেহজনক ভাবে চাচিকে আটক করা হলে রাতেই পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি। শুধুমাত্র পারিবারিক কলহের জের ধরে তাকে নিজ হাতে খুন করেন বলেও পুলিশের কাছে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেন রেশমা আক্তার।
রোববার দুপুরে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হাজী আবুল হোসেনের বাড়িতে এই হত্যাকান্ড ঘটে। খুন হওয়া শিশু আবদুল্লাহ আল দিহান প্রবাসী দিদারুল আলমের ছেলে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দিহানকে ঘরে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘণ্টাখানেক খোঁজাখুঁজির পর শিশুটির লাশ বাড়ির পেছনে পরিত্যক্ত একটি ঘরে লাকড়ির স্তুপের মাঝে পাওয়া যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
পুলিশকে দেয়া স্বীকারোক্তিতে রেশমা আক্তার বলেন, তিনি নিজ হাতে ছুরি দিয়ে মাসুম বাচ্চাটির পেঠ, তলপেঠ এবং গালসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ১৬ টি আঘাত করে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর সব রক্ত তিনি নিজ হাতে পানি দিয়ে পরিষ্কার করে বাচ্চাটিকে লাকড়ীর ঘরে রেখে দিয়ে ওই স্থান থেকে দ্রুত সটকে পরে।
এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ বাবুল আকতার বলেন, ‘এ ঘটনা খুবই অমানবিক। ঘটনায় নিহত শিশুর মা জনি আক্তার বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে জড়িত চাচি রেশমা আক্তারকে (২৫) গ্রেফতার করা হয়। চাচীর স্বীকারোক্তিতে হত্যাকান্ডে ব্যবহ্নত ছুরি টি উদ্ধার করা হয়েছে। একটি সবজি কাটার ছুরি দিয়ে খুন করা হয় দিহানকে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 























