ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

করোনা মোকাবেলায় ফান্ড গঠনের প্রস্তাব পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংকট মোকাবেলায় একটি ফান্ড গঠন করতে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোকে প্রস্তাব দিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। একই সঙ্গে এ সঙ্কটের সময়ে অভিবাসী শ্রমিকদের চাকরিচ্যুত না করতেও অনুরোধ জানান।

বুধবার ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) নির্বাহী কমিটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বিশেষ এক বৈঠকে তিনি এই অনুরোধ করেন।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে কর্মপন্থা নির্ধারণ ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এ বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ, তুরস্ক, সৌদি আরব, গাম্বিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং নাইজার- এই ছয়টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে ওআইসির বর্তমান নির্বাহী কমিটি গঠিত। এই ছয়টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা উপযুক্ত প্রতিনিধি এবং ওআইসি মহাসচিব অংশগ্রহণ করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। স্বাগত বক্তব্যে ড. এ কে আবদুল মোমেন চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং সরঞ্জামাদি নিয়ে যেসব গবেষণাপ্রতিষ্ঠান কাজ করে তাদেরকে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একত্রিত করে এই মুহূর্তে অতি প্রয়োজনীয় জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জামাদি তৈরি করতে আহ্বান জানান।

শ্রমিকদের চাকরিচ্যুত না করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য এবং ওআইসিভুক্ত দেশে যেসব মুসলিম শ্রমিক কাজ করে তাদের চাকরি বজায় রাখার অনুরোধ করছি; যাতে করে বেকারত্বের কারণে সৃষ্ট ক্ষতি কমানো ও সামাজিক সমতা বজায় রাখা যায়। সদস্য রাষ্ট্রসমূহের স্বেচ্ছায় অনুদান প্রদানের মাধ্যমে একটি ‘কোভিড-১৯ রেসপন্স অ্যান্ড রিকোভারি ফান্ড’ গঠনে প্রস্তাব করেন মন্ত্রী। বৈঠকে এই মহামারীর প্রকট না কমা পর্যন্ত মুসলিম অভিবাসীদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান এবং তাদের চাকরি রক্ষার ব্যবস্থা করার জন্য মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে নিয়ে কাজ করতে ওআইসি সচিবালয়কে পরামর্শ দেয় বাংলাদেশ।

এছাড়া দরকারি সম্পদ বণ্টনের মাধ্যমে এই মহামারীর সময়ে বিশ্বব্যাপী যেসব মুসলিম শরণার্থী রয়েছে- তাদের দেখভালের বিষয়টি নিশ্চয়তার জন্য সদস্য দেশগুলোর সমন্বিত প্রয়াসের ওপর জোর দেয় বাংলাদেশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

আজকেরটাই সম্ভবত শেষ ব্রিফিং: শফিকুল আলম

করোনা মোকাবেলায় ফান্ড গঠনের প্রস্তাব পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৯:৩৯:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংকট মোকাবেলায় একটি ফান্ড গঠন করতে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোকে প্রস্তাব দিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। একই সঙ্গে এ সঙ্কটের সময়ে অভিবাসী শ্রমিকদের চাকরিচ্যুত না করতেও অনুরোধ জানান।

বুধবার ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) নির্বাহী কমিটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বিশেষ এক বৈঠকে তিনি এই অনুরোধ করেন।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে কর্মপন্থা নির্ধারণ ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এ বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ, তুরস্ক, সৌদি আরব, গাম্বিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং নাইজার- এই ছয়টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে ওআইসির বর্তমান নির্বাহী কমিটি গঠিত। এই ছয়টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা উপযুক্ত প্রতিনিধি এবং ওআইসি মহাসচিব অংশগ্রহণ করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। স্বাগত বক্তব্যে ড. এ কে আবদুল মোমেন চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং সরঞ্জামাদি নিয়ে যেসব গবেষণাপ্রতিষ্ঠান কাজ করে তাদেরকে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একত্রিত করে এই মুহূর্তে অতি প্রয়োজনীয় জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জামাদি তৈরি করতে আহ্বান জানান।

শ্রমিকদের চাকরিচ্যুত না করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য এবং ওআইসিভুক্ত দেশে যেসব মুসলিম শ্রমিক কাজ করে তাদের চাকরি বজায় রাখার অনুরোধ করছি; যাতে করে বেকারত্বের কারণে সৃষ্ট ক্ষতি কমানো ও সামাজিক সমতা বজায় রাখা যায়। সদস্য রাষ্ট্রসমূহের স্বেচ্ছায় অনুদান প্রদানের মাধ্যমে একটি ‘কোভিড-১৯ রেসপন্স অ্যান্ড রিকোভারি ফান্ড’ গঠনে প্রস্তাব করেন মন্ত্রী। বৈঠকে এই মহামারীর প্রকট না কমা পর্যন্ত মুসলিম অভিবাসীদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান এবং তাদের চাকরি রক্ষার ব্যবস্থা করার জন্য মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে নিয়ে কাজ করতে ওআইসি সচিবালয়কে পরামর্শ দেয় বাংলাদেশ।

এছাড়া দরকারি সম্পদ বণ্টনের মাধ্যমে এই মহামারীর সময়ে বিশ্বব্যাপী যেসব মুসলিম শরণার্থী রয়েছে- তাদের দেখভালের বিষয়টি নিশ্চয়তার জন্য সদস্য দেশগুলোর সমন্বিত প্রয়াসের ওপর জোর দেয় বাংলাদেশ।