ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা

ত্রাণ চুরির প্রমাণ পেলেই গ্রেফতার: দুদক চেয়ারম্যান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, সরকারি ত্রাণের চাল চুরির প্রমাণ পাওয়া গেলেই জড়িতদের গ্রেফতার করা হবে। এ লক্ষ্যে দেশব্যাপী দুদকের গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ত্রাণসহ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে কোনো প্রকার অনিয়ম-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না।

বুধবার দুদকের গোয়েন্দা শাখা থেকে সরকারি সহায়তার ও অভিযানের সর্বশেষ অগ্রগতি প্রতিবেদন অবহিত করার পর দুদক চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্টদের এসব কথা বলেন। দুদকের পরিচালক জনসংযোগ শাখা থেকে দৈনিক আকাশকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

দুদক কর্মকর্তাদের কর্মস্পৃহাকে স্বাগত জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে অনিয়ম-দুর্নীতি বিষয়ে দুদক যেসব মামলা করেছে সেগুলোর দ্রুত তদন্ত শেষ করতে হবে। দুদকের গোয়েন্দা শাখা, সব সমন্বিত জেলা কার্যালয় এবং সব বিভাগীয় কার্যালয় ত্রাণ কার্যক্রমের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এ কার্যক্রমের প্রতি নিবিড় দৃষ্টি রাখবে। যাকেই ত্রাণ আত্মসাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত পাওয়া যাবে, তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। ত্রাণ আত্মসাতকারীদের প্রচলিত আইনে এমন শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ ত্রাণ আত্মসাতের সাহস না পায়।

দুদকের জনংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানান, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ত্রাণসহ অন্যান্য সরকারি সুবিধা আত্মসাতের অভিযোগে গত ১০ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত ৭টি মামলা করা হয়েছে।

এর আগে ১০ এপ্রিল দুদক এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, ত্রাণসহ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচির কার্যক্রম নজরদারি করছে প্রতিষ্ঠানটি। পরদিন ১২ এপ্রিল বগুড়ায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে সমন্বিত জেলা কার্যালয়, বগুড়ায় প্রথম মামলা করে দুদক। এরপরে পর্যায়ক্রমে মানিকগঞ্জে দুটি, বরগুনা, বরিশাল ও ঢাকায় একটি করে মামলা করে দুদক। গত মঙ্গলবার সর্বশেষ মামলা করা হয় নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার এক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চট্টগ্রামের মুরাদপুরে নতুন আঞ্চলিক কার্যালয় খুলল শান্তা লাইফ ইনস্যুরেন্স

ত্রাণ চুরির প্রমাণ পেলেই গ্রেফতার: দুদক চেয়ারম্যান

আপডেট সময় ০৮:৩৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, সরকারি ত্রাণের চাল চুরির প্রমাণ পাওয়া গেলেই জড়িতদের গ্রেফতার করা হবে। এ লক্ষ্যে দেশব্যাপী দুদকের গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ত্রাণসহ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে কোনো প্রকার অনিয়ম-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না।

বুধবার দুদকের গোয়েন্দা শাখা থেকে সরকারি সহায়তার ও অভিযানের সর্বশেষ অগ্রগতি প্রতিবেদন অবহিত করার পর দুদক চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্টদের এসব কথা বলেন। দুদকের পরিচালক জনসংযোগ শাখা থেকে দৈনিক আকাশকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

দুদক কর্মকর্তাদের কর্মস্পৃহাকে স্বাগত জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে অনিয়ম-দুর্নীতি বিষয়ে দুদক যেসব মামলা করেছে সেগুলোর দ্রুত তদন্ত শেষ করতে হবে। দুদকের গোয়েন্দা শাখা, সব সমন্বিত জেলা কার্যালয় এবং সব বিভাগীয় কার্যালয় ত্রাণ কার্যক্রমের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এ কার্যক্রমের প্রতি নিবিড় দৃষ্টি রাখবে। যাকেই ত্রাণ আত্মসাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত পাওয়া যাবে, তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। ত্রাণ আত্মসাতকারীদের প্রচলিত আইনে এমন শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ ত্রাণ আত্মসাতের সাহস না পায়।

দুদকের জনংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানান, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ত্রাণসহ অন্যান্য সরকারি সুবিধা আত্মসাতের অভিযোগে গত ১০ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত ৭টি মামলা করা হয়েছে।

এর আগে ১০ এপ্রিল দুদক এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, ত্রাণসহ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচির কার্যক্রম নজরদারি করছে প্রতিষ্ঠানটি। পরদিন ১২ এপ্রিল বগুড়ায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে সমন্বিত জেলা কার্যালয়, বগুড়ায় প্রথম মামলা করে দুদক। এরপরে পর্যায়ক্রমে মানিকগঞ্জে দুটি, বরগুনা, বরিশাল ও ঢাকায় একটি করে মামলা করে দুদক। গত মঙ্গলবার সর্বশেষ মামলা করা হয় নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার এক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।