ঢাকা ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

সন্ত্রাসীদের মতোই পাকিস্তানের ক্ষতি করেছে ফিক্সাররা: আব্বাস

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

উইকেটে প্রতিপক্ষ বোলারদের জন্য আতঙ্ক ছিলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান জহির আব্বাস। ক্রিজে নেমেই ব্যাটে ছোটাতেন স্ট্রোকের ফুলঝুরি। ঠিক সেভাবেই ফিক্সিংয়ে জড়িত ক্রিকেটারদের একহাত নিলেন তিনি। এবার অবশ্য মুখে।

পাকিস্তান ক্রিকেটে বহুল আলোচিত ঘটনা ২০০৯ সালে লাহোরে টিম শ্রীলংকার ওপর সন্ত্রাসী হামলা। এরপর দেশটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি সেটা ফিরলেও পুরোপুরি নয়।

এতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে পাক ক্রিকেটের। তেমনিভাবে ক্ষতি করেছে ম্যাচ গড়াপেটায় যুক্ত ক্রিকেটাররা। পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের রন্ধ্রে রন্ধ্রে যেন মিশে রয়েছে ফিক্সিং। যুগে যুগে যা কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে মেন ইন গ্রিনদের ক্রিকেট।

হালে আমির-আসিফ-বাট, ’৯০ দশকে ইজাজ-মালিকের ফিক্সিং কেলেঙ্কারির অন্যতম উদাহরণ। তাদের আবার কেউ কেউ সদর্পে ফিরেছেন জাতীয় দলে।

সবকিছু আমলে নিয়ে জহির বলছেন, অতীতে ম্যাচ পাতানো ক্রিকেটারদের সঙ্গে সহনশীলন আচরণ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তবে এখন অবস্থান পাল্টাচ্ছে। ফিক্সিংকে ফৌজদারি অপরাধের আওতায় নিয়ে আসতে সরকারের কাছে আবেদন করেছে তারা। এর প্রশংসা করতেই হবে।

তিনি মনে করেন, লংকান বাসে হামলার মতো ঘৃণিত অপরাধের জন্য আমাদের দেশের বাইরে খেলতে হয়। দুর্নীতি কেলেঙ্কারিও বছরের পর বছর আমাদের ক্রিকেটের ক্ষতি করেছে। সেটা নেহাতই কম নয়।

ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ারে দুর্নীতি সবচেয়ে ক্ষতিকর বলে বিশ্বাস করেন এশিয়ার ব্র্যাডম্যান।

তিনি বলেন, সার্বিক বিচারে ক্ষতিটা পাকিস্তানেরই। আমরা ইতিমধ্যে ভালো কিছু ক্রিকেটার হারিয়েছি। আমার মতে, কাউকে ছাড় দেয়া উচিত নয়। এতে ভুল বার্তা পায় উদীয়মান ও খেলতে থাকা ক্রিকেটাররা। দুর্নীতি একজন ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দিতে পারে। এর চেয়ে বড় হাতিয়ার আর নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদিতে হামলার প্রভাবে ৫১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে হাজারো যাত্রী

সন্ত্রাসীদের মতোই পাকিস্তানের ক্ষতি করেছে ফিক্সাররা: আব্বাস

আপডেট সময় ০৫:৫২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

উইকেটে প্রতিপক্ষ বোলারদের জন্য আতঙ্ক ছিলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান জহির আব্বাস। ক্রিজে নেমেই ব্যাটে ছোটাতেন স্ট্রোকের ফুলঝুরি। ঠিক সেভাবেই ফিক্সিংয়ে জড়িত ক্রিকেটারদের একহাত নিলেন তিনি। এবার অবশ্য মুখে।

পাকিস্তান ক্রিকেটে বহুল আলোচিত ঘটনা ২০০৯ সালে লাহোরে টিম শ্রীলংকার ওপর সন্ত্রাসী হামলা। এরপর দেশটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি সেটা ফিরলেও পুরোপুরি নয়।

এতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে পাক ক্রিকেটের। তেমনিভাবে ক্ষতি করেছে ম্যাচ গড়াপেটায় যুক্ত ক্রিকেটাররা। পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের রন্ধ্রে রন্ধ্রে যেন মিশে রয়েছে ফিক্সিং। যুগে যুগে যা কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে মেন ইন গ্রিনদের ক্রিকেট।

হালে আমির-আসিফ-বাট, ’৯০ দশকে ইজাজ-মালিকের ফিক্সিং কেলেঙ্কারির অন্যতম উদাহরণ। তাদের আবার কেউ কেউ সদর্পে ফিরেছেন জাতীয় দলে।

সবকিছু আমলে নিয়ে জহির বলছেন, অতীতে ম্যাচ পাতানো ক্রিকেটারদের সঙ্গে সহনশীলন আচরণ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তবে এখন অবস্থান পাল্টাচ্ছে। ফিক্সিংকে ফৌজদারি অপরাধের আওতায় নিয়ে আসতে সরকারের কাছে আবেদন করেছে তারা। এর প্রশংসা করতেই হবে।

তিনি মনে করেন, লংকান বাসে হামলার মতো ঘৃণিত অপরাধের জন্য আমাদের দেশের বাইরে খেলতে হয়। দুর্নীতি কেলেঙ্কারিও বছরের পর বছর আমাদের ক্রিকেটের ক্ষতি করেছে। সেটা নেহাতই কম নয়।

ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ারে দুর্নীতি সবচেয়ে ক্ষতিকর বলে বিশ্বাস করেন এশিয়ার ব্র্যাডম্যান।

তিনি বলেন, সার্বিক বিচারে ক্ষতিটা পাকিস্তানেরই। আমরা ইতিমধ্যে ভালো কিছু ক্রিকেটার হারিয়েছি। আমার মতে, কাউকে ছাড় দেয়া উচিত নয়। এতে ভুল বার্তা পায় উদীয়মান ও খেলতে থাকা ক্রিকেটাররা। দুর্নীতি একজন ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দিতে পারে। এর চেয়ে বড় হাতিয়ার আর নেই।