ঢাকা ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

আমরা খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার সকলের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করে যাচ্ছে। দেশে চলমান খাদ্য শৃঙ্খলের বিভিন্ন পর্যায়ে বিশেষ করে খাদ্য উৎপাদন থেকে প্রক্রিয়াকরণ পর্যন্ত প্রতিটি প্রক্রিয়ায় যথাযথ মান নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ‘বাংলাদেশ ফুড সেফটি কনফারেন্স ২০১৭’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে আজ একথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ প্রণয়ন করেছি। সার, বীজসহ সকল কৃষি উপকরণের মূল্যহ্রাস, কৃষকদের সহজশর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ সুবিধা প্রদান, ১০ টাকায় ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুযোগসহ তাদের নগদ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। আমাদের এসকল পদক্ষেপের ফলে আমরা খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি।

ইনভেস্টরস চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) এবং মেট্রোপলিটন চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই), বাংলাদেশ ফুড সেফটি অথরিটি (বিএফএসএ), খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউট (বিএসটিআই), শিল্প মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণীতে বলেন, ফসল উৎপাদনের শুরু থেকে ভোক্তা পর্যন্ত খাদ্য পৌঁছে দেয়ার প্রতিটি স্তরেই আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। পরিবর্তিত জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবিলা করে সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে কৃষি গবেষণার ওপর অধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর পরই কৃষিখাতের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। তার সরকার কৃষকের কল্যাণে পঁচিশ বিঘা পর্যন্ত জমির মালিকদের খাজনা মওকুফ করে দিয়েছিলেন। তিনি উন্নত পদ্ধতিতে চাষাবাদ, উন্নত বীজ, সেচ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ সরবরাহ করে কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে আমরা সক্ষম হব- এ আমার প্রত্যাশা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

আমরা খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:২১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার সকলের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করে যাচ্ছে। দেশে চলমান খাদ্য শৃঙ্খলের বিভিন্ন পর্যায়ে বিশেষ করে খাদ্য উৎপাদন থেকে প্রক্রিয়াকরণ পর্যন্ত প্রতিটি প্রক্রিয়ায় যথাযথ মান নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ‘বাংলাদেশ ফুড সেফটি কনফারেন্স ২০১৭’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে আজ একথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ প্রণয়ন করেছি। সার, বীজসহ সকল কৃষি উপকরণের মূল্যহ্রাস, কৃষকদের সহজশর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ সুবিধা প্রদান, ১০ টাকায় ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুযোগসহ তাদের নগদ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। আমাদের এসকল পদক্ষেপের ফলে আমরা খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি।

ইনভেস্টরস চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) এবং মেট্রোপলিটন চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই), বাংলাদেশ ফুড সেফটি অথরিটি (বিএফএসএ), খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউট (বিএসটিআই), শিল্প মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণীতে বলেন, ফসল উৎপাদনের শুরু থেকে ভোক্তা পর্যন্ত খাদ্য পৌঁছে দেয়ার প্রতিটি স্তরেই আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। পরিবর্তিত জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবিলা করে সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে কৃষি গবেষণার ওপর অধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর পরই কৃষিখাতের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। তার সরকার কৃষকের কল্যাণে পঁচিশ বিঘা পর্যন্ত জমির মালিকদের খাজনা মওকুফ করে দিয়েছিলেন। তিনি উন্নত পদ্ধতিতে চাষাবাদ, উন্নত বীজ, সেচ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ সরবরাহ করে কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে আমরা সক্ষম হব- এ আমার প্রত্যাশা।