ঢাকা ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি

মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি সাইদুর, সম্পাদক আজগর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি হয়েছেন সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আজগর নসকর। আর সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাইফুল আলম মানিক। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) মৎস্যজীবী লীগের প্রথম আনুষ্ঠানিক সম্মেলন শেষে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ১১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সভাপতি সাইদুর, সম্পাদক আজগর

এছাড়া, সহ-সভাপতি পদে পাঁচ জনের নাম ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এরমধ্যে একজন নারী রয়েছেন। এরা হলেন আবুল বাসার, আবদুল গফুর, মুহাম্মদ আলম, নূরে আলম রহু ও নাসরিন সুলতানা।

মৎস্যজীবী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আবদুল আলিম, টিপু সুলতান ও রফিকুল ইসলাম রফিক।

এর আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘শৃঙ্খলার অভাব রয়েছে। আমাদের প্রতিটি সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন হয়েছে শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে। কিন্তু এখানে মনে হচ্ছে এই সংগঠনে কর্মীর চেয়ে নেতা বেশি। সত্যিকার অর্থে মৎস্যজীবীদের প্রতিনিধি পেছনে পড়ে আছেন। ঢাকায় বসে যারা নেতৃত্ব করেন, তারা মঞ্চ দখল করে আছেন—এটা কিন্তু ঠিক নয়। এভাবে সংগঠন টিকবে না। সত্যিকারের যারা মৎস্যজীবী তারা প্রতিনিধিত্ব করতে না পারলে, এ ধরনের লীগ করার, এ ধরনের দোকান খোলার কোনও প্রয়োজন নেই। মৎস্যজীবী লীগে সত্যিকার অর্থে মৎস্যজীবীদের প্রতিনিধিত্বশীল নেতৃত্ব দরকার। কোনও চাঁদাবাজের দোকান আমরা খুলতে চাই না। মৎস্যজীবীদের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই, ঢাকায় বসে কার্ড বানিয়ে জায়গায় জায়গায় গিয়ে চাঁদাবাজি করবে, এমন নেতার দরকার নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘কাজেই এবার সবাইকে সাবধান থাকতে হবে। মাদক-সন্ত্রাস, জমি দখল ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতরা এ সংগঠনে থাকতে পারবে না। আমি স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই—মৎস্যজীবীর নামে যারা মৎস্যজীবীদের ওপর ক্ষমতার দাপট দেখাবে, তাদের আমরা নেতৃত্বে রাখবো না।’

এরপরই আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কার্যকরী তিনটি পদ সভাপতি, কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য প্রস্তাবনা আহ্বান করেন। সেখানে সভাপতি পদে পাঁচ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৩৮ জনের নাম প্রস্তাব আসে। এরপর প্রথম অধিবেশন শেষ করে দ্বিতীয় অধিবেশন শুরুর ঘোষণা দেন ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের নিজেদের মধ্য থেকে নেতৃত্ব নির্বাচনের আহ্বান জানান। কিন্তু তারা নিজেদের মধ্যে সমন্বয়ে ব্যর্থ হলে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার পরামর্শে মৎস্যজীবী লীগের নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করেন ওবায়দুল কাদের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিমান কার্গো নিরাপত্তা জোরদারে কঠোর ব্যবস্থার আহ্বান আইএটিএর

মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি সাইদুর, সম্পাদক আজগর

আপডেট সময় ০৩:২১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৯

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি হয়েছেন সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আজগর নসকর। আর সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাইফুল আলম মানিক। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) মৎস্যজীবী লীগের প্রথম আনুষ্ঠানিক সম্মেলন শেষে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ১১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সভাপতি সাইদুর, সম্পাদক আজগর

এছাড়া, সহ-সভাপতি পদে পাঁচ জনের নাম ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এরমধ্যে একজন নারী রয়েছেন। এরা হলেন আবুল বাসার, আবদুল গফুর, মুহাম্মদ আলম, নূরে আলম রহু ও নাসরিন সুলতানা।

মৎস্যজীবী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আবদুল আলিম, টিপু সুলতান ও রফিকুল ইসলাম রফিক।

এর আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘শৃঙ্খলার অভাব রয়েছে। আমাদের প্রতিটি সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন হয়েছে শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে। কিন্তু এখানে মনে হচ্ছে এই সংগঠনে কর্মীর চেয়ে নেতা বেশি। সত্যিকার অর্থে মৎস্যজীবীদের প্রতিনিধি পেছনে পড়ে আছেন। ঢাকায় বসে যারা নেতৃত্ব করেন, তারা মঞ্চ দখল করে আছেন—এটা কিন্তু ঠিক নয়। এভাবে সংগঠন টিকবে না। সত্যিকারের যারা মৎস্যজীবী তারা প্রতিনিধিত্ব করতে না পারলে, এ ধরনের লীগ করার, এ ধরনের দোকান খোলার কোনও প্রয়োজন নেই। মৎস্যজীবী লীগে সত্যিকার অর্থে মৎস্যজীবীদের প্রতিনিধিত্বশীল নেতৃত্ব দরকার। কোনও চাঁদাবাজের দোকান আমরা খুলতে চাই না। মৎস্যজীবীদের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই, ঢাকায় বসে কার্ড বানিয়ে জায়গায় জায়গায় গিয়ে চাঁদাবাজি করবে, এমন নেতার দরকার নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘কাজেই এবার সবাইকে সাবধান থাকতে হবে। মাদক-সন্ত্রাস, জমি দখল ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতরা এ সংগঠনে থাকতে পারবে না। আমি স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই—মৎস্যজীবীর নামে যারা মৎস্যজীবীদের ওপর ক্ষমতার দাপট দেখাবে, তাদের আমরা নেতৃত্বে রাখবো না।’

এরপরই আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কার্যকরী তিনটি পদ সভাপতি, কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য প্রস্তাবনা আহ্বান করেন। সেখানে সভাপতি পদে পাঁচ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৩৮ জনের নাম প্রস্তাব আসে। এরপর প্রথম অধিবেশন শেষ করে দ্বিতীয় অধিবেশন শুরুর ঘোষণা দেন ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের নিজেদের মধ্য থেকে নেতৃত্ব নির্বাচনের আহ্বান জানান। কিন্তু তারা নিজেদের মধ্যে সমন্বয়ে ব্যর্থ হলে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার পরামর্শে মৎস্যজীবী লীগের নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করেন ওবায়দুল কাদের।