ঢাকা ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

৪ নির্দেশনা দিয়ে করদাতাদের সতর্ক করল এনবিআর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কর নথি অডিটে পড়েছে বলে ভুয়া তথ্য দিয়ে করদাতাদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অপচেষ্টা চালাচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। এ ধরনের প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকতে করদাতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

সংস্থাটি জানিয়েছে, কর নথি অডিট সংক্রান্ত কোনো তথ্য কখনোই ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর থেকে জানানো হয় না এবং এ ধরনের বিষয়ে অর্থ লেনদেনেরও কোনো সুযোগ নেই।

রোববার (৫ জুলাই) এক সতর্কতামূলক বার্তায় এনবিআর জানায়, সম্প্রতি এক শ্রেণির প্রতারক চক্র করদাতাদের কর নথি (ফাইল) অডিটে পড়েছে বলে দাবি করে বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বর থেকে যোগাযোগ করছে। তারা অডিট থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আশ্বাস কিংবা আইনি জটিলতার ভয় দেখিয়ে অবৈধভাবে অর্থ দাবি করছে এবং অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

লিখিত নোটিশ ছাড়া কোনো যোগাযোগ নয়:

এনবিআর স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কর নথি অডিটের জন্য নির্বাচিত হলে তা শুধুমাত্র আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আনুষ্ঠানিক লিখিত নোটিশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট করদাতাকে জানানো হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী এ ধরনের বিষয়ে ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর বা অননুমোদিত মাধ্যমে যোগাযোগ করেন না।

আর্থিক লেনদেনে সতর্কতা:

সতর্কবার্তায় বলা হয়, কর সংক্রান্ত যে কোনো বকেয়া কর বা ফি কেবল সরকারি চালানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হয়। কোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে, কিংবা বিকাশ, রকেট, নগদসহ কোনো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা অথবা ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণের এখতিয়ার রাখেন না।

তথ্য যাচাই:

এনবিআর করদাতাদের পরামর্শ দিয়েছে, এ ধরনের কোনো সন্দেহজনক ফোনকল, খুদে বার্তা (এসএমএস) বা ই-মেইল পেলে বিভ্রান্ত না হয়ে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের উপ-কর কমিশনারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে।

আইনি ব্যবস্থা:

একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তি এনবিআরের কর্মকর্তা পরিচয়ে অর্থ দাবি করলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রতারকের ব্যবহৃত ফোন নম্বর সংরক্ষণ রাখারও পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বলেছে, করদাতাদের হয়রানিমুক্ত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সেবা নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। তাই কোনো অবস্থাতেই প্রতারকদের প্রলোভন বা ভয়ভীতির কাছে নতি স্বীকার করে কোনো আর্থিক লেনদেন না করার জন্য করদাতাদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

৪ নির্দেশনা দিয়ে করদাতাদের সতর্ক করল এনবিআর

আপডেট সময় ০১:১০:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কর নথি অডিটে পড়েছে বলে ভুয়া তথ্য দিয়ে করদাতাদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অপচেষ্টা চালাচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। এ ধরনের প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকতে করদাতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

সংস্থাটি জানিয়েছে, কর নথি অডিট সংক্রান্ত কোনো তথ্য কখনোই ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর থেকে জানানো হয় না এবং এ ধরনের বিষয়ে অর্থ লেনদেনেরও কোনো সুযোগ নেই।

রোববার (৫ জুলাই) এক সতর্কতামূলক বার্তায় এনবিআর জানায়, সম্প্রতি এক শ্রেণির প্রতারক চক্র করদাতাদের কর নথি (ফাইল) অডিটে পড়েছে বলে দাবি করে বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বর থেকে যোগাযোগ করছে। তারা অডিট থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আশ্বাস কিংবা আইনি জটিলতার ভয় দেখিয়ে অবৈধভাবে অর্থ দাবি করছে এবং অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

লিখিত নোটিশ ছাড়া কোনো যোগাযোগ নয়:

এনবিআর স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কর নথি অডিটের জন্য নির্বাচিত হলে তা শুধুমাত্র আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আনুষ্ঠানিক লিখিত নোটিশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট করদাতাকে জানানো হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী এ ধরনের বিষয়ে ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর বা অননুমোদিত মাধ্যমে যোগাযোগ করেন না।

আর্থিক লেনদেনে সতর্কতা:

সতর্কবার্তায় বলা হয়, কর সংক্রান্ত যে কোনো বকেয়া কর বা ফি কেবল সরকারি চালানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হয়। কোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে, কিংবা বিকাশ, রকেট, নগদসহ কোনো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা অথবা ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণের এখতিয়ার রাখেন না।

তথ্য যাচাই:

এনবিআর করদাতাদের পরামর্শ দিয়েছে, এ ধরনের কোনো সন্দেহজনক ফোনকল, খুদে বার্তা (এসএমএস) বা ই-মেইল পেলে বিভ্রান্ত না হয়ে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের উপ-কর কমিশনারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে।

আইনি ব্যবস্থা:

একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তি এনবিআরের কর্মকর্তা পরিচয়ে অর্থ দাবি করলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রতারকের ব্যবহৃত ফোন নম্বর সংরক্ষণ রাখারও পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বলেছে, করদাতাদের হয়রানিমুক্ত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সেবা নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। তাই কোনো অবস্থাতেই প্রতারকদের প্রলোভন বা ভয়ভীতির কাছে নতি স্বীকার করে কোনো আর্থিক লেনদেন না করার জন্য করদাতাদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।