ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভেবেছিলাম সবাই খামেনিকে ঘৃণা করে, কিন্তু এতো মানুষকে কাঁদতে দেখে অবাক হয়েছি’: ট্রাম্প কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে কর্মপরিকল্পনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর টেকসই স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি উদ্ভাবন এখন গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ : ঢাবি উপাচার্য এমডির অণ্ডকোষ চেপে চেক-স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর আদায়, সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল সশস্ত্র বাহিনী দেশ ও জনগণের গৌরবের প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক নাসির উদ্দিনকে প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নস্যাৎ করার সুযোগ ইসরাইলকে দেওয়া যাবে না: এরদোগান সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি ৪ নির্দেশনা দিয়ে করদাতাদের সতর্ক করল এনবিআর হামে মেয়ের মৃত্যু, ড. ইউনূসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

বাংলাদেশ ঝুঁকিতে থাকলেও হামলার কোনো আশঙ্কা নেই: মনিরুল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বৈশ্বিক ঝুঁকির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ঝুঁকিতে থাকলেও কোনো হামলার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, কোনো ধরনের হুমকি বা হামলার তথ্য এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে নেই। শনিবার নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান মনিরুল ইসলাম।

মনিরুল ইসলাম বলেন, নিউজিল্যান্ডে মসজিদে হামলার পর বাংলাদেশে জঙ্গি সংগঠনের মধ্যে একটি প্রতিশোধপরায়ণ প্রবণতা জেগে উঠেছে। আমাদের বিভিন্ন ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে কিছু তথ্য পেয়েছি। তবে হামলার জন্য যে পরিমাণ সরঞ্জামের প্রয়োজন সেগুলো জোগাড় করা অনেক সময়ের ব্যাপার।

তিনি বলেন, বিভিন্ন অভিযানে জঙ্গিদের সাংগঠনিক সক্ষমতা অনেকটা ভেঙে গেছে। শ্রীলংকায় ভয়াবহ সিরিজ বোমা হামলার পর তারা ইন্সপায়ার হয়েছে। তবে হামলার জন্য সাংগঠনিক কাঠামো, মনোবল ও সরঞ্জাম তাদের নেই।

শ্রীলংকা থেকে ঢাকায় ফেরা ১১ শ্রমিককে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে মনিরুল বলেন, দেশে ফিরে আসা শ্রমিকরা সেখানকার ইব্রাহিম ইনসাফ আহমেদের কলসাস মেটাল নামে একটি পিতলের কারখানায় কাজ করতেন। হামলার ঘটনায় ওই ফ্যাক্টরির মালিক নিহত হয়েছেন।

‌‌ওই ১১ জন মূলত টুরিস্ট ভিসায় সেখানে গিয়ে ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কাজ করছিলেন। অনেকের আবার ভিসার মেয়াদও ছিল না। শ্রীলংকার কর্তৃপক্ষ তাদের অ্যাম্বাসির মাধ্যমে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে।

শ্রমিকদের জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছি। যে সন্ত্রাসী মারা গেছে তার সম্পর্কে এবং তার আত্মীয়দের সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছি। এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদে তারা কিছুই জানাতে পারেনি।

তারা মালিককে দুই/চার বার দূর থেকে দেখেছে। তবে মালিকের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ করার কোনো সুযোগ হয়নি বলে তারা জানিয়েছেন।

মনিরুল বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা জেনেছি এই হামলা ও ফ্যাক্টরির মালিকের সঙ্গে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। তবে এখনও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কোনো সংশ্লিষ্টতা না পেলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ভেবেছিলাম সবাই খামেনিকে ঘৃণা করে, কিন্তু এতো মানুষকে কাঁদতে দেখে অবাক হয়েছি’: ট্রাম্প

বাংলাদেশ ঝুঁকিতে থাকলেও হামলার কোনো আশঙ্কা নেই: মনিরুল

আপডেট সময় ০৩:১৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৯

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বৈশ্বিক ঝুঁকির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ঝুঁকিতে থাকলেও কোনো হামলার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, কোনো ধরনের হুমকি বা হামলার তথ্য এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে নেই। শনিবার নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান মনিরুল ইসলাম।

মনিরুল ইসলাম বলেন, নিউজিল্যান্ডে মসজিদে হামলার পর বাংলাদেশে জঙ্গি সংগঠনের মধ্যে একটি প্রতিশোধপরায়ণ প্রবণতা জেগে উঠেছে। আমাদের বিভিন্ন ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে কিছু তথ্য পেয়েছি। তবে হামলার জন্য যে পরিমাণ সরঞ্জামের প্রয়োজন সেগুলো জোগাড় করা অনেক সময়ের ব্যাপার।

তিনি বলেন, বিভিন্ন অভিযানে জঙ্গিদের সাংগঠনিক সক্ষমতা অনেকটা ভেঙে গেছে। শ্রীলংকায় ভয়াবহ সিরিজ বোমা হামলার পর তারা ইন্সপায়ার হয়েছে। তবে হামলার জন্য সাংগঠনিক কাঠামো, মনোবল ও সরঞ্জাম তাদের নেই।

শ্রীলংকা থেকে ঢাকায় ফেরা ১১ শ্রমিককে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে মনিরুল বলেন, দেশে ফিরে আসা শ্রমিকরা সেখানকার ইব্রাহিম ইনসাফ আহমেদের কলসাস মেটাল নামে একটি পিতলের কারখানায় কাজ করতেন। হামলার ঘটনায় ওই ফ্যাক্টরির মালিক নিহত হয়েছেন।

‌‌ওই ১১ জন মূলত টুরিস্ট ভিসায় সেখানে গিয়ে ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কাজ করছিলেন। অনেকের আবার ভিসার মেয়াদও ছিল না। শ্রীলংকার কর্তৃপক্ষ তাদের অ্যাম্বাসির মাধ্যমে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে।

শ্রমিকদের জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছি। যে সন্ত্রাসী মারা গেছে তার সম্পর্কে এবং তার আত্মীয়দের সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছি। এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদে তারা কিছুই জানাতে পারেনি।

তারা মালিককে দুই/চার বার দূর থেকে দেখেছে। তবে মালিকের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ করার কোনো সুযোগ হয়নি বলে তারা জানিয়েছেন।

মনিরুল বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা জেনেছি এই হামলা ও ফ্যাক্টরির মালিকের সঙ্গে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। তবে এখনও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কোনো সংশ্লিষ্টতা না পেলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ নেই।