আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
ফেনী-৩ আসনে গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আকবর হোসেন বলেছেন, মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত প্রতিবাদী এক বাংলাদেশের নাম। নিষ্পাপ মেয়েটিকে নৃশংসভাবে খুন করেছে দুর্বৃত্তরা। এই হত্যাকাণ্ডটি ইতিহাসের বর্বরোচিত একটি ঘটনা।
তিনি বলেন, দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে নুসরাত হত্যাকাণ্ডের বিচার করতে হবে। নুসরাত হত্যাকাণ্ড নিয়ে রাজনীতি করার সুযোগ নেই। সব আসামিকে দ্রুত গ্রেফতারের মাধ্যমে দ্রুত বিচার আইনে শাস্তি দাবি করেন।
শুক্রবার বিকালে তিনি নুসরাতের বাড়িতে এসে তার পরিবারের সদস্যদেরকে সমবেদনা জানিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তিনি নির্বাচনকালীন সময়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে ভারতে চিকিৎসাধীন থাকায় কিছুটা বিলম্বে নুসরাতের বাড়িতে আসেন বলে জানান। পরে তিনি নুসরাতের বাবা, ভাই ও দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে নুসরাতের কবর জিয়ারত করেন।
মোনাজাত পরিচালনা করেন নুসরাতে বাবা মাওলানা একেএম মুসা মানিক। এ সময় সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. গিয়াস উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন সেন্টু, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম ভূঞা, পৌর যুবদলের সভাপতি সিরাজুল হক, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলম ভূঞাসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
গত ৬ এপ্রিল সকালে আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় যান নুসরাত জাহান রাফি। মাদ্রাসার এক ছাত্রী সহপাঠী নিশাতকে ছাদের ওপর কেউ মারধর করছে, এমন সংবাদ দিলে তিনি ওই ভবনের তিনতলায় যান। সেখানে মুখোশধারী বোরকা পরিহিত ৪-৫ জন তাকে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দৌলার বিরুদ্ধে মামলা ও অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেয়। তিনি অস্বীকৃতি জানালে গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। গত ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যান নুসরাত।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















