ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক পদক্ষেপ: চীন কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

শিশুর অ্যাজমায় যা জানবেন

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

শিশু অ্যাজমায় আক্রান্ত হলে ও দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকতে চাইলে কিছু বিষয় জানা জরুরি। প্রথমত, অধিকাংশ অভিভাবকের ধারণা শিশু বড় হলে বা সাঁতার কাটা শেখালে অ্যাজমা সেরে যাবে। তাই তারা বাচ্চার চিকিৎসা করান না।

ফলে অ্যাজমা ক্রমিক বা সারা জীবন ধরে ভুগতে হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রোগীর পরিবারিক ইতিহাস ও অন্যান্য লক্ষণ দেখে বলে দিতে পারেন এ রোগ সেরে যাবে কিনা।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১২ বছর বয়সের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ বাচ্চা একেবারে সেরে ওঠে। এক-তৃতীয়াংশ বাচ্চা আগের মতোই থাকে এবং বাকি এক-তৃতীয়াংশ বাচ্চা আগের তুলনায় বেশি অ্যাজমাতে ভোগে।

দ্বিতীয়ত অনেক অভিভাবক বাচ্চাকে ইনহেলার ব্যবহার করতে দিতে চান না, অনেকে মনে করেন এটাই শেষ চিকিৎসা, আবার অনেকে মনে করেন একবার ইনহেলার ব্যবহার করলে সারা জীবন নিতে হয়।

ইনহেলার সরাসরি কাজ করে ফলে কম ওষুধ লাগে ও অল্প সময়েই কাজ করে, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম। শিশুদের প্রেসারের মাধ্যমে ইনহেলার নিতে হয়।

তৃতীয়ত, অ্যাজমা যেহেতু অ্যালার্জিজনিত তাই অ্যালার্জি দ্রব্যাদি পরিহার করলে সুফল পাওয়া যায়। ঘর, বালিশ, চাদর, তোষক যেন পরিচ্ছন্ন থাকে।

চতুর্থত, অ্যালার্জি ভ্যাকসিন বা ডিসেনসিটাইজেশন। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেয়া হয়।

অধ্যাপক ডা. গোবিন্দ চন্দ্র দাস

অ্যালার্জি ও অ্যাজমা বিশেষজ্ঞ

দি অ্যালার্জি ও অ্যাজমা সেন্টার পান্থপথ, ঢাকা

মোবাইল- ০১৭২১৮৬৮৬০৬

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী

শিশুর অ্যাজমায় যা জানবেন

আপডেট সময় ১২:৫৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

শিশু অ্যাজমায় আক্রান্ত হলে ও দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকতে চাইলে কিছু বিষয় জানা জরুরি। প্রথমত, অধিকাংশ অভিভাবকের ধারণা শিশু বড় হলে বা সাঁতার কাটা শেখালে অ্যাজমা সেরে যাবে। তাই তারা বাচ্চার চিকিৎসা করান না।

ফলে অ্যাজমা ক্রমিক বা সারা জীবন ধরে ভুগতে হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রোগীর পরিবারিক ইতিহাস ও অন্যান্য লক্ষণ দেখে বলে দিতে পারেন এ রোগ সেরে যাবে কিনা।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১২ বছর বয়সের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ বাচ্চা একেবারে সেরে ওঠে। এক-তৃতীয়াংশ বাচ্চা আগের মতোই থাকে এবং বাকি এক-তৃতীয়াংশ বাচ্চা আগের তুলনায় বেশি অ্যাজমাতে ভোগে।

দ্বিতীয়ত অনেক অভিভাবক বাচ্চাকে ইনহেলার ব্যবহার করতে দিতে চান না, অনেকে মনে করেন এটাই শেষ চিকিৎসা, আবার অনেকে মনে করেন একবার ইনহেলার ব্যবহার করলে সারা জীবন নিতে হয়।

ইনহেলার সরাসরি কাজ করে ফলে কম ওষুধ লাগে ও অল্প সময়েই কাজ করে, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম। শিশুদের প্রেসারের মাধ্যমে ইনহেলার নিতে হয়।

তৃতীয়ত, অ্যাজমা যেহেতু অ্যালার্জিজনিত তাই অ্যালার্জি দ্রব্যাদি পরিহার করলে সুফল পাওয়া যায়। ঘর, বালিশ, চাদর, তোষক যেন পরিচ্ছন্ন থাকে।

চতুর্থত, অ্যালার্জি ভ্যাকসিন বা ডিসেনসিটাইজেশন। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেয়া হয়।

অধ্যাপক ডা. গোবিন্দ চন্দ্র দাস

অ্যালার্জি ও অ্যাজমা বিশেষজ্ঞ

দি অ্যালার্জি ও অ্যাজমা সেন্টার পান্থপথ, ঢাকা

মোবাইল- ০১৭২১৮৬৮৬০৬