ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভোটকেন্দ্র দখল-ভোট চুরির চেষ্টা করলে পরিণতি ফ্যাসিস্টদের মতোই হবে: নাহিদ ইসলাম ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুসহ ৯ প্রধান প্রতিশ্রুতি বিএনপির ইশতেহারে মুসলমানের জন্য জামায়াতকে ভোট দেওয়া হারাম : হেফাজত আমির ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পাওয়া যাবে হজের ভিসা জানাল সৌদি আরব দেশের স্বার্থ সবকিছুর ঊর্ধ্বে : সালাহউদ্দিন এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে ইমরানুর অপশক্তির কাছে দেশ, জাতি ও জনগণ নিরাপদ নয় : খোকন প্রয়োজনে লাশ হয়ে যাব, তবু পে স্কেল আদায় করেই ছাড়ব’:আন্দোলনকারীরা নতুন করে চোর-দুর্নীতিবাজদের জন্ম হতে দেব না,মেহেরবানী করে একবার সুযোগ দিন: জামায়াত আমির নৌ উপদেষ্টাকে লক্ষ্য করে বিক্ষোভ, ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান

‘অ্যাকশনের ভিডিও প্রচার করে ফায়দা হাসিল করতে পল্টনে হামলা’

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেছেন, রাজধানীর পল্টনে পুলিশের ওপর বিএনপির নেতাকর্মীদের হামলার উদ্দেশ্য ছিল অ্যাকশনের ভিডিও প্রচার করে রাজনৈতিক ফায়দা নেয়া।

মঙ্গলবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

মনিরুল ইসলাম বলেন, যারা এই হামলার পরিকল্পনা করেছে, তাদের উদ্দেশ্য ছিল পুলিশকে উসকানি দিয়ে অ্যাকশনে যেতে বাধ্য করা। যেন তারা নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশের অ্যাকশনের ও লাঠিচার্জের ভিডিও দেখিয়ে বিভিন্ন মহলে রাজনৈতিক ফায়দা নিতে পারে।

রাজধানীর পল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনার ভিডিও ও ছবি থেকে শনাক্ত করে ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল ইসলাম দাবি করেন, সোমবার রাজধানীর সূত্রাপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন- মো. এইচ কে হোসেন আলী, সোহাগ ভূঁইয়া, মো. আব্বাস আলী, মো. আশরাফুল ইসলাম রবিন, জাকির হোসেন উজ্জ্বল ও মাহবুবুল আলম।

মনিরুল ইসলাম আরো বলেন, ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আসামিদের মধ্যে হোসেন আলী হেলমেট পরে শার্ট খুলে পুলিশের গাড়ির ওপর উঠে লাফিয়েছিল, সোহাগ শার্ট খুলে লাঠি হাতে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে, আব্বাস আলী গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলা করেছে, আশরাফুল ইসলাম পুলিশের পিকআপ ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলা করেছে।

‘এ ছাড়াও উজ্জ্বল ও মাহবুবুল পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও সড়ক অবরোধ করেছে।’

তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানায়, বড় নেতারা তাদের হেলমেট পরে যেতে বলে যাতে নাশকতার সময় কেউ তাদের শনাক্ত করতে না পারে। এ ছাড়া সেখানে আগে থেকেই লাঠিসোটা রাখা ছিল।

উল্লেখ্য, দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহের মধ্যেই বুধবার ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যানসহ দুটি গাড়ি ভাঙচুর করে জ্বালিয়ে দেয়া হয়।

এর আগে বুধবার রাতেই বিস্ফোরক ও বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, বিশেষ আইনে এবং বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনে পল্টন থানায় মামলা তিনটি দায়ের করে পুলিশ।

২১ নম্বর মামলার বাদী হলেন, পল্টন থানার এসআই সোমেন কুমার বড়ুয়া, ২২ নম্বর মামলার বাদী এসআই আল আমিন এবং ২৩ নম্বর মামলার বাদী এসআই শাহীন বাদশা।

তিনটি মামলার এজহারে মোট ৪৮৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও সহস্রাধিক জনকে আসামি করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘অ্যাকশনের ভিডিও প্রচার করে ফায়দা হাসিল করতে পল্টনে হামলা’

আপডেট সময় ০৪:৫০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেছেন, রাজধানীর পল্টনে পুলিশের ওপর বিএনপির নেতাকর্মীদের হামলার উদ্দেশ্য ছিল অ্যাকশনের ভিডিও প্রচার করে রাজনৈতিক ফায়দা নেয়া।

মঙ্গলবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

মনিরুল ইসলাম বলেন, যারা এই হামলার পরিকল্পনা করেছে, তাদের উদ্দেশ্য ছিল পুলিশকে উসকানি দিয়ে অ্যাকশনে যেতে বাধ্য করা। যেন তারা নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশের অ্যাকশনের ও লাঠিচার্জের ভিডিও দেখিয়ে বিভিন্ন মহলে রাজনৈতিক ফায়দা নিতে পারে।

রাজধানীর পল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনার ভিডিও ও ছবি থেকে শনাক্ত করে ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল ইসলাম দাবি করেন, সোমবার রাজধানীর সূত্রাপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন- মো. এইচ কে হোসেন আলী, সোহাগ ভূঁইয়া, মো. আব্বাস আলী, মো. আশরাফুল ইসলাম রবিন, জাকির হোসেন উজ্জ্বল ও মাহবুবুল আলম।

মনিরুল ইসলাম আরো বলেন, ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আসামিদের মধ্যে হোসেন আলী হেলমেট পরে শার্ট খুলে পুলিশের গাড়ির ওপর উঠে লাফিয়েছিল, সোহাগ শার্ট খুলে লাঠি হাতে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে, আব্বাস আলী গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলা করেছে, আশরাফুল ইসলাম পুলিশের পিকআপ ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলা করেছে।

‘এ ছাড়াও উজ্জ্বল ও মাহবুবুল পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও সড়ক অবরোধ করেছে।’

তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানায়, বড় নেতারা তাদের হেলমেট পরে যেতে বলে যাতে নাশকতার সময় কেউ তাদের শনাক্ত করতে না পারে। এ ছাড়া সেখানে আগে থেকেই লাঠিসোটা রাখা ছিল।

উল্লেখ্য, দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহের মধ্যেই বুধবার ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যানসহ দুটি গাড়ি ভাঙচুর করে জ্বালিয়ে দেয়া হয়।

এর আগে বুধবার রাতেই বিস্ফোরক ও বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, বিশেষ আইনে এবং বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনে পল্টন থানায় মামলা তিনটি দায়ের করে পুলিশ।

২১ নম্বর মামলার বাদী হলেন, পল্টন থানার এসআই সোমেন কুমার বড়ুয়া, ২২ নম্বর মামলার বাদী এসআই আল আমিন এবং ২৩ নম্বর মামলার বাদী এসআই শাহীন বাদশা।

তিনটি মামলার এজহারে মোট ৪৮৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও সহস্রাধিক জনকে আসামি করা হয়েছে।