ঢাকা ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

প্রয়োজনে লাশ হয়ে যাব, তবু পে স্কেল আদায় করেই ছাড়ব’:আন্দোলনকারীরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ না ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন যমুনার সামনে অবস্থান নেওয়া সরকারি কর্মচারীরা। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে জড়ো হয়ে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘সাদা কাপড় পরে এসেছি। প্রয়োজনে লাশ হয়ে যাব, তবু পে স্কেল আদায় করেই ছাড়বো।’ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সরকারি কর্মচারীরা যমুনার সামনে অবস্থান নেন।

নরসিংদী থেকে আসা এক সরকারি কর্মচারী বলেন, গত ৯ বছর ধরে তাদের বেতন একই জায়গায় আটকে রয়েছে। টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড না থাকায় জীবনযাপন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, টাইম স্কেল নেই, সিলেকশন গ্রেড নেই। অথচ বাজারে চাল, ডাল, তেলের দাম কোথায় গিয়ে ঠেকেছে? এই বেতনে সন্তান পড়াব, না বাসা ভাড়া দেব? কিছুই সম্ভব না। আমরা ভিক্ষা চাই না, আমাদের ন্যায্য পে স্কেল চাই।

মানিকগঞ্জ থেকে আসা সরকারি কর্মচারী রফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শুধু আশ্বাস শুনে তারা ক্লান্ত। এবার আর মৌখিক আশ্বাস নয়, লিখিত প্রজ্ঞাপন চান তারা। তার ভাষায়, বারবার আশ্বাস শুনে আমরা ক্লান্ত। আজ আর আশ্বাস নয়, লিখিত প্রজ্ঞাপন চাই।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার বৈষম্য দূর করার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে সবচেয়ে বড় বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা। অন্তর্বর্তী সরকার বৈষম্য দূর করার কথা বলেছিল। অথচ সবচেয়ে বড় বৈষম্যের শিকার হচ্ছি আমরা, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা। ৯ মাস ধরে শুধু সময় ক্ষেপণ করা হচ্ছে। এটা আমাদের সঙ্গে সরাসরি অবিচার।

আন্দোলনকারীদের বক্তব্যে উঠে আসে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির তীব্র চাপের চিত্র। তারা জানান, নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন না হলে বর্তমান বেতন কাঠামোয় পরিবার চালানো কার্যত অসম্ভব। অনেকেই ঋণ করে সংসার চালাচ্ছেন, ব্যাহত হচ্ছে সন্তানের পড়াশোনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউইয়র্কে বিশ্বনেতাদের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিলেন কাতারের আমীর

প্রয়োজনে লাশ হয়ে যাব, তবু পে স্কেল আদায় করেই ছাড়ব’:আন্দোলনকারীরা

আপডেট সময় ০২:০০:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ না ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন যমুনার সামনে অবস্থান নেওয়া সরকারি কর্মচারীরা। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে জড়ো হয়ে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘সাদা কাপড় পরে এসেছি। প্রয়োজনে লাশ হয়ে যাব, তবু পে স্কেল আদায় করেই ছাড়বো।’ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সরকারি কর্মচারীরা যমুনার সামনে অবস্থান নেন।

নরসিংদী থেকে আসা এক সরকারি কর্মচারী বলেন, গত ৯ বছর ধরে তাদের বেতন একই জায়গায় আটকে রয়েছে। টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড না থাকায় জীবনযাপন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, টাইম স্কেল নেই, সিলেকশন গ্রেড নেই। অথচ বাজারে চাল, ডাল, তেলের দাম কোথায় গিয়ে ঠেকেছে? এই বেতনে সন্তান পড়াব, না বাসা ভাড়া দেব? কিছুই সম্ভব না। আমরা ভিক্ষা চাই না, আমাদের ন্যায্য পে স্কেল চাই।

মানিকগঞ্জ থেকে আসা সরকারি কর্মচারী রফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শুধু আশ্বাস শুনে তারা ক্লান্ত। এবার আর মৌখিক আশ্বাস নয়, লিখিত প্রজ্ঞাপন চান তারা। তার ভাষায়, বারবার আশ্বাস শুনে আমরা ক্লান্ত। আজ আর আশ্বাস নয়, লিখিত প্রজ্ঞাপন চাই।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার বৈষম্য দূর করার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে সবচেয়ে বড় বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা। অন্তর্বর্তী সরকার বৈষম্য দূর করার কথা বলেছিল। অথচ সবচেয়ে বড় বৈষম্যের শিকার হচ্ছি আমরা, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা। ৯ মাস ধরে শুধু সময় ক্ষেপণ করা হচ্ছে। এটা আমাদের সঙ্গে সরাসরি অবিচার।

আন্দোলনকারীদের বক্তব্যে উঠে আসে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির তীব্র চাপের চিত্র। তারা জানান, নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন না হলে বর্তমান বেতন কাঠামোয় পরিবার চালানো কার্যত অসম্ভব। অনেকেই ঋণ করে সংসার চালাচ্ছেন, ব্যাহত হচ্ছে সন্তানের পড়াশোনা।