ঢাকা ০১:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতি উপজেলায় ৭ হাজার পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী ‘পূর্বের রূপে ফিরছে রাজশাহী কেন্দ্রীয় বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানা’:মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে পতন সিজারিয়ান সংস্কৃতি কমিয়ে স্বাভাবিক প্রসবে জোর দিচ্ছে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী গৌরনদীতে একযোগে আড়াইহাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চুক্তির কাছাকাছি ছিলাম, এমন সময় ইরান হঠাৎ জাহাজে হামলা করল: ট্রাম্প সরকার সবসময় দুর্গত মানুষের পাশে আছে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী একটি মহলের অতি লোভের কারণে ইসলাম বিজয়ী হয়নি: চরমোনাই পীর ২৫ বছরের আগে পদত্যাগ করলে পেনশন সুবিধা পাবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা

প্রয়োজনে লাশ হয়ে যাব, তবু পে স্কেল আদায় করেই ছাড়ব’:আন্দোলনকারীরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ না ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন যমুনার সামনে অবস্থান নেওয়া সরকারি কর্মচারীরা। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে জড়ো হয়ে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘সাদা কাপড় পরে এসেছি। প্রয়োজনে লাশ হয়ে যাব, তবু পে স্কেল আদায় করেই ছাড়বো।’ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সরকারি কর্মচারীরা যমুনার সামনে অবস্থান নেন।

নরসিংদী থেকে আসা এক সরকারি কর্মচারী বলেন, গত ৯ বছর ধরে তাদের বেতন একই জায়গায় আটকে রয়েছে। টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড না থাকায় জীবনযাপন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, টাইম স্কেল নেই, সিলেকশন গ্রেড নেই। অথচ বাজারে চাল, ডাল, তেলের দাম কোথায় গিয়ে ঠেকেছে? এই বেতনে সন্তান পড়াব, না বাসা ভাড়া দেব? কিছুই সম্ভব না। আমরা ভিক্ষা চাই না, আমাদের ন্যায্য পে স্কেল চাই।

মানিকগঞ্জ থেকে আসা সরকারি কর্মচারী রফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শুধু আশ্বাস শুনে তারা ক্লান্ত। এবার আর মৌখিক আশ্বাস নয়, লিখিত প্রজ্ঞাপন চান তারা। তার ভাষায়, বারবার আশ্বাস শুনে আমরা ক্লান্ত। আজ আর আশ্বাস নয়, লিখিত প্রজ্ঞাপন চাই।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার বৈষম্য দূর করার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে সবচেয়ে বড় বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা। অন্তর্বর্তী সরকার বৈষম্য দূর করার কথা বলেছিল। অথচ সবচেয়ে বড় বৈষম্যের শিকার হচ্ছি আমরা, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা। ৯ মাস ধরে শুধু সময় ক্ষেপণ করা হচ্ছে। এটা আমাদের সঙ্গে সরাসরি অবিচার।

আন্দোলনকারীদের বক্তব্যে উঠে আসে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির তীব্র চাপের চিত্র। তারা জানান, নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন না হলে বর্তমান বেতন কাঠামোয় পরিবার চালানো কার্যত অসম্ভব। অনেকেই ঋণ করে সংসার চালাচ্ছেন, ব্যাহত হচ্ছে সন্তানের পড়াশোনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতি উপজেলায় ৭ হাজার পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রয়োজনে লাশ হয়ে যাব, তবু পে স্কেল আদায় করেই ছাড়ব’:আন্দোলনকারীরা

আপডেট সময় ০২:০০:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ না ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন যমুনার সামনে অবস্থান নেওয়া সরকারি কর্মচারীরা। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে জড়ো হয়ে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘সাদা কাপড় পরে এসেছি। প্রয়োজনে লাশ হয়ে যাব, তবু পে স্কেল আদায় করেই ছাড়বো।’ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সরকারি কর্মচারীরা যমুনার সামনে অবস্থান নেন।

নরসিংদী থেকে আসা এক সরকারি কর্মচারী বলেন, গত ৯ বছর ধরে তাদের বেতন একই জায়গায় আটকে রয়েছে। টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড না থাকায় জীবনযাপন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, টাইম স্কেল নেই, সিলেকশন গ্রেড নেই। অথচ বাজারে চাল, ডাল, তেলের দাম কোথায় গিয়ে ঠেকেছে? এই বেতনে সন্তান পড়াব, না বাসা ভাড়া দেব? কিছুই সম্ভব না। আমরা ভিক্ষা চাই না, আমাদের ন্যায্য পে স্কেল চাই।

মানিকগঞ্জ থেকে আসা সরকারি কর্মচারী রফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শুধু আশ্বাস শুনে তারা ক্লান্ত। এবার আর মৌখিক আশ্বাস নয়, লিখিত প্রজ্ঞাপন চান তারা। তার ভাষায়, বারবার আশ্বাস শুনে আমরা ক্লান্ত। আজ আর আশ্বাস নয়, লিখিত প্রজ্ঞাপন চাই।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার বৈষম্য দূর করার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে সবচেয়ে বড় বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা। অন্তর্বর্তী সরকার বৈষম্য দূর করার কথা বলেছিল। অথচ সবচেয়ে বড় বৈষম্যের শিকার হচ্ছি আমরা, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা। ৯ মাস ধরে শুধু সময় ক্ষেপণ করা হচ্ছে। এটা আমাদের সঙ্গে সরাসরি অবিচার।

আন্দোলনকারীদের বক্তব্যে উঠে আসে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির তীব্র চাপের চিত্র। তারা জানান, নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন না হলে বর্তমান বেতন কাঠামোয় পরিবার চালানো কার্যত অসম্ভব। অনেকেই ঋণ করে সংসার চালাচ্ছেন, ব্যাহত হচ্ছে সন্তানের পড়াশোনা।