ঢাকা ০১:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না আয়ারল্যান্ডও ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু

ফের উত্তপ্ত হাবিপ্রবি, ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আন্দোলনে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)।

এবার ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হাওলাদারের কাছে বেতনবৈষম্যের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে লাঞ্ছিত ও হামলার শিকার হয়েছেন হাবিপ্রবির নতুন পদোন্নতিপ্রাপ্ত শিক্ষকরা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার থেকে সব ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করেছেন তারা।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার বলছেন, তারাই উল্টো তাকে অবরুদ্ধ করে রেখে সরকারি কাজে বাধা ও সিনিয়র শিক্ষকদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি এবং অসদাচরণ করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ফাতিহা ফারহানা, কৃষ্ণ চন্দ্র রায়, হাফিজ আল হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষক অভিযোগ করেন, গত ১১ অক্টোবর রিজেন্ট বোর্ডের সভায় তাদের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি করা হয়। কিন্তু পদোন্নতি দেয়া হলেও পদ অনুযায়ী বর্ধিত বেতন দেয়া হচ্ছিল না বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতি পাওয়া ৬১ শিক্ষককে।

এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে ও কারণ জানতে বুধবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হাওলাদারের কক্ষে প্রবেশ করেন ৬১ শিক্ষক। কথা চলাকালীন সিনিয়র শিক্ষকরা তাদের ধাক্কা দিয়ে কক্ষ থেকে বের করে দেন।

এর পর কতিপয় ছাত্র সিনিয়র শিক্ষকদের ইঙ্গিতে তাদের লাঞ্ছিত করে ও মারধর করেন।

এ ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা ও বর্ধিত বেতন না দেয়ায় শিক্ষকরা বৃহস্পতিবার থেকে সব প্রকার ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করার ঘোষণা দিয়েছেন।

এদিকে হাবিপ্রবির ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হাওলাদার জানান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের বেতন দেয়া হচ্ছে। কিন্তু শিক্ষকরা বুধবার তার কাছে এসে অযৌক্তিকভাবে চাপ প্রয়োগ করে। এ সময় তারা সরকারি কাজে বাধা দেয় এবং তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে।

খবর পেয়ে সিনিয়র শিক্ষকরা এলে তারা সিনিয়র শিক্ষকদেরও সঙ্গে অসদাচরণ ও ধাক্কাধাক্কি করে। একপর্যায়ে সিনিয়র শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্ররা তাকে এসে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর হামলার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের ওপর কে হামলা করেছে, তা তার জানা নেই। ছাত্ররা কীভাবে সেখানে এসেছে, তাও তার জানা নেই।

উল্লেখ্য, ছাত্রীদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগে দুই শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কার ও শাস্তির দাবিসহ ৬ দফা দাবিতে গত ৪ নভেম্বর থেকে প্রতিদিন ঘণ্টাব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছে দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানে শপিংমলে আগুন, ৫ জনের মৃত্যু

ফের উত্তপ্ত হাবিপ্রবি, ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন

আপডেট সময় ০১:০৯:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আন্দোলনে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)।

এবার ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হাওলাদারের কাছে বেতনবৈষম্যের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে লাঞ্ছিত ও হামলার শিকার হয়েছেন হাবিপ্রবির নতুন পদোন্নতিপ্রাপ্ত শিক্ষকরা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার থেকে সব ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করেছেন তারা।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার বলছেন, তারাই উল্টো তাকে অবরুদ্ধ করে রেখে সরকারি কাজে বাধা ও সিনিয়র শিক্ষকদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি এবং অসদাচরণ করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ফাতিহা ফারহানা, কৃষ্ণ চন্দ্র রায়, হাফিজ আল হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষক অভিযোগ করেন, গত ১১ অক্টোবর রিজেন্ট বোর্ডের সভায় তাদের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি করা হয়। কিন্তু পদোন্নতি দেয়া হলেও পদ অনুযায়ী বর্ধিত বেতন দেয়া হচ্ছিল না বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতি পাওয়া ৬১ শিক্ষককে।

এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে ও কারণ জানতে বুধবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হাওলাদারের কক্ষে প্রবেশ করেন ৬১ শিক্ষক। কথা চলাকালীন সিনিয়র শিক্ষকরা তাদের ধাক্কা দিয়ে কক্ষ থেকে বের করে দেন।

এর পর কতিপয় ছাত্র সিনিয়র শিক্ষকদের ইঙ্গিতে তাদের লাঞ্ছিত করে ও মারধর করেন।

এ ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা ও বর্ধিত বেতন না দেয়ায় শিক্ষকরা বৃহস্পতিবার থেকে সব প্রকার ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করার ঘোষণা দিয়েছেন।

এদিকে হাবিপ্রবির ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হাওলাদার জানান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের বেতন দেয়া হচ্ছে। কিন্তু শিক্ষকরা বুধবার তার কাছে এসে অযৌক্তিকভাবে চাপ প্রয়োগ করে। এ সময় তারা সরকারি কাজে বাধা দেয় এবং তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে।

খবর পেয়ে সিনিয়র শিক্ষকরা এলে তারা সিনিয়র শিক্ষকদেরও সঙ্গে অসদাচরণ ও ধাক্কাধাক্কি করে। একপর্যায়ে সিনিয়র শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্ররা তাকে এসে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর হামলার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের ওপর কে হামলা করেছে, তা তার জানা নেই। ছাত্ররা কীভাবে সেখানে এসেছে, তাও তার জানা নেই।

উল্লেখ্য, ছাত্রীদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগে দুই শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কার ও শাস্তির দাবিসহ ৬ দফা দাবিতে গত ৪ নভেম্বর থেকে প্রতিদিন ঘণ্টাব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছে দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম।