ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাদি হত্যা: ফয়সাল করিমের আরেক সহযোগী গ্রেফতার, ৬ দিনের রিমান্ড টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো : মামুনুল হক তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

টাকায় রূপান্তর হল ১০ হাজার টন গম

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাকায় রূপান্তর হল ১০ হাজার টন গম। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী, এ রূপান্তরের মূল্য প্রায় ৩১ কোটি টাকা। কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচিতে নগদ অর্থ দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে উচ্চ আদালতের নির্দেশে। সম্প্রতি চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট থেকে এ অর্থ ছাড় করা হয়েছে। একই সঙ্গে কাবিখায় গম সংগ্রহ উল্লিখিত পরিমাণ কমাতে বলা হয়েছে। তবে কাবিখা কর্মসূচির আওতায় কাজের বিনিময় অর্থ প্রদান এটি প্রথম। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান সম্প্রতি যুগান্তরকে বলেছেন, এ ধরনের কার্যক্রম মূলনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এটি অত্যন্ত নেতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। কাবিখার কার্যক্রম নতুন নয়। কিন্তু এ কর্মসূচির মূলনীতি লঙ্ঘন করে প্রাপ্ত সুবিধা টাকায় নেয়া আমি মনে করি একটি নেতিবাচক দৃষ্টান্ত।

এখানে জনপ্রতিনিধিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে বলে আমি মনে করি। তারা জনগণের কল্যাণে রাজনীতি করেন। কল্যাণের সঙ্গে উন্নয়ন সম্পর্কিত। এ ধরনের কার্যক্রমের আগে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও এমপিদের আরও খোলামেলা আলোচনা করে তা নির্ধারণ করা উচিত।

সূত্রমতে, চাঁদপুর সদর ও হাইমচরে ৬টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে মোট ১০ হাজার ৭৭০ টন গমকে টাকায় রূপান্তর করা হয়। প্রতিটন বাজারমূল্য ২৯ হাজার ৩৬৯ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। বরাদ্দকৃত প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে বৈশাখী, ইব্রাহিমপুর ও গৌক্ষুনদী আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে মাটি ভরাট ও সংস্কার কাজ। এছাড়া হাইমচরে কাশপুল, ইশানবালা ও মোল্লাকান্দি আশ্রয়ণ প্রকল্পেও নগদ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে বৈশাখী আশ্রয়ণ প্রকল্পে ৩ হাজার ৯৮৬ টন গমের বিপরীতে প্রায় ১১ কোটি ৭০ লাখ টাকা দেয়া হয়। অপর প্রকল্প ইব্রাহিমপুরে ২ হাজার ৮২৩ টন গমের বিপরীতে টাকা দেয়া হয় ৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা এবং গৌক্ষুনদী প্রকল্পের আওতায় ২ হাজার ৭৫ টন গমের বিপরীতে ৬ কোটি ৯ লাখ টাকা ছাড় করা হয়।

এদিকে হাইমচরের তিনটি প্রকল্পের মধ্যে কাশপুলে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা দেয়া হয় ৯২২ টন গমের বিপরীতে। এছাড়া ইশানবালা প্রকল্পে ৪৬৪ টন গমের বিপরীতে প্রায় ১৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা দেয়া হয় এবং মোল্লাকান্দি আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে ১৪ কোটি ৫১ লাখ টাকা দেয়া হয় ৫০১ টন গমের বিপরীতে।

টাকায় রূপান্তর প্রসঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়, চলতি অর্থবছরের বাজেটে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বরাদ্দ থেকে এ ব্যয় করতে হবে। পাশাপাশি খাদ্যশস্য ও অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেটে যথাযথ প্রতিফলন করতে হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, কাজের বিনিময়ে খাদ্যের পরিবর্তে নগদ অর্থ দেয়ার পক্ষে উচ্চ আদালতের নির্দেশ এটি প্রথম। রায়ের বিষয়টি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে জানানো হয়েছে। তিনি বিষয়টি পর্যালোচনা করে অর্থ বরাদ্দের নির্দেশ দিয়েছেন। কারণ আদালতের নির্দেশের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।

জানা গেছে, চাঁদপুর সদর উপজেলায় হরিণা ও গৌক্ষুনদী মৌজায় ভূমিহীনদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রাধিকার আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ চলছে। এর মধ্যে হরিণা উপজেলায় ২ হাজার মিটার ও গৌক্ষুনদীর ১ হাজার মিটার নদীর পাড় ঝুঁকিতে পড়ে নদীভাঙনের কারণে। নদীর পাড় ভাঙন রক্ষায় সেখানে বালির বস্তার মাধ্যমে ড্যাম্পিং করার প্রস্তাব উঠে আসে।

এই কাজের জন্য কাবিখা কর্মসূচির আওতায় গমের পরিবর্তে বাজারমূল্যে নগদ অর্থ দেয়ার প্রস্তাব করা হয়। গমের বিপরীতে এ টাকা চাওয়ার প্রস্তাবটি আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিচালকের মাধ্যমে পাঠানো হয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে। পরে এ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী সানুগ্রহ অনুমোদন করেন।

এরপর খাদ্যের বিনিময়ে নগদ অর্থ বরাদ্দ চেয়ে চিঠি দেয়া হয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে। সূত্র জানায়, অর্থ মন্ত্রণালয় প্রস্তাবটি পাওয়ার পর এ প্রসঙ্গে মত চেয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিবকে। তবে টাকা দেয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সচিব।

কিন্তু কাবিখার নীতিমালা খাদ্যের বিপরীতে টাকা দেয়ার নিয়ম না থাকায় প্রস্তাব ফেরত দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। জানা গেছে, অর্থ মন্ত্রণালয় খাদ্যের বিপরীতে টাকা ছাড় না করায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা চেয়ারম্যান এ ব্যাপারে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করেন (পিটিশন নং-১৩১৯/২০১৮)। পরে আদালত কাবিখার খাদ্যের বিপরীতে নগদ অর্থ বরাদ্দ দেয়ার পক্ষে রায় দেন। অর্থ মন্ত্রণালয় এ রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে আরেকটি সিভিল পিটিশন দায়ের করা হয় (পিটিশন নং-২৬৩২/২০১৮)। সর্বশেষ ১ আগস্ট সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ অর্থ মন্ত্রণালয়ের আপিল খারিজ করে রায় দিয়েছেন। পরে আদালতের রায়ের বিষয়টি অর্থ মন্ত্রণালয় পর্যালোচনা করে এ অর্থ ছাড় করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান

টাকায় রূপান্তর হল ১০ হাজার টন গম

আপডেট সময় ১০:৩২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাকায় রূপান্তর হল ১০ হাজার টন গম। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী, এ রূপান্তরের মূল্য প্রায় ৩১ কোটি টাকা। কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচিতে নগদ অর্থ দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে উচ্চ আদালতের নির্দেশে। সম্প্রতি চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট থেকে এ অর্থ ছাড় করা হয়েছে। একই সঙ্গে কাবিখায় গম সংগ্রহ উল্লিখিত পরিমাণ কমাতে বলা হয়েছে। তবে কাবিখা কর্মসূচির আওতায় কাজের বিনিময় অর্থ প্রদান এটি প্রথম। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান সম্প্রতি যুগান্তরকে বলেছেন, এ ধরনের কার্যক্রম মূলনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এটি অত্যন্ত নেতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। কাবিখার কার্যক্রম নতুন নয়। কিন্তু এ কর্মসূচির মূলনীতি লঙ্ঘন করে প্রাপ্ত সুবিধা টাকায় নেয়া আমি মনে করি একটি নেতিবাচক দৃষ্টান্ত।

এখানে জনপ্রতিনিধিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে বলে আমি মনে করি। তারা জনগণের কল্যাণে রাজনীতি করেন। কল্যাণের সঙ্গে উন্নয়ন সম্পর্কিত। এ ধরনের কার্যক্রমের আগে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও এমপিদের আরও খোলামেলা আলোচনা করে তা নির্ধারণ করা উচিত।

সূত্রমতে, চাঁদপুর সদর ও হাইমচরে ৬টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে মোট ১০ হাজার ৭৭০ টন গমকে টাকায় রূপান্তর করা হয়। প্রতিটন বাজারমূল্য ২৯ হাজার ৩৬৯ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। বরাদ্দকৃত প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে বৈশাখী, ইব্রাহিমপুর ও গৌক্ষুনদী আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে মাটি ভরাট ও সংস্কার কাজ। এছাড়া হাইমচরে কাশপুল, ইশানবালা ও মোল্লাকান্দি আশ্রয়ণ প্রকল্পেও নগদ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে বৈশাখী আশ্রয়ণ প্রকল্পে ৩ হাজার ৯৮৬ টন গমের বিপরীতে প্রায় ১১ কোটি ৭০ লাখ টাকা দেয়া হয়। অপর প্রকল্প ইব্রাহিমপুরে ২ হাজার ৮২৩ টন গমের বিপরীতে টাকা দেয়া হয় ৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা এবং গৌক্ষুনদী প্রকল্পের আওতায় ২ হাজার ৭৫ টন গমের বিপরীতে ৬ কোটি ৯ লাখ টাকা ছাড় করা হয়।

এদিকে হাইমচরের তিনটি প্রকল্পের মধ্যে কাশপুলে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা দেয়া হয় ৯২২ টন গমের বিপরীতে। এছাড়া ইশানবালা প্রকল্পে ৪৬৪ টন গমের বিপরীতে প্রায় ১৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা দেয়া হয় এবং মোল্লাকান্দি আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে ১৪ কোটি ৫১ লাখ টাকা দেয়া হয় ৫০১ টন গমের বিপরীতে।

টাকায় রূপান্তর প্রসঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়, চলতি অর্থবছরের বাজেটে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বরাদ্দ থেকে এ ব্যয় করতে হবে। পাশাপাশি খাদ্যশস্য ও অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেটে যথাযথ প্রতিফলন করতে হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, কাজের বিনিময়ে খাদ্যের পরিবর্তে নগদ অর্থ দেয়ার পক্ষে উচ্চ আদালতের নির্দেশ এটি প্রথম। রায়ের বিষয়টি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে জানানো হয়েছে। তিনি বিষয়টি পর্যালোচনা করে অর্থ বরাদ্দের নির্দেশ দিয়েছেন। কারণ আদালতের নির্দেশের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।

জানা গেছে, চাঁদপুর সদর উপজেলায় হরিণা ও গৌক্ষুনদী মৌজায় ভূমিহীনদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রাধিকার আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ চলছে। এর মধ্যে হরিণা উপজেলায় ২ হাজার মিটার ও গৌক্ষুনদীর ১ হাজার মিটার নদীর পাড় ঝুঁকিতে পড়ে নদীভাঙনের কারণে। নদীর পাড় ভাঙন রক্ষায় সেখানে বালির বস্তার মাধ্যমে ড্যাম্পিং করার প্রস্তাব উঠে আসে।

এই কাজের জন্য কাবিখা কর্মসূচির আওতায় গমের পরিবর্তে বাজারমূল্যে নগদ অর্থ দেয়ার প্রস্তাব করা হয়। গমের বিপরীতে এ টাকা চাওয়ার প্রস্তাবটি আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিচালকের মাধ্যমে পাঠানো হয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে। পরে এ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী সানুগ্রহ অনুমোদন করেন।

এরপর খাদ্যের বিনিময়ে নগদ অর্থ বরাদ্দ চেয়ে চিঠি দেয়া হয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে। সূত্র জানায়, অর্থ মন্ত্রণালয় প্রস্তাবটি পাওয়ার পর এ প্রসঙ্গে মত চেয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিবকে। তবে টাকা দেয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সচিব।

কিন্তু কাবিখার নীতিমালা খাদ্যের বিপরীতে টাকা দেয়ার নিয়ম না থাকায় প্রস্তাব ফেরত দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। জানা গেছে, অর্থ মন্ত্রণালয় খাদ্যের বিপরীতে টাকা ছাড় না করায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা চেয়ারম্যান এ ব্যাপারে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করেন (পিটিশন নং-১৩১৯/২০১৮)। পরে আদালত কাবিখার খাদ্যের বিপরীতে নগদ অর্থ বরাদ্দ দেয়ার পক্ষে রায় দেন। অর্থ মন্ত্রণালয় এ রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে আরেকটি সিভিল পিটিশন দায়ের করা হয় (পিটিশন নং-২৬৩২/২০১৮)। সর্বশেষ ১ আগস্ট সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ অর্থ মন্ত্রণালয়ের আপিল খারিজ করে রায় দিয়েছেন। পরে আদালতের রায়ের বিষয়টি অর্থ মন্ত্রণালয় পর্যালোচনা করে এ অর্থ ছাড় করেছে।