ঢাকা ১২:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

ডিজিটাল যুগেও কেন সঞ্চয়পত্রের স্টেটমেন্ট পেতে একমাস লাগবে?

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মাননীয় অর্থমন্ত্রী/ মাননীয় চেয়ারম্যান, এনবিআর/ মাননীয় গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক সমীপে একটি অতীব গুরুত্ত্বপূর্ণ সমস্যার আশু সমাধান চাইছি।

গতকাল (২২ অক্টোবর) আমি বাংলাদেশ ব্যাংকে গিয়েছিলাম এ বছর ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করব তাই তাদের কাছে একটি সঞ্চয়পত্রের উৎস আয়কর কর্তনের সার্টিফিকেট/স্টেটমেন্ট আনতে।

গিয়ে শুনি বোর্ডে টাঙ্গানো একটি ফর্ম দেখে সাদা কাগজে সেই ফর্ম ফরমেট অনুযায়ী লিখে আবেদন করতে হবে (ফর্মের ছবি সংযুক্ত করলাম)। অথচ এত টাকা সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে আধুনিক ডিজিটাল যুগে যদি এ ব্যবস্থা থাকে তা সত্যিই অনভিপ্রেত।

একটি ফর্ম ফটোকপি করে তা যদি ৫/১০ টাকা নেয়া হতো তাও গায়ে লাগত না। এ প্রসঙ্গ না হয় বাদই দিলাম।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, এত কষ্ট করে আবেদন করার পর যখন বলা হয় একমাস পরে এসে সার্টিফিকেট নিতে! ১০ মিনিটের কাজ নয় এটা, অথচ সময় নিচ্ছে এক মাস।

যে কোনও ব্যাংকে গিয়ে স্টেটমেন্ট যদি সঙ্গে সঙ্গে আনা যায়, এক্ষেত্রে কেন এত দীর্ঘসূত্রিতা?

আমি তাদেরকে বললাম, আপনারা সার্টিফিকেট দিতে দিতে তো এ বছরের ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করার টাইম শেষ হয়ে যাবে। উত্তরে তারা বলল নভেম্বর পর্যন্ত সময় আছে।

আমার প্রশ্ন আমি কি শেষ মুহূর্তে গিয়ে ফাইল সাবমিট করব? যখন প্রচন্ড একটা ভীড় থাকবে। এমনকি সেটা যদি কোনও কারণে অসম্ভব হয়ে পড়ে? কি করব? জরিমানা হলে সেটার দায়ভার কে নেবে?

যেখানে এনবিআর থেকে ট্যাক্স দেবার জন্য সবাইকে অনুপ্রাণিত করা হচ্ছে, যেখানে আমরাও ট্যাক্স দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছি, সেখানে এ দীর্ঘসূত্রিতা কতটা যুক্তিযুক্ত?

আপনাদের কাছে অনুরোধ, বাংলাদেশ ব্যাংকের ট্যাক্স সার্টিফিকেট এক কর্মদিবসের মধ্যে প্রদানে একটা সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হোক। ভ্যাট ও ট্যাক্স যথাসময়ে দিয়ে দেশকে সমৃদ্ধ করতে উদ্বুদ্ধ করা হোক। ধন্যবাদ আপনাদের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

ডিজিটাল যুগেও কেন সঞ্চয়পত্রের স্টেটমেন্ট পেতে একমাস লাগবে?

আপডেট সময় ০৮:১১:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মাননীয় অর্থমন্ত্রী/ মাননীয় চেয়ারম্যান, এনবিআর/ মাননীয় গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক সমীপে একটি অতীব গুরুত্ত্বপূর্ণ সমস্যার আশু সমাধান চাইছি।

গতকাল (২২ অক্টোবর) আমি বাংলাদেশ ব্যাংকে গিয়েছিলাম এ বছর ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করব তাই তাদের কাছে একটি সঞ্চয়পত্রের উৎস আয়কর কর্তনের সার্টিফিকেট/স্টেটমেন্ট আনতে।

গিয়ে শুনি বোর্ডে টাঙ্গানো একটি ফর্ম দেখে সাদা কাগজে সেই ফর্ম ফরমেট অনুযায়ী লিখে আবেদন করতে হবে (ফর্মের ছবি সংযুক্ত করলাম)। অথচ এত টাকা সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে আধুনিক ডিজিটাল যুগে যদি এ ব্যবস্থা থাকে তা সত্যিই অনভিপ্রেত।

একটি ফর্ম ফটোকপি করে তা যদি ৫/১০ টাকা নেয়া হতো তাও গায়ে লাগত না। এ প্রসঙ্গ না হয় বাদই দিলাম।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, এত কষ্ট করে আবেদন করার পর যখন বলা হয় একমাস পরে এসে সার্টিফিকেট নিতে! ১০ মিনিটের কাজ নয় এটা, অথচ সময় নিচ্ছে এক মাস।

যে কোনও ব্যাংকে গিয়ে স্টেটমেন্ট যদি সঙ্গে সঙ্গে আনা যায়, এক্ষেত্রে কেন এত দীর্ঘসূত্রিতা?

আমি তাদেরকে বললাম, আপনারা সার্টিফিকেট দিতে দিতে তো এ বছরের ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করার টাইম শেষ হয়ে যাবে। উত্তরে তারা বলল নভেম্বর পর্যন্ত সময় আছে।

আমার প্রশ্ন আমি কি শেষ মুহূর্তে গিয়ে ফাইল সাবমিট করব? যখন প্রচন্ড একটা ভীড় থাকবে। এমনকি সেটা যদি কোনও কারণে অসম্ভব হয়ে পড়ে? কি করব? জরিমানা হলে সেটার দায়ভার কে নেবে?

যেখানে এনবিআর থেকে ট্যাক্স দেবার জন্য সবাইকে অনুপ্রাণিত করা হচ্ছে, যেখানে আমরাও ট্যাক্স দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছি, সেখানে এ দীর্ঘসূত্রিতা কতটা যুক্তিযুক্ত?

আপনাদের কাছে অনুরোধ, বাংলাদেশ ব্যাংকের ট্যাক্স সার্টিফিকেট এক কর্মদিবসের মধ্যে প্রদানে একটা সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হোক। ভ্যাট ও ট্যাক্স যথাসময়ে দিয়ে দেশকে সমৃদ্ধ করতে উদ্বুদ্ধ করা হোক। ধন্যবাদ আপনাদের।