ঢাকা ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

মিরপুরের উইকেট নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা খুবই কঠিন: মাশরাফি

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

স্বাগতিক হিসেবে প্রতিটি দলই বাড়তি সুবিধা পায়। তাদের চাওয়া অনুসারেই উইকেট তৈরি করা হয়। পছন্দের উইকেটে খেলা হলে ঘরের ছেলেরাই বেশি সুযোগ-সুবিধা পাবে সেটাই স্বাভাবিক। তবে বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেন, মিরপুরের উইকেট নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন।

আগামীকাল রোববার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে। তার আগে শনিবার মিরপুরে অনুশীলন শেষে সংবাদ সম্মেলনে উইকেট সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মাশরাফি বলেন, ‘মিরপুরের উইকেট সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করা খুবই কঠিন। আমরা সবাই জানি মিরপুরের উইকেট ভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন আচরণ শুরু করে। আগে থেকে বলা খুবই কঠিন হবে।’

বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞ এই অধিনায়ক আরও বলেন, ‘প্রত্যাশা তো অবশ্যই করছি, সাধারণত মিরপুরের উইকেটে ২৫০-২৬০ রান হলে ম্যাচ ভাল হয়, আগে ব্যাট করা দলের জেতার সুযোগ বেশি থাকে। শুরুতেই যে স্লো বা টার্ন হবে, এমন আশা অবশ্যই করছি না। ভালো উইকেটে খেলতে চেয়েছি, এখন ভালো উইকেট হলেই হয়। কিন্তু মিরপুরের উইকেট তো, আগে থেকে অনুমান করা একটু কঠিন’

মিরপুরের উইকেট আনপ্রেডিকটেবল হলেও ক্রিকেটাররা তা মানিয়ে নিয়েছেন জানিয়ে মাশরাফি বলেন, ‘মিরপুরের উইকেট আনপ্রেডিকটেবল। হঠাৎ করেই আচরণ বদলে ফেলে। আপনারাও দেখেছেন হঠাৎ করে বল টার্ন করছে, নিচু হয়ে আসছে। তখন কিন্তু যারা ব্যাটিং করছে তাদেরও মাইন্ডসেট পরিবর্তন করতে হচ্ছে। বাইরে যারা থাকে তাদেরও মাইন্ডসেট পরিবর্তন করতে হয়। আমি ধন্যবাদ দিব আমাদের প্লেয়ারদের। উইকেট আনপ্রেডিকেটেবল হলেও আমরা অভ্যস্ত হয়েগেছি। কারণ বেশিরভাগ সিনিয়র প্লেয়ারই ১০ বছর যাবত এই উইকেটে খেলছে।’

মাশরাফি আরও বলেন, ‘আমরা ২০১৫ সাল থেকে এখানে জেতা শুরু করেছি তখন থেকে আমার বিশ্বাস এই মাঠে আমাদের রেকর্ড ভাল। আনলেস অর আনটিল মেন্টাললি কিছুটা দুর্বলতার কারণে আমরা হেরে গিয়েছি। এশিয়া কাপ ফাইনাল সেটাও বলতে পারেন। সেটা ছাড়া আমার মনে হয় এই উইকেটে আমার অ্যাডজাস্টমেন্ট একেবারে খারাপ হবে না।’

চট্টগ্রাম এবং মিরপুরের উইকেটের বেসিক পার্থক্য নিয়ে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা এই পেসার বলেন, ‘চিটাগংয়ে যেটা হয় নরমালি আমরা জানি ব্যাটিং উইকেট হবে, ভাল উইকেট হয়। আপনি যদি স্লো না তৈরী করেন, টার্নিং উইকেট না তৈরী করেন ওটা ব্যাটিং সহায়ক হবে। আর মিরপুরের এই উইকেটটা একেবারে ওই রকম না। প্রথম ইনিংসের পরে অন্যরকম আচরণ শুরু করে। এজন্য বলছিলাম আনপ্রেডিকটেবল। তবে এখানে ২৫০-২৬০ করলে প্রতিপক্ষের জন্য কঠিন হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

মিরপুরের উইকেট নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা খুবই কঠিন: মাশরাফি

আপডেট সময় ০৫:১২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

স্বাগতিক হিসেবে প্রতিটি দলই বাড়তি সুবিধা পায়। তাদের চাওয়া অনুসারেই উইকেট তৈরি করা হয়। পছন্দের উইকেটে খেলা হলে ঘরের ছেলেরাই বেশি সুযোগ-সুবিধা পাবে সেটাই স্বাভাবিক। তবে বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেন, মিরপুরের উইকেট নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন।

আগামীকাল রোববার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে। তার আগে শনিবার মিরপুরে অনুশীলন শেষে সংবাদ সম্মেলনে উইকেট সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মাশরাফি বলেন, ‘মিরপুরের উইকেট সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করা খুবই কঠিন। আমরা সবাই জানি মিরপুরের উইকেট ভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন আচরণ শুরু করে। আগে থেকে বলা খুবই কঠিন হবে।’

বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞ এই অধিনায়ক আরও বলেন, ‘প্রত্যাশা তো অবশ্যই করছি, সাধারণত মিরপুরের উইকেটে ২৫০-২৬০ রান হলে ম্যাচ ভাল হয়, আগে ব্যাট করা দলের জেতার সুযোগ বেশি থাকে। শুরুতেই যে স্লো বা টার্ন হবে, এমন আশা অবশ্যই করছি না। ভালো উইকেটে খেলতে চেয়েছি, এখন ভালো উইকেট হলেই হয়। কিন্তু মিরপুরের উইকেট তো, আগে থেকে অনুমান করা একটু কঠিন’

মিরপুরের উইকেট আনপ্রেডিকটেবল হলেও ক্রিকেটাররা তা মানিয়ে নিয়েছেন জানিয়ে মাশরাফি বলেন, ‘মিরপুরের উইকেট আনপ্রেডিকটেবল। হঠাৎ করেই আচরণ বদলে ফেলে। আপনারাও দেখেছেন হঠাৎ করে বল টার্ন করছে, নিচু হয়ে আসছে। তখন কিন্তু যারা ব্যাটিং করছে তাদেরও মাইন্ডসেট পরিবর্তন করতে হচ্ছে। বাইরে যারা থাকে তাদেরও মাইন্ডসেট পরিবর্তন করতে হয়। আমি ধন্যবাদ দিব আমাদের প্লেয়ারদের। উইকেট আনপ্রেডিকেটেবল হলেও আমরা অভ্যস্ত হয়েগেছি। কারণ বেশিরভাগ সিনিয়র প্লেয়ারই ১০ বছর যাবত এই উইকেটে খেলছে।’

মাশরাফি আরও বলেন, ‘আমরা ২০১৫ সাল থেকে এখানে জেতা শুরু করেছি তখন থেকে আমার বিশ্বাস এই মাঠে আমাদের রেকর্ড ভাল। আনলেস অর আনটিল মেন্টাললি কিছুটা দুর্বলতার কারণে আমরা হেরে গিয়েছি। এশিয়া কাপ ফাইনাল সেটাও বলতে পারেন। সেটা ছাড়া আমার মনে হয় এই উইকেটে আমার অ্যাডজাস্টমেন্ট একেবারে খারাপ হবে না।’

চট্টগ্রাম এবং মিরপুরের উইকেটের বেসিক পার্থক্য নিয়ে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা এই পেসার বলেন, ‘চিটাগংয়ে যেটা হয় নরমালি আমরা জানি ব্যাটিং উইকেট হবে, ভাল উইকেট হয়। আপনি যদি স্লো না তৈরী করেন, টার্নিং উইকেট না তৈরী করেন ওটা ব্যাটিং সহায়ক হবে। আর মিরপুরের এই উইকেটটা একেবারে ওই রকম না। প্রথম ইনিংসের পরে অন্যরকম আচরণ শুরু করে। এজন্য বলছিলাম আনপ্রেডিকটেবল। তবে এখানে ২৫০-২৬০ করলে প্রতিপক্ষের জন্য কঠিন হবে।