অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার সাবেক নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মামুনুর রশিদকে আট বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ মিজানুর রহমান খান বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। আর দুদক আইনের ২৭(১) ধারায় পাঁচ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। উভয় ধারার দণ্ড পৃথকভাবে চলবে বলে আদালত আদেশে উল্লেখ করেছেন। ফলে আসামির মোট আট বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এ ছাড়া আসামির দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ৩৮ লাখ ৬৮ হাজার ৪৮৮ টাকার সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের আদেশ দেয়া হয়েছে।
রায়ে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কোর্ট ইন্সপেক্টর আশিকুর রহমান যুগান্তরকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
আদালত সূত্র জানায়, সাবেক ইউএনও মামুনুর রশিদ ২০০৯ সালের ১৪ এপ্রিল দুদকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। বিবরণীতে ৬২ হাজার টাকার সম্পদ গোপন করাসহ ১১ কোটি ৩ লাখ ৯০ হাজার ৬৭৫ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের সহকারী পরিচালক হেলাল উদ্দিন শরীফ রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি করেন।
তদন্ত শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল জাহেদ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় মোট ১১ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























