ঢাকা ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

চোটের সঙ্গে টাইগারদের লড়াই

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশের মূল পাঁচজন ক্রিকেটারের চারজনই ভুগছেন ‘চোট’ নামক অসুখে। প্রথমে সাকিব আল হাসানকে দিয়ে শুরু। এরপর তামিম-মুশফিক। আর সবশেষ ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

যারা বাংলাদেশের ক্রিকেটের মেরুদণ্ড তাদের এই চোট এখন দেশের ক্রিকেটের বড় চিন্তা। দলের এই অংশটার চোটের সঙ্গে লড়াই মানে পুরো দলেরই চোটের সঙ্গে লড়াই। কারণ সিনিয়র এই চারজর ক্রিকেটারের বিকল্প ক্রিকেটার বাংলাদেশে নেই।

এশিয়া কাপের ১৪তম আসরটা যেন বাংলাদেশের ক্রিকেটে চোটের অভিশাপটা বয়ে এনেছে। আসরের প্রথম ম্যাচেই ইনজুরিতে পড়েন দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। হাতে আঘাত পেয়ে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই মাঠ ছেড়েছিলেন তিনি। এদিকে হাতের ইনজুরি নিয়েই এশিয়া কাপে খেলতে গিয়েছিলেন সহ-অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। কিন্তু অবস্থা ভয়াবহ হওয়ায় টুর্নামেন্টের মাঝপথে দেশে ফিরেই করাতে হয় অস্ত্রোপচার। মুশফিক এশিয়া কাপের আগে হঠাৎ পাঁজরের ইনজুরিতে পড়েছিলেন। সেই ব্যথাকে সঙ্গী করে টেপ পেছিয়ে তবুও খেলেছেন পুরো টুর্নামেন্ট।

এই তিনজনের চোট যুদ্ধে যোগ দিলেন অধিনায়ক মাশরাফিও। পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে রুবেলের বলে শোয়েব মালিকের ক্যাচ ধরতে গিয়ে ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুলে চোট পান তিনি। মাঠেই আঙ্গুল থেকে রক্ত বের হয়। যদিও কিছু সময় বাদে বান্ডেজ পরে আবারও মাঠে নামেন অধিনায়ক। সেই চোট নিয়ে ফাইনাল শেষ করে দেশে ফিরেন তিনি।

এই চারজনের চোটের জন্য দেশের ক্রিকেটে ভয়ানক অবস্থা। সামনে বিশ্বকাপের মত বড় ইভেন্ট। যার জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি নিতে এর আগে কিছু সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। কিন্তু এমন ইনজুরি আক্রান্ত বাংলাদেশ শিবির কীভাবে প্রস্তুতি নিবে? তারা ক্রমাগত চোট নামক অভিশাপের সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছে।

ডাক্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী সাকিব আল হাসনের মাঠে ফিরতে প্রায় তিন মাস সময় লাগবে। অর্থাৎ আগামী জানুয়ারির আগে তার ফেরার সম্ভবনা নেই। অপরদিকে, লন্ডন থেকে দেশে ফিরে তামিম জানিয়েছেন, তাকে ক্রিকেটে ফিরতে ৬-৭ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। তার মানে ধরেই নেওয়া যাচ্ছে আসন্ন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তাকেও পাচ্ছে না বাংলাদেশ। আগামী ২১ অক্টোবরের আগে মুশফিকের ফেরার সম্ভবনা থাকলেও মাশরাফির ইনজুরি থেকে ফেরা নিয়ে এখনো কিছু বলা যাচ্ছে না। সবকিছু মিলিয়ে চোট নামক শব্দটির সঙ্গে ক্রমাগত লড়াইয়ের মধ্যে দিয়েই আছে বাংলাদেশের ক্রিকেট।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

চোটের সঙ্গে টাইগারদের লড়াই

আপডেট সময় ০১:১৭:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশের মূল পাঁচজন ক্রিকেটারের চারজনই ভুগছেন ‘চোট’ নামক অসুখে। প্রথমে সাকিব আল হাসানকে দিয়ে শুরু। এরপর তামিম-মুশফিক। আর সবশেষ ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

যারা বাংলাদেশের ক্রিকেটের মেরুদণ্ড তাদের এই চোট এখন দেশের ক্রিকেটের বড় চিন্তা। দলের এই অংশটার চোটের সঙ্গে লড়াই মানে পুরো দলেরই চোটের সঙ্গে লড়াই। কারণ সিনিয়র এই চারজর ক্রিকেটারের বিকল্প ক্রিকেটার বাংলাদেশে নেই।

এশিয়া কাপের ১৪তম আসরটা যেন বাংলাদেশের ক্রিকেটে চোটের অভিশাপটা বয়ে এনেছে। আসরের প্রথম ম্যাচেই ইনজুরিতে পড়েন দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। হাতে আঘাত পেয়ে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই মাঠ ছেড়েছিলেন তিনি। এদিকে হাতের ইনজুরি নিয়েই এশিয়া কাপে খেলতে গিয়েছিলেন সহ-অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। কিন্তু অবস্থা ভয়াবহ হওয়ায় টুর্নামেন্টের মাঝপথে দেশে ফিরেই করাতে হয় অস্ত্রোপচার। মুশফিক এশিয়া কাপের আগে হঠাৎ পাঁজরের ইনজুরিতে পড়েছিলেন। সেই ব্যথাকে সঙ্গী করে টেপ পেছিয়ে তবুও খেলেছেন পুরো টুর্নামেন্ট।

এই তিনজনের চোট যুদ্ধে যোগ দিলেন অধিনায়ক মাশরাফিও। পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে রুবেলের বলে শোয়েব মালিকের ক্যাচ ধরতে গিয়ে ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুলে চোট পান তিনি। মাঠেই আঙ্গুল থেকে রক্ত বের হয়। যদিও কিছু সময় বাদে বান্ডেজ পরে আবারও মাঠে নামেন অধিনায়ক। সেই চোট নিয়ে ফাইনাল শেষ করে দেশে ফিরেন তিনি।

এই চারজনের চোটের জন্য দেশের ক্রিকেটে ভয়ানক অবস্থা। সামনে বিশ্বকাপের মত বড় ইভেন্ট। যার জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি নিতে এর আগে কিছু সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। কিন্তু এমন ইনজুরি আক্রান্ত বাংলাদেশ শিবির কীভাবে প্রস্তুতি নিবে? তারা ক্রমাগত চোট নামক অভিশাপের সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছে।

ডাক্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী সাকিব আল হাসনের মাঠে ফিরতে প্রায় তিন মাস সময় লাগবে। অর্থাৎ আগামী জানুয়ারির আগে তার ফেরার সম্ভবনা নেই। অপরদিকে, লন্ডন থেকে দেশে ফিরে তামিম জানিয়েছেন, তাকে ক্রিকেটে ফিরতে ৬-৭ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। তার মানে ধরেই নেওয়া যাচ্ছে আসন্ন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তাকেও পাচ্ছে না বাংলাদেশ। আগামী ২১ অক্টোবরের আগে মুশফিকের ফেরার সম্ভবনা থাকলেও মাশরাফির ইনজুরি থেকে ফেরা নিয়ে এখনো কিছু বলা যাচ্ছে না। সবকিছু মিলিয়ে চোট নামক শব্দটির সঙ্গে ক্রমাগত লড়াইয়ের মধ্যে দিয়েই আছে বাংলাদেশের ক্রিকেট।