ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নেপালের অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে ড. আতিউর রহমানের সাক্ষাৎ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নেপালের অর্থমন্ত্রী ড. ইয়ুবা রাজ খাতিওয়াদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান। ইয়ুবা রাজ খাতিওয়াদা এর আগে নেপালের রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্বপালন করেছেন।

মঙ্গলবার সকালে দেশটির রাজধানী কাঠমান্ডুতে সাক্ষাৎকালে দুজনেই নিজ নিজ দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।

এছাড়াও বিবিআইএন এবং বিমসটেকের কাঠামোর সুযোগ কাজে লাগিয়ে এই উপ-অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলাপ হয়। নেপালের অর্থমন্ত্রী ড. খাতিওয়াদা বলেন, তিনি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে নেয়া দ্বিপক্ষীয় প্রকল্পগুলোতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিনিয়োগ এবং দুই দেশের মধ্যে অন্যান্য পণ্য আমাদনি-রফতানির পরিমাণ বাড়ানোর বিষয়ে আশাবাদী।

নেপালে উৎপাদিত বিদ্যুৎ কীভাবে বাংলাদেশে পৌঁছাবে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বিবিআইএন ও বিমসটেকের মাধ্যমে সহজে এ বিদ্যুৎ সঞ্চালনের ব্যবস্থা করা হবে।

ড. আতিউর রহমান বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্যে বিদ্যমান শক্তিশালী সম্পর্কের ভিত্তিতে ত্রিপক্ষীয় চুক্তির সম্ভাবনার কথা আলোচনা করেন।

এছাড়াও দুই দেশের মধ্যে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকৃত পণ্যের বাণিজ্য বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার জন্য নেপালের অর্থমন্ত্রীকে আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি আগামীতে বাংলাদেশের জলপথ এবং পায়রা ও মোংলার মতো বন্দরগুলো আরও বেশি মাত্রায় ব্যবহার করে নেপাল বিশেষভাবে উপকৃত হতে পারে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

সর্বোপরি, কারিগরি শিক্ষা এবং চিকিৎসাবিদ্যার পাশাপাশি আর্থিক খাতের জন্য মানবসম্পদ উন্নয়নে নেপাল ও বাংলাদেশ যৌথভাবে কাজ করতে পারে বলে মনে করেন ড. আতিউর রহমান। তিনি বৈঠক শেষে তার লেখা সম্প্রতি প্রকাশিত ‘ From Ashes to Prosperity ’ বইটি উপহার দেন ইয়ুবা রাজ খাতিওয়াদাকে।

উল্লেখ্য, ড. আতিউর রহমান ব্যাংকিং, ফাইনান্স অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স ইন্সটিটিউটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার জন্য বর্তমানে নেপালে অবস্থান করছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কাঠমান্ডুতে হোটেল র‌্যাডিসনে এ উপলক্ষে আয়োজিত কনফারেন্সে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে তার একটি নিবন্ধ উপস্থাপনের কথা রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নেপালের অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে ড. আতিউর রহমানের সাক্ষাৎ

আপডেট সময় ১০:২১:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নেপালের অর্থমন্ত্রী ড. ইয়ুবা রাজ খাতিওয়াদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান। ইয়ুবা রাজ খাতিওয়াদা এর আগে নেপালের রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্বপালন করেছেন।

মঙ্গলবার সকালে দেশটির রাজধানী কাঠমান্ডুতে সাক্ষাৎকালে দুজনেই নিজ নিজ দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।

এছাড়াও বিবিআইএন এবং বিমসটেকের কাঠামোর সুযোগ কাজে লাগিয়ে এই উপ-অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলাপ হয়। নেপালের অর্থমন্ত্রী ড. খাতিওয়াদা বলেন, তিনি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে নেয়া দ্বিপক্ষীয় প্রকল্পগুলোতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিনিয়োগ এবং দুই দেশের মধ্যে অন্যান্য পণ্য আমাদনি-রফতানির পরিমাণ বাড়ানোর বিষয়ে আশাবাদী।

নেপালে উৎপাদিত বিদ্যুৎ কীভাবে বাংলাদেশে পৌঁছাবে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বিবিআইএন ও বিমসটেকের মাধ্যমে সহজে এ বিদ্যুৎ সঞ্চালনের ব্যবস্থা করা হবে।

ড. আতিউর রহমান বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্যে বিদ্যমান শক্তিশালী সম্পর্কের ভিত্তিতে ত্রিপক্ষীয় চুক্তির সম্ভাবনার কথা আলোচনা করেন।

এছাড়াও দুই দেশের মধ্যে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকৃত পণ্যের বাণিজ্য বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার জন্য নেপালের অর্থমন্ত্রীকে আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি আগামীতে বাংলাদেশের জলপথ এবং পায়রা ও মোংলার মতো বন্দরগুলো আরও বেশি মাত্রায় ব্যবহার করে নেপাল বিশেষভাবে উপকৃত হতে পারে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

সর্বোপরি, কারিগরি শিক্ষা এবং চিকিৎসাবিদ্যার পাশাপাশি আর্থিক খাতের জন্য মানবসম্পদ উন্নয়নে নেপাল ও বাংলাদেশ যৌথভাবে কাজ করতে পারে বলে মনে করেন ড. আতিউর রহমান। তিনি বৈঠক শেষে তার লেখা সম্প্রতি প্রকাশিত ‘ From Ashes to Prosperity ’ বইটি উপহার দেন ইয়ুবা রাজ খাতিওয়াদাকে।

উল্লেখ্য, ড. আতিউর রহমান ব্যাংকিং, ফাইনান্স অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স ইন্সটিটিউটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার জন্য বর্তমানে নেপালে অবস্থান করছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কাঠমান্ডুতে হোটেল র‌্যাডিসনে এ উপলক্ষে আয়োজিত কনফারেন্সে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে তার একটি নিবন্ধ উপস্থাপনের কথা রয়েছে।