ঢাকা ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

মাথাপিছু আয় বেড়েছে ১৬,৩৮৮ টাকা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

দেশের মানুষের বার্ষিক মাথাপিছু আয় এখন এক লাখ ৪৩ হাজার ৭৮৯ টাকা (১৭৫১ ডলার)। যা ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে ছিল এক লাখ ২৭ হাজার ৪০১। অর্থাৎ বেড়েছে ১৬ হাজার ৩৮৮ টাকা।

তবে এটি কোনো ব্যক্তির একক বা ব্যক্তিগত আয় নয়। একটি দেশের মোট আয়কে জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে মাথাপিছু আয় বের করা হয়।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল মাথাপিছু আয়ের নতুন এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, গত এপ্রিলে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো যখন প্রাথমিক হিসাব প্রকাশ করেছিল তখন আমরা ধারণা করেছিলাম মাথাপিছু আয় ১৭৫২ ডলার হতে পারে। কিন্তু ডলারের বিপরীতে টাকা মান হারানোর কারণে প্রবৃদ্ধি বাড়লেও প্রাথমিক হিসাবের তুলনায় এক ডলার কম হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রী জানান, ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল এক লাখ ১৪ হাজার ৬২১ এবং ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ছিল এক লাখ দুই হাজার ২৩৬ টাকা।

মন্ত্রী জানান, চূড়ান্ত হিসাবে গেল অর্থবছরের জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ২৭৪ বিলিয়ন ডলারে। এর আগের অর্থবছরে জিডিপির আকার ২৫০ বিলিয়ন ডলার ছিল। আর এর আগের অর্থবছরে ছিল ২২১ বিলিয়ন ডলার।

দেশে দারিদ্র্যের হার তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ২০১৮ সাল শেষে দারিদ্র্যের হার কমে হবে ২১.৮ শতাংশ। যেটা ২০১৭ সালে ছিল ২৩.১ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে ২৪.৩ শতাংশ এবং ২০১০ সালে ৩১.৫ শতাংশ। আর অতি দারিদ্র্যের সংখ্যা হবে ২০১৮ সাল শেষে ১১.০৩ শতাংশ। ২০১৭ সালে ছিল ১২.১ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে ছিল ১২.৯ শতাংশ এবং ২০১০ সালে ছিল ১৭.৬ শতাংশ।

চূড়ান্ত হিসাবে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়েছে। গত অর্থবছরে (২০১৭-১৮) জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। বাজেটের আগে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ হয়েছিল। এর ফলে পরপর তিন বছর ৭ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করল বাংলাদেশ।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল। এর আগে বছরে (২০১৫-১৬) প্রবৃদ্ধি ছিল ৭ দশমিক ১১ শতাংশ।

কৃষি, শিল্প ও সেবা—এই তিনটি খাত ধরেই জিডিপি গণনা করা হয়। বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, গত অর্থবছরে শিল্প খাতে সবচেয়ে বেশি ১২ দশমিক ০৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। কৃষি খাতে ৪ দশমিক ১৯ আর সেবা খাতে ৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক দিন। প্রতিবছরই এখন এই ধরনের ঐতিহাসিক দিন আসবে। তবে আমরাই আমাদের রেকর্ড ভাঙবো।

সরকারি বিনিয়োগ বেড়ে গেছে, এজন্য প্রবৃদ্ধি বাড়ছে। এখনো সরকারি বিনিয়োগের প্রবৃদ্ধিই চালিকাশক্তি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাথাপিছু আয় বেড়েছে ১৬,৩৮৮ টাকা

আপডেট সময় ০৮:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

দেশের মানুষের বার্ষিক মাথাপিছু আয় এখন এক লাখ ৪৩ হাজার ৭৮৯ টাকা (১৭৫১ ডলার)। যা ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে ছিল এক লাখ ২৭ হাজার ৪০১। অর্থাৎ বেড়েছে ১৬ হাজার ৩৮৮ টাকা।

তবে এটি কোনো ব্যক্তির একক বা ব্যক্তিগত আয় নয়। একটি দেশের মোট আয়কে জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে মাথাপিছু আয় বের করা হয়।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল মাথাপিছু আয়ের নতুন এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, গত এপ্রিলে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো যখন প্রাথমিক হিসাব প্রকাশ করেছিল তখন আমরা ধারণা করেছিলাম মাথাপিছু আয় ১৭৫২ ডলার হতে পারে। কিন্তু ডলারের বিপরীতে টাকা মান হারানোর কারণে প্রবৃদ্ধি বাড়লেও প্রাথমিক হিসাবের তুলনায় এক ডলার কম হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রী জানান, ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল এক লাখ ১৪ হাজার ৬২১ এবং ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ছিল এক লাখ দুই হাজার ২৩৬ টাকা।

মন্ত্রী জানান, চূড়ান্ত হিসাবে গেল অর্থবছরের জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ২৭৪ বিলিয়ন ডলারে। এর আগের অর্থবছরে জিডিপির আকার ২৫০ বিলিয়ন ডলার ছিল। আর এর আগের অর্থবছরে ছিল ২২১ বিলিয়ন ডলার।

দেশে দারিদ্র্যের হার তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ২০১৮ সাল শেষে দারিদ্র্যের হার কমে হবে ২১.৮ শতাংশ। যেটা ২০১৭ সালে ছিল ২৩.১ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে ২৪.৩ শতাংশ এবং ২০১০ সালে ৩১.৫ শতাংশ। আর অতি দারিদ্র্যের সংখ্যা হবে ২০১৮ সাল শেষে ১১.০৩ শতাংশ। ২০১৭ সালে ছিল ১২.১ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে ছিল ১২.৯ শতাংশ এবং ২০১০ সালে ছিল ১৭.৬ শতাংশ।

চূড়ান্ত হিসাবে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়েছে। গত অর্থবছরে (২০১৭-১৮) জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। বাজেটের আগে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ হয়েছিল। এর ফলে পরপর তিন বছর ৭ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করল বাংলাদেশ।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল। এর আগে বছরে (২০১৫-১৬) প্রবৃদ্ধি ছিল ৭ দশমিক ১১ শতাংশ।

কৃষি, শিল্প ও সেবা—এই তিনটি খাত ধরেই জিডিপি গণনা করা হয়। বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, গত অর্থবছরে শিল্প খাতে সবচেয়ে বেশি ১২ দশমিক ০৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। কৃষি খাতে ৪ দশমিক ১৯ আর সেবা খাতে ৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক দিন। প্রতিবছরই এখন এই ধরনের ঐতিহাসিক দিন আসবে। তবে আমরাই আমাদের রেকর্ড ভাঙবো।

সরকারি বিনিয়োগ বেড়ে গেছে, এজন্য প্রবৃদ্ধি বাড়ছে। এখনো সরকারি বিনিয়োগের প্রবৃদ্ধিই চালিকাশক্তি।