ঢাকা ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে কাজ করছে সরকার : ভারপ্রাপ্ত স্পিকার চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা, পণ্য বৈচিত্র্য, উদ্ভাবন ও গবেষণায় সরকারের প্রাধান্য: মাহ্দী আমিন অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জুলাইয়ের ২৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২২৯ কোটি ৯৪ লাখ ডলার ১৬ বছরে দেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে: আইনমন্ত্রী বদির মেটিকুলাস ডিজাইনেই একরাম হত্যা : চিফ প্রসিকিউটর মাঠ প্রশাসনের প্রশিক্ষণ সেশনে নিজেই প্রশিক্ষকের ভূমিকায় গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শুধু চাকরি নয়, কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে হবে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী চা শিল্পের বিকাশে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

যেখানে জীবিতদের সঙ্গে বাস করে মৃতরা

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

মানুষ মারা যাওয়ার পর তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া করার পর তাকে দাহ কিংবা কবর দেওয়া হয়। তবে ইন্দোনেশিয়ার একটি অঞ্চলে বিষয়টি একটু আলাদা। ইন্দোনেশিয়ার তোরাজন এলাকায় মানুষ মারা গেলেও তার মৃতদেহ সংরক্ষণ করা হয় বলে বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়। একটি কক্ষে পরিবারের সদস্যরা বসে কফি খাচ্ছেন। সবাই খু্ব হাসিখুশি, আর এরই পাশের কক্ষের বিছানায় একজন শুয়ে আছেন। তিনি কোন নড়াচড়া করছেন না। শরীরে অনেক কাপড় পেঁচানো। বাড়ির ছোট মেয়ে মামাক লিসা বলছিলেন, ” তার সম্পর্কে হৃদয়ের আবেগের খুব সম্পর্ক আছে। আমাদের সেই সম্পর্ক এখনো আছে”। অথচ এই ব্যক্তি মারা গেছেন ১২ বছর আগে।

ইন্দোনেশিয়ার তোরাজন এলাকার পুরনো প্রথার এটিও একটি, যেখানে মৃতরা জীবিতদের সাথেই বসবাস করে। কেউ মারা যাওয়ার অনেক মাস পর. অনেক বছর পর শেষকৃত্য হয়। এ মধ্যবর্তী সময়ে নানা হারবাল ও রাসায়নিক দিয়ে মৃতদেহ সংরক্ষণ করে পরিবারের সঙ্গেই রাখা হয়। তাকে দিনে দুবার খাবার দেয়া হয়, এমনটি টয়লেটের জন্যও রুমে এক কোণে একটি পাত্র রাখা হয়।

কয়েক বছর পর পর নানা উপলক্ষে কফিন খুলে মৃতদেহ বের করা হয়। বন্ধু আর আত্মীয়রা তাকে নানা খাবার দেন, পরিষ্কার করে একত্রে তার সাথে ছবিও তুলেন। সমাজবিজ্ঞানী আন্দি তান্দি লোলো, “সমাজবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে দেখলে এটি জীবিত ও মৃতদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ রক্ষার মতো ব্যাপার”। তবে এ প্রাচীন প্রথাটি এখন ক্রমশ বিলুপ্তির পথে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে কাজ করছে সরকার : ভারপ্রাপ্ত স্পিকার

যেখানে জীবিতদের সঙ্গে বাস করে মৃতরা

আপডেট সময় ০৮:৪১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

মানুষ মারা যাওয়ার পর তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া করার পর তাকে দাহ কিংবা কবর দেওয়া হয়। তবে ইন্দোনেশিয়ার একটি অঞ্চলে বিষয়টি একটু আলাদা। ইন্দোনেশিয়ার তোরাজন এলাকায় মানুষ মারা গেলেও তার মৃতদেহ সংরক্ষণ করা হয় বলে বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়। একটি কক্ষে পরিবারের সদস্যরা বসে কফি খাচ্ছেন। সবাই খু্ব হাসিখুশি, আর এরই পাশের কক্ষের বিছানায় একজন শুয়ে আছেন। তিনি কোন নড়াচড়া করছেন না। শরীরে অনেক কাপড় পেঁচানো। বাড়ির ছোট মেয়ে মামাক লিসা বলছিলেন, ” তার সম্পর্কে হৃদয়ের আবেগের খুব সম্পর্ক আছে। আমাদের সেই সম্পর্ক এখনো আছে”। অথচ এই ব্যক্তি মারা গেছেন ১২ বছর আগে।

ইন্দোনেশিয়ার তোরাজন এলাকার পুরনো প্রথার এটিও একটি, যেখানে মৃতরা জীবিতদের সাথেই বসবাস করে। কেউ মারা যাওয়ার অনেক মাস পর. অনেক বছর পর শেষকৃত্য হয়। এ মধ্যবর্তী সময়ে নানা হারবাল ও রাসায়নিক দিয়ে মৃতদেহ সংরক্ষণ করে পরিবারের সঙ্গেই রাখা হয়। তাকে দিনে দুবার খাবার দেয়া হয়, এমনটি টয়লেটের জন্যও রুমে এক কোণে একটি পাত্র রাখা হয়।

কয়েক বছর পর পর নানা উপলক্ষে কফিন খুলে মৃতদেহ বের করা হয়। বন্ধু আর আত্মীয়রা তাকে নানা খাবার দেন, পরিষ্কার করে একত্রে তার সাথে ছবিও তুলেন। সমাজবিজ্ঞানী আন্দি তান্দি লোলো, “সমাজবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে দেখলে এটি জীবিত ও মৃতদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ রক্ষার মতো ব্যাপার”। তবে এ প্রাচীন প্রথাটি এখন ক্রমশ বিলুপ্তির পথে।