ঢাকা ১২:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

জাপানে বন্যা ও ভূমিধসে ৩৮ জনের মৃত্যু

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জাপানের পশ্চিমাঞ্চলে প্রবল বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ৩৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। শনিবার বিবিসি জানায়, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে হিরোশিমা এলাকায়। গত বৃহস্পতিবার থেকে প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয় এখানে। বৃষ্টিতে শত শত বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রায় ১৫ লাখ অধিবাসীকে তাদের বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আরো ত্রিশ লাখ জাপানি নাগরিককে অন্যত্র চলে যেতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

হাজার হাজার পুলিশ, দমকল বাহিনী এবং সেনারা তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিয়েছে। জাপানের কিয়োডো সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, বেশ কয়েকজন ভিকটিম ভূমিধসের কারণে মাটির নিচে চাপা পড়েছে।

জাপানের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, টোকিও থেকে ৬০০ কিলোমিটার পশ্চিমে মোতোইয়ামা শহরে শুক্রবার ও শনিবার সকালে ৫৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। পরবর্তী কয়েক দিন আরো বৃষ্টিপাত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

হিরোশিমা থেকে ৩০০ কিলোমিটার পূর্বে কিয়োটো অঞ্চলেও প্রবল বর্ষণ হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মানাবো তাকেশিতা জাপান টাইমসকে জানান, ‘এই নদীর আশেপাশে বসবাসকারীরা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। কারণ ঘূর্ণিঝড়ের মৌসুম মাত্র শুরু হয়েছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

জাপানে বন্যা ও ভূমিধসে ৩৮ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৪:১৬:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ জুলাই ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জাপানের পশ্চিমাঞ্চলে প্রবল বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ৩৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। শনিবার বিবিসি জানায়, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে হিরোশিমা এলাকায়। গত বৃহস্পতিবার থেকে প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয় এখানে। বৃষ্টিতে শত শত বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রায় ১৫ লাখ অধিবাসীকে তাদের বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আরো ত্রিশ লাখ জাপানি নাগরিককে অন্যত্র চলে যেতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

হাজার হাজার পুলিশ, দমকল বাহিনী এবং সেনারা তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিয়েছে। জাপানের কিয়োডো সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, বেশ কয়েকজন ভিকটিম ভূমিধসের কারণে মাটির নিচে চাপা পড়েছে।

জাপানের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, টোকিও থেকে ৬০০ কিলোমিটার পশ্চিমে মোতোইয়ামা শহরে শুক্রবার ও শনিবার সকালে ৫৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। পরবর্তী কয়েক দিন আরো বৃষ্টিপাত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

হিরোশিমা থেকে ৩০০ কিলোমিটার পূর্বে কিয়োটো অঞ্চলেও প্রবল বর্ষণ হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মানাবো তাকেশিতা জাপান টাইমসকে জানান, ‘এই নদীর আশেপাশে বসবাসকারীরা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। কারণ ঘূর্ণিঝড়ের মৌসুম মাত্র শুরু হয়েছে।’