ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অর্থ আত্মসাতের মামলায় নাজিব গ্রেপ্তার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাষ্ট্রায়াত্ত বিনিয়োগ তহবিল থেকে বিলিয়ন ডলার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাককে মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খবর বিবিসির।

নাজিব রাজাকে বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই দুর্নীতির অভিযোগ আনা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রায়াত্ত বিনিয়োগ তহবিল ওয়ান মালয়েশিয়া ডেভেলপমেন্ট বেরহাদের (ওয়ানএমডিবি) ৭০০ মিলিয়ন ডলার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার বিকালে নাজিব রাজাককে তার কুয়ালালামপুরের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে দুর্নীতি দমন কমিশনের বিশেষ টাস্কফোর্সের কর্মকর্তারা।

সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে ওই মামলায় বুধবার সকালে কুয়ালালামপুর হাইকোর্টে হাজির করা হবে। বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে মালয়েশিয়াকে শীর্ষ অর্থনীতির দেশে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে নাজিবই প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় ওয়ানএমডিবি তহবিল সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করেছিলেন।

কিন্তু পরে ওই তহবিলের ৭০ কোটি ডলার আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে নাজিবের বিরুদ্ধে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশে ওই অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। তবে নাজিব বরাবরই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

মালয়েশিয়ার আদালত প্রধানমন্ত্রী নাজিবকে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছিল। কিন্তু গত মে মাসের নির্বাচনে সরকার বদলের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী মাহথির মোহাম্মদ ক্ষমতায় এসে নতুন করে ওই দুর্নীতি তদন্তের নির্দেশ দেন।

গত মাসে কুয়ালালামপুরে নাজিবের বিলাসবহুল ভবন এবং মূল বাড়িসহ তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছয়টি স্থানে অভিযান চালিয়ে নগদ অর্থ, গয়না, হাতব্যাগসহ ২৭ কোটি ৩০ লাখ ডলার সম্পদ জব্দ করা হয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২ হাজার ২৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা। জব্দ করা সম্পদের মধ্যে ১২ হাজার পিস গয়না, বিভিন্ন ব্যাগে প্রায় তিন কোটি ডলারের সমমূল্যের ২৬টি দেশের মুদ্রা, ৪২৩টি ঘড়ি এবং ২৩৪ জোড়া সানগ্লাস। এ ছাড়া নামীদামি নকশাকারদের তৈরি খুব দামি ও শৌখিন জিনিস রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

অর্থ আত্মসাতের মামলায় নাজিব গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৪:১৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুলাই ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাষ্ট্রায়াত্ত বিনিয়োগ তহবিল থেকে বিলিয়ন ডলার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাককে মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খবর বিবিসির।

নাজিব রাজাকে বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই দুর্নীতির অভিযোগ আনা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রায়াত্ত বিনিয়োগ তহবিল ওয়ান মালয়েশিয়া ডেভেলপমেন্ট বেরহাদের (ওয়ানএমডিবি) ৭০০ মিলিয়ন ডলার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার বিকালে নাজিব রাজাককে তার কুয়ালালামপুরের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে দুর্নীতি দমন কমিশনের বিশেষ টাস্কফোর্সের কর্মকর্তারা।

সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে ওই মামলায় বুধবার সকালে কুয়ালালামপুর হাইকোর্টে হাজির করা হবে। বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে মালয়েশিয়াকে শীর্ষ অর্থনীতির দেশে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে নাজিবই প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় ওয়ানএমডিবি তহবিল সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করেছিলেন।

কিন্তু পরে ওই তহবিলের ৭০ কোটি ডলার আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে নাজিবের বিরুদ্ধে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশে ওই অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। তবে নাজিব বরাবরই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

মালয়েশিয়ার আদালত প্রধানমন্ত্রী নাজিবকে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছিল। কিন্তু গত মে মাসের নির্বাচনে সরকার বদলের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী মাহথির মোহাম্মদ ক্ষমতায় এসে নতুন করে ওই দুর্নীতি তদন্তের নির্দেশ দেন।

গত মাসে কুয়ালালামপুরে নাজিবের বিলাসবহুল ভবন এবং মূল বাড়িসহ তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছয়টি স্থানে অভিযান চালিয়ে নগদ অর্থ, গয়না, হাতব্যাগসহ ২৭ কোটি ৩০ লাখ ডলার সম্পদ জব্দ করা হয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২ হাজার ২৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা। জব্দ করা সম্পদের মধ্যে ১২ হাজার পিস গয়না, বিভিন্ন ব্যাগে প্রায় তিন কোটি ডলারের সমমূল্যের ২৬টি দেশের মুদ্রা, ৪২৩টি ঘড়ি এবং ২৩৪ জোড়া সানগ্লাস। এ ছাড়া নামীদামি নকশাকারদের তৈরি খুব দামি ও শৌখিন জিনিস রয়েছে।