ঢাকা ০৩:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অস্ট্রেলিয়াকে ধোলাই করল ইংল্যান্ড

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শনির দশা কাটছেই না অস্ট্রেলিয়ার। শত চেষ্টা করেও ধবলধোলাই এড়াতে পারলেন না অজিরা। শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে নাটকীয়ভাবে ১ উইকেটে হেরে গেছেন তারা। এ নিয়ে ইংলিশদের সঙ্গে ৫ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের সবক’টিতেই হারলেন সফরকারীরা।

ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে টস জিতে আগে ব্যাট নেন অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক টিম পেইন। তার সিদ্ধান্তকে যথার্থ প্রমাণ করেন অ্যারন ফিঞ্চ ও ট্রাভিস হেড। উদ্বোধনী জুটিতে ৬০ রান তুলে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন তারা।

তবু স্কোরটা লম্বা করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। অন্তিমলগ্নে যা একটু লড়াই করেন ডি আর্চি শর্ট। শেষ পর্যন্ত ৩৪.৪ ওভারে ২০৫ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। তাদের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৬ রান করেন হেড। ৪৭ রানে অপরাজিত থাকেন ডি আর্চি।

ইংল্যান্ডের হয়ে মঈন আলী নেন সর্বোচ্চ ৪ উইকেট।

জবাবে শুরুতেই অশুভ ছায়া ভর করে ইংলিশদের ঘাড়ে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকেন তারা। সংক্ষিপ্ত লক্ষ্য তাড়ায় ১১৪ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলেন স্বাগতিকরা। এতে পরাজয়টা সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় তাদের।

তবে চিত্রনাট্যের তখনো বাকি ছিল। নবম উইকেটে আদিল রশিদকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন জস বাটলার। দুজনে মিলে স্কোর বোর্ডে যোগ করেন ৮১ রান। ২০ রান করে রশিদ বিদায় নিলে ফের খেলা জমে ওঠে।

কিন্তু জস বাটলারের ডানায় চড়ে নাটকীয়তা ভরপুর ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত জিতে যায় ইংল্যান্ড। জ্যাক বলকে নিয়ে ৯ বল বাকি থাকতেই দলকে জয়ের বন্দরে নোঙর করান এ ডানহাতি ব্যাটার।

আসলে বাটলারের কাছেই হেরে গেছে অস্ট্রেলিয়া। চিরশত্রুদের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ে সামন থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। তুলে নিয়েছেন মহাকাব্যিক সেঞ্চুরি। শেষ অব্দি ১২২ বলে ১২ চারের বিপরীতে ১ ছক্কায় ১১০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। এটি তার ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ওয়ানডে সেঞ্চুরি।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৩ টি করে উইকেট শিকার করেন কেন রিচার্ডসন ও বিলি স্ট্যানলেক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়াকে ধোলাই করল ইংল্যান্ড

আপডেট সময় ১২:৩০:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুন ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শনির দশা কাটছেই না অস্ট্রেলিয়ার। শত চেষ্টা করেও ধবলধোলাই এড়াতে পারলেন না অজিরা। শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে নাটকীয়ভাবে ১ উইকেটে হেরে গেছেন তারা। এ নিয়ে ইংলিশদের সঙ্গে ৫ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের সবক’টিতেই হারলেন সফরকারীরা।

ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে টস জিতে আগে ব্যাট নেন অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক টিম পেইন। তার সিদ্ধান্তকে যথার্থ প্রমাণ করেন অ্যারন ফিঞ্চ ও ট্রাভিস হেড। উদ্বোধনী জুটিতে ৬০ রান তুলে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন তারা।

তবু স্কোরটা লম্বা করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। অন্তিমলগ্নে যা একটু লড়াই করেন ডি আর্চি শর্ট। শেষ পর্যন্ত ৩৪.৪ ওভারে ২০৫ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। তাদের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৬ রান করেন হেড। ৪৭ রানে অপরাজিত থাকেন ডি আর্চি।

ইংল্যান্ডের হয়ে মঈন আলী নেন সর্বোচ্চ ৪ উইকেট।

জবাবে শুরুতেই অশুভ ছায়া ভর করে ইংলিশদের ঘাড়ে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকেন তারা। সংক্ষিপ্ত লক্ষ্য তাড়ায় ১১৪ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলেন স্বাগতিকরা। এতে পরাজয়টা সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় তাদের।

তবে চিত্রনাট্যের তখনো বাকি ছিল। নবম উইকেটে আদিল রশিদকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন জস বাটলার। দুজনে মিলে স্কোর বোর্ডে যোগ করেন ৮১ রান। ২০ রান করে রশিদ বিদায় নিলে ফের খেলা জমে ওঠে।

কিন্তু জস বাটলারের ডানায় চড়ে নাটকীয়তা ভরপুর ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত জিতে যায় ইংল্যান্ড। জ্যাক বলকে নিয়ে ৯ বল বাকি থাকতেই দলকে জয়ের বন্দরে নোঙর করান এ ডানহাতি ব্যাটার।

আসলে বাটলারের কাছেই হেরে গেছে অস্ট্রেলিয়া। চিরশত্রুদের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ে সামন থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। তুলে নিয়েছেন মহাকাব্যিক সেঞ্চুরি। শেষ অব্দি ১২২ বলে ১২ চারের বিপরীতে ১ ছক্কায় ১১০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। এটি তার ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ওয়ানডে সেঞ্চুরি।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৩ টি করে উইকেট শিকার করেন কেন রিচার্ডসন ও বিলি স্ট্যানলেক।