ঢাকা ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপের নেপথ্য নায়ক তারা

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

রাশিয়া বিশ্বকাপে মাঠে ঝড় তুলবেন মেসি, নেইমার, রোনাল্ডোরা। তবে বিশ্বকাপে নেপথ্য নায়কদের ভূমিকাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তারাই সাজাবেন রণকৌশল। ডাগ-আউটে তাদের মস্তিষ্কের খেলাও গড়ে দিতে পারে ব্যবধান।

তারকা খ্যাতিতে শিষ্যদের চেয়ে পিছিয়ে থাকলেও কোচদের আয় একবারে কম নয়। এবারের বিশ্বকাপের ৩২ জন নেপথ্য নায়কের মধ্যে সবচেয়ে দামি ১০ জনের নাম জেনে নেয়া যাক।

জোয়াকিম লো : এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে দামি কোচ জার্মানির জোয়াচিম লো। ৫৮ বছর বয়সী লো’র বার্ষিক বেতন ৩.৮৫ মিলিয়ন ইউরো। ২০০৬ সালে জার্মানির জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পান লো। তার অধীনেই ২০১৪’র ব্রাজিল বিশ্বকাপে চতুর্থবারের মতো শিরোপা জেতে জার্মানি। গত মাসেই তার সঙ্গে ২০২২ সাল পর্যন্ত চুক্তি নবায়ন করেছে জার্মান ফুটবল ফেডারেশন।

তিতে : দামি কোচের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের কোচ তিতে। তার বার্ষিক বেতন ৩.৫ মিলিয়ন ইউরো। ২০১৬ সালে ব্রাজিল দলের দায়িত্ব নেন ৫৭ বছর বয়সী তিতে। তার হাত ধরেই ছন্নছাড়া ব্রাজিল আবার সুসংহত হয়। বাছাইপর্বে দুর্দান্ত খেলে সবার আগে রাশিয়ার টিকিট নিশ্চিত করেন নেইমাররা।

দিদিয়ের দেশম : ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম বিশ্বকাপের কোচদের মধ্যে আয়ের দিক থেকে তিতের সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে আছেন। ৪৯ বছর বয়সী দেশমের বার্ষিক আয় ৩.৫ মিলিয়ন ইউরো। ফ্রান্সের ১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক ২০১২ সালে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে নিয়োগ পান।

হুলেন লোপেতেগুই : স্পেনের কোচ হুলেন লোপেতেগুয়ের বার্ষিক বেতন ৩ মিলিয়ন ইউরো। ৫১ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ চতুর্থ দামি কোচ এবারের বিশ্বকাপে। ২০১৬ সালে স্পেনের কোচ হন তিনি।

স্তানিসলাভ চেরচিসোভ : শীর্ষ আয়ের কোচের তালিকায় পাঁচ নম্বরে আছেন রাশিয়ার কোচ স্তানিসলাভ চেরচিসোভ। ৫৪ বছর বয়সী চেরচিসোভের বার্ষিক বেতন ২.৬ মিলিয়ন ইউরো। ২০১৬ সালে রাশিয়ার জাতীয় দলের দায়িত্ব পান তিনি।

ফার্নান্দো সান্তোস : ২.২৫ মিলিয়ন বার্ষিক বেতন নিয়ে তালিকার ছয় নম্বরে আছেন পর্তুগালের কোচ ফার্নান্দো সান্তোস। ৬৩ বছর বয়সী সান্তোস ২০১৪ সালে পর্তুগাল দলের দায়িত্ব নেন। তার অধীনেই ২০১৬ ইউরোতে চ্যাম্পিয়ন হয় পর্তুগাল।

কার্লোস কুইরোজ : বিশ্বকাপের দামি কোচের তালিকায় সাত নম্বরে আছেন ইরানের পর্তুগিজ কোচ কার্লোস কুইরোজ। ৬৫ বছর বয়সী কুইরোজের বার্ষিক বেতন ২ মিলিয়ন ইউরো। ২০১১ সাল থেকে ইরানের কোচের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এর আগে ২০০৮ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত পর্তুগালের কোচ ছিলেন কুইরোজ।

গ্যারেথ সাউথগেট : ইংলিশ কোচ গ্যারেথ সাউথগেটের বার্ষিক বেতন ২ মিলিয়ন ইউরো। ৪৭ বছর বয়সী গ্যারেথ ২০১৬ সাল থেকে ইংল্যান্ড দলের দায়িত্বে আছেন।

হোর্হে সাম্পাওলি : বিশ্বকাপে বেশি আয়ের কোচের তালিকায় নয় নম্বরে আছেন আর্জেন্টিনার কোচ হোর্হে সাম্পাওলি। তার বার্ষিক বেতন ১.৮ মিলিয়ন ইউরো। ৫৮ বছর বয়সী সাম্পাওলি ২০১৭ সাল থেকে লিওনেল মেসিদের কোচ হিসেবে কাজ করছেন।

অস্কার তাবারেজ : আরেক লাতিন দল উরুগুয়ের কোচ অস্কার তাবারেজ আছেন ১০ নম্বরে। তার বার্ষিক বেতন ১.৭ মিলিয়ন ইউরো। ২০০৬ সালে তিনি উরুগুয়ের জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব নেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোস্টাল ভোটে অনিয়ম করলে প্রবাসীদের দেশে ফেরত আনার হুঁশিয়ারি ইসির

বিশ্বকাপের নেপথ্য নায়ক তারা

আপডেট সময় ১০:১০:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ জুন ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

রাশিয়া বিশ্বকাপে মাঠে ঝড় তুলবেন মেসি, নেইমার, রোনাল্ডোরা। তবে বিশ্বকাপে নেপথ্য নায়কদের ভূমিকাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তারাই সাজাবেন রণকৌশল। ডাগ-আউটে তাদের মস্তিষ্কের খেলাও গড়ে দিতে পারে ব্যবধান।

তারকা খ্যাতিতে শিষ্যদের চেয়ে পিছিয়ে থাকলেও কোচদের আয় একবারে কম নয়। এবারের বিশ্বকাপের ৩২ জন নেপথ্য নায়কের মধ্যে সবচেয়ে দামি ১০ জনের নাম জেনে নেয়া যাক।

জোয়াকিম লো : এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে দামি কোচ জার্মানির জোয়াচিম লো। ৫৮ বছর বয়সী লো’র বার্ষিক বেতন ৩.৮৫ মিলিয়ন ইউরো। ২০০৬ সালে জার্মানির জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পান লো। তার অধীনেই ২০১৪’র ব্রাজিল বিশ্বকাপে চতুর্থবারের মতো শিরোপা জেতে জার্মানি। গত মাসেই তার সঙ্গে ২০২২ সাল পর্যন্ত চুক্তি নবায়ন করেছে জার্মান ফুটবল ফেডারেশন।

তিতে : দামি কোচের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের কোচ তিতে। তার বার্ষিক বেতন ৩.৫ মিলিয়ন ইউরো। ২০১৬ সালে ব্রাজিল দলের দায়িত্ব নেন ৫৭ বছর বয়সী তিতে। তার হাত ধরেই ছন্নছাড়া ব্রাজিল আবার সুসংহত হয়। বাছাইপর্বে দুর্দান্ত খেলে সবার আগে রাশিয়ার টিকিট নিশ্চিত করেন নেইমাররা।

দিদিয়ের দেশম : ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম বিশ্বকাপের কোচদের মধ্যে আয়ের দিক থেকে তিতের সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে আছেন। ৪৯ বছর বয়সী দেশমের বার্ষিক আয় ৩.৫ মিলিয়ন ইউরো। ফ্রান্সের ১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক ২০১২ সালে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে নিয়োগ পান।

হুলেন লোপেতেগুই : স্পেনের কোচ হুলেন লোপেতেগুয়ের বার্ষিক বেতন ৩ মিলিয়ন ইউরো। ৫১ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ চতুর্থ দামি কোচ এবারের বিশ্বকাপে। ২০১৬ সালে স্পেনের কোচ হন তিনি।

স্তানিসলাভ চেরচিসোভ : শীর্ষ আয়ের কোচের তালিকায় পাঁচ নম্বরে আছেন রাশিয়ার কোচ স্তানিসলাভ চেরচিসোভ। ৫৪ বছর বয়সী চেরচিসোভের বার্ষিক বেতন ২.৬ মিলিয়ন ইউরো। ২০১৬ সালে রাশিয়ার জাতীয় দলের দায়িত্ব পান তিনি।

ফার্নান্দো সান্তোস : ২.২৫ মিলিয়ন বার্ষিক বেতন নিয়ে তালিকার ছয় নম্বরে আছেন পর্তুগালের কোচ ফার্নান্দো সান্তোস। ৬৩ বছর বয়সী সান্তোস ২০১৪ সালে পর্তুগাল দলের দায়িত্ব নেন। তার অধীনেই ২০১৬ ইউরোতে চ্যাম্পিয়ন হয় পর্তুগাল।

কার্লোস কুইরোজ : বিশ্বকাপের দামি কোচের তালিকায় সাত নম্বরে আছেন ইরানের পর্তুগিজ কোচ কার্লোস কুইরোজ। ৬৫ বছর বয়সী কুইরোজের বার্ষিক বেতন ২ মিলিয়ন ইউরো। ২০১১ সাল থেকে ইরানের কোচের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এর আগে ২০০৮ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত পর্তুগালের কোচ ছিলেন কুইরোজ।

গ্যারেথ সাউথগেট : ইংলিশ কোচ গ্যারেথ সাউথগেটের বার্ষিক বেতন ২ মিলিয়ন ইউরো। ৪৭ বছর বয়সী গ্যারেথ ২০১৬ সাল থেকে ইংল্যান্ড দলের দায়িত্বে আছেন।

হোর্হে সাম্পাওলি : বিশ্বকাপে বেশি আয়ের কোচের তালিকায় নয় নম্বরে আছেন আর্জেন্টিনার কোচ হোর্হে সাম্পাওলি। তার বার্ষিক বেতন ১.৮ মিলিয়ন ইউরো। ৫৮ বছর বয়সী সাম্পাওলি ২০১৭ সাল থেকে লিওনেল মেসিদের কোচ হিসেবে কাজ করছেন।

অস্কার তাবারেজ : আরেক লাতিন দল উরুগুয়ের কোচ অস্কার তাবারেজ আছেন ১০ নম্বরে। তার বার্ষিক বেতন ১.৭ মিলিয়ন ইউরো। ২০০৬ সালে তিনি উরুগুয়ের জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব নেন।