ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

তাৎক্ষণিকভাবে ক্লান্তি দূর করে যে খাবারগুলো

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অনেক সময় আমাদের তাৎক্ষণিক শক্তির দরকার হয়। এখানে রইল এমন কয়েকটি খাবারের তালিকা যা আপনাকে দ্রুততম সময়ে শক্তি সরবরাহ করবে এবং রিফ্রেশ ও পুনরুজ্জীবিত করবে।

১. কলা
এতে রয়েছে জটিল কার্বোহাইড্রেট, প্রাকৃতিক সুগার, অ্যামাইনো এসিড, ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। কলা খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শরীরে নর-এপাইনফ্রাইন নামের একটি হরোমান নিঃসরিত হয়। যা তাৎক্ষণিভাবে দেহের শক্তি বাড়ায়। এছাড়া রক্তচাপও বাড়ায়। ফলে তাৎক্ষণিকভাবেই ক্লান্তি কেটে যায়। একটি কলায় ৮০ থেকে ১২০ কিলোক্যালোরি থাকে।

২. বাদাম
যখনই আমাদের তাৎক্ষণিক শক্তির দরকার হয় তখনই একমুঠো বাদাম হতে সেরা স্ন্যাকস। বাদামে রয়েছে প্রোটিন,, স্বাস্থ্যকর চর্বি, আঁশ এবং ম্যাগনেশিয়াম, ফলিক এসিডের মতো খনিজ পুষ্টি উপাদান। এই পুষ্টি উপাদানগুলো শক্তি ও কোষ উৎপাদনে জরুরি সহায়ক।

তবে প্যাকেটজাত বাদাম খাওয়া উচিত নয়। কেননা তাতে অতিরিক্ত লবণ এবং অস্বাস্থ্যকর তেল থাকে।
৩. ডিম
হালাক নাস্তার জন্য ডিম হতে পারে চমৎকার খাবার। ডিমে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। এছাড়া আমাদের দেহের জন্য প্রয়োজনীয় নয়টি অ্যামাইনো এসিডের সবকটিই আছে এতে। আরো আছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এবং ভিটামিন ডি। সারদিন ধরে শক্তির যোগান দিতে সক্ষম ডিম। সুতরাং হালকা নাস্তার জন্য এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে!

৪. অ্যাভোকাডো
এটি একটি সুপার ফুড। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি, সি, কে, খনিজ পুষ্টি এবং মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড যা হজম করতেও দীর্ঘ সময় লাগে। এর উচ্চ আঁশসমৃদ্ধ উপাদান আমাদেরকে দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধামুক্ত রাখে। প্রতিদিন সকালের নাস্তায় খেলে সারাদিন ধরে দেহে চার্জ থাকে।

৫. ডার্ক চকোলেট
চকোলেট উচ্চ শক্তিবর্ধক এবং মুড-বুস্টার। এতে আছে ক্যাফেইন এবং থ্রিওব্রোমিন ও ট্রিপটোফ্যান এর মতো উদ্দীপক উপাদান। যা মনকে রিল্যাক্স করে।

৬. পাতাবহুল সবুজ সবজি
দিনের মধ্যভাগে তাৎক্ষণিকভাবে শক্তির যোগানের জন্য সবজি সবচেয়ে ভালো অপশন। কারণ সবজিতে ক্যালোরি থাকে খু্বই কম এবং তা আঁশ ও খনিজ পুষ্টিতে সমৃদ্ধ। স্পিনাক, বাধাকপি এবং গাজর হজমে সময় লাগে অনেক। ফলে পেটও ভরা থাকে দীর্ঘক্ষণ।

৭. পানি
পানি পান করে দেহকে আর্দ্র রাখার মাধ্যমে শক্তির যোগান দেওয়া যায় সবচেয়ে সহজে। সবসময় সঙ্গে একটি পানির পাত্র রাখুন। এবং সারাদিন ধরে পানি পান করুন ও দেহকে উজ্জীবিত রাখুন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের ক্ষমতাসীন দলকে ‘স্যাডিস্ট ও ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র

তাৎক্ষণিকভাবে ক্লান্তি দূর করে যে খাবারগুলো

আপডেট সময় ০৬:২৮:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অনেক সময় আমাদের তাৎক্ষণিক শক্তির দরকার হয়। এখানে রইল এমন কয়েকটি খাবারের তালিকা যা আপনাকে দ্রুততম সময়ে শক্তি সরবরাহ করবে এবং রিফ্রেশ ও পুনরুজ্জীবিত করবে।

১. কলা
এতে রয়েছে জটিল কার্বোহাইড্রেট, প্রাকৃতিক সুগার, অ্যামাইনো এসিড, ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। কলা খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শরীরে নর-এপাইনফ্রাইন নামের একটি হরোমান নিঃসরিত হয়। যা তাৎক্ষণিভাবে দেহের শক্তি বাড়ায়। এছাড়া রক্তচাপও বাড়ায়। ফলে তাৎক্ষণিকভাবেই ক্লান্তি কেটে যায়। একটি কলায় ৮০ থেকে ১২০ কিলোক্যালোরি থাকে।

২. বাদাম
যখনই আমাদের তাৎক্ষণিক শক্তির দরকার হয় তখনই একমুঠো বাদাম হতে সেরা স্ন্যাকস। বাদামে রয়েছে প্রোটিন,, স্বাস্থ্যকর চর্বি, আঁশ এবং ম্যাগনেশিয়াম, ফলিক এসিডের মতো খনিজ পুষ্টি উপাদান। এই পুষ্টি উপাদানগুলো শক্তি ও কোষ উৎপাদনে জরুরি সহায়ক।

তবে প্যাকেটজাত বাদাম খাওয়া উচিত নয়। কেননা তাতে অতিরিক্ত লবণ এবং অস্বাস্থ্যকর তেল থাকে।
৩. ডিম
হালাক নাস্তার জন্য ডিম হতে পারে চমৎকার খাবার। ডিমে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। এছাড়া আমাদের দেহের জন্য প্রয়োজনীয় নয়টি অ্যামাইনো এসিডের সবকটিই আছে এতে। আরো আছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এবং ভিটামিন ডি। সারদিন ধরে শক্তির যোগান দিতে সক্ষম ডিম। সুতরাং হালকা নাস্তার জন্য এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে!

৪. অ্যাভোকাডো
এটি একটি সুপার ফুড। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি, সি, কে, খনিজ পুষ্টি এবং মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড যা হজম করতেও দীর্ঘ সময় লাগে। এর উচ্চ আঁশসমৃদ্ধ উপাদান আমাদেরকে দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধামুক্ত রাখে। প্রতিদিন সকালের নাস্তায় খেলে সারাদিন ধরে দেহে চার্জ থাকে।

৫. ডার্ক চকোলেট
চকোলেট উচ্চ শক্তিবর্ধক এবং মুড-বুস্টার। এতে আছে ক্যাফেইন এবং থ্রিওব্রোমিন ও ট্রিপটোফ্যান এর মতো উদ্দীপক উপাদান। যা মনকে রিল্যাক্স করে।

৬. পাতাবহুল সবুজ সবজি
দিনের মধ্যভাগে তাৎক্ষণিকভাবে শক্তির যোগানের জন্য সবজি সবচেয়ে ভালো অপশন। কারণ সবজিতে ক্যালোরি থাকে খু্বই কম এবং তা আঁশ ও খনিজ পুষ্টিতে সমৃদ্ধ। স্পিনাক, বাধাকপি এবং গাজর হজমে সময় লাগে অনেক। ফলে পেটও ভরা থাকে দীর্ঘক্ষণ।

৭. পানি
পানি পান করে দেহকে আর্দ্র রাখার মাধ্যমে শক্তির যোগান দেওয়া যায় সবচেয়ে সহজে। সবসময় সঙ্গে একটি পানির পাত্র রাখুন। এবং সারাদিন ধরে পানি পান করুন ও দেহকে উজ্জীবিত রাখুন।