ঢাকা ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত, ইশতেহারেও ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রের পক্ষে অবদান রাখা বুদ্ধিজীবীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি:সংসদে হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন: বিরোধীদলীয় নেতা হাসিনাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলাতে পুরো বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ: নাসীরুদ্দীন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘোষণা রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে কি একদলীয় শাসন কায়েম করবে বিএনপি, প্রশ্ন এটিএম আজহারের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার

ডি ভিলিয়ার্স অবসরে যাওয়ায় বোলাররা স্বস্তি পাবে: ডেল স্টেইন

ডি ভিলিয়ার্স-ডেল স্টেইন

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

প্রথম শ্রেণি এবং টেস্ট ক্রিকেটে দু’জনের অভিষেক হয় একই ম্যাচে। দু’জন একসঙ্গে খেলেছেন ২২১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ। গেল সপ্তাহে এবি ডি ভিলিয়ার্স আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। ডেল স্টেইন এখনও আছেন। সতীর্থ ও বন্ধু এবি ডি ভিলিয়ার্সকে তার চেয়ে ভালো আর কে চেনে। বন্ধুকে নিয়ে বন্ধুর কথা

প্রশ্ন : এবি ও আপনার টেস্ট অভিষেক হয় একই ম্যাচে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০০৪-এ পোর্ট এলিজাবেথে। এবিকে নিয়ে আপনার প্রথম স্মৃতি?

ডেল স্টেইন : প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও আমাদের ডেব্যু হয় একসঙ্গে। ২০০৩-এ। এক বছর পর টেস্টে দু’জনের অভিষেক হয় একসঙ্গে। একসঙ্গে অনেক ম্যাচ খেলেছি আমরা। একসঙ্গে যেমন খেলেছি, তেমনি পরস্পরের মুখোমুখিও হয়েছি। ১১ বছর বয়স থেকে একসঙ্গে খেলেছি আমরা। এবি’র বয়স যখন ১১, তখন থেকে ওকে চিনি। ক্রিকেট খেলার জন্য নয়, একজন দুর্দান্ত কিশোর হিসেবে।

প্রশ্ন : এবি অবসর নেয়ায় বোলাররা কী স্বস্তি পাবেন? স্টেইন : এবি আর খেলবে না, এটা সত্যিই হতাশার। হ্যাঁ, আন্তর্জাতিক দলগুলোর বোলাররা স্বস্তি পাবে। অন্তত একজন এমন ব্যাটসম্যানের বিরুদ্ধে আর বোলিং করতে হবে না, যাকে খেলা কঠিন। এবি একটি পাহাড়সম খেলোয়াড়। সেরার বিরুদ্ধে নিজেকে দাঁড় করানোর চ্যালেঞ্জ আর রইল না। এদিক থেকে ওর অবসর নেয়াটা দুঃখের।

প্রশ্ন : নেটে তাকে বোলিং করার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? স্টেইন : ঘণ্টায় ১৪৫ কিলোমিটার বেগে আসা বলকে বশ্যতা স্বীকারের দুর্লভ প্রতিভার অধিকারী সে। যাদের বিপক্ষে বল করেছি আর কাউকে তার মতো দেখিনি। আমাকে সম্পূর্ণ অসহায় করে তোলার সহজাত প্রতিভা রয়েছে ওর।

প্রশ্ন : এবি কী আপনার প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতেন?

স্টেইন : দিত। গ্রায়েম স্মিথ সেরা অধিনায়ক, যার অধীনে আমি খেলেছি। এবি যখন অধিনায়ক হয়ে আসে, ওর নেতৃত্বে ঢেকে যায় ওর নৈপুণ্য। যদিও সে একজন ভালো অধিনায়ক ছিল। তার চেয়েও একজন ভালো খেলোয়াড় ছিল সে।
প্রশ্ন : এবি’র কোন গুণটা আপনার হলে খুশি হতেন? স্টেইন : ওর সাহস। জীবনে কখনো আমি এবি’কে ভয় পেতে দেখিনি। কখনো না। কখনো প্রতিকূল কন্ডিশন কিংবা পিচে ব্যাট করতে নামার সময় ওর চোখে আমি ভয় দেখিনি।

প্রশ্ন : এবি অবসর নেয়ায় ক্রিকেট কী হারাল? স্টেইন : সেরাটাকে হারাল। আপনি অনেককেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে দেখেন। ভাবেন, ওরা যথেষ্ট ভালো। তার চেয়েও ভালো ক্রিকেটার আছে। তাদের উপরে এবি ডি ভিলিয়ার্স।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি

ডি ভিলিয়ার্স অবসরে যাওয়ায় বোলাররা স্বস্তি পাবে: ডেল স্টেইন

আপডেট সময় ০৯:৪৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ মে ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

প্রথম শ্রেণি এবং টেস্ট ক্রিকেটে দু’জনের অভিষেক হয় একই ম্যাচে। দু’জন একসঙ্গে খেলেছেন ২২১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ। গেল সপ্তাহে এবি ডি ভিলিয়ার্স আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। ডেল স্টেইন এখনও আছেন। সতীর্থ ও বন্ধু এবি ডি ভিলিয়ার্সকে তার চেয়ে ভালো আর কে চেনে। বন্ধুকে নিয়ে বন্ধুর কথা

প্রশ্ন : এবি ও আপনার টেস্ট অভিষেক হয় একই ম্যাচে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০০৪-এ পোর্ট এলিজাবেথে। এবিকে নিয়ে আপনার প্রথম স্মৃতি?

ডেল স্টেইন : প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও আমাদের ডেব্যু হয় একসঙ্গে। ২০০৩-এ। এক বছর পর টেস্টে দু’জনের অভিষেক হয় একসঙ্গে। একসঙ্গে অনেক ম্যাচ খেলেছি আমরা। একসঙ্গে যেমন খেলেছি, তেমনি পরস্পরের মুখোমুখিও হয়েছি। ১১ বছর বয়স থেকে একসঙ্গে খেলেছি আমরা। এবি’র বয়স যখন ১১, তখন থেকে ওকে চিনি। ক্রিকেট খেলার জন্য নয়, একজন দুর্দান্ত কিশোর হিসেবে।

প্রশ্ন : এবি অবসর নেয়ায় বোলাররা কী স্বস্তি পাবেন? স্টেইন : এবি আর খেলবে না, এটা সত্যিই হতাশার। হ্যাঁ, আন্তর্জাতিক দলগুলোর বোলাররা স্বস্তি পাবে। অন্তত একজন এমন ব্যাটসম্যানের বিরুদ্ধে আর বোলিং করতে হবে না, যাকে খেলা কঠিন। এবি একটি পাহাড়সম খেলোয়াড়। সেরার বিরুদ্ধে নিজেকে দাঁড় করানোর চ্যালেঞ্জ আর রইল না। এদিক থেকে ওর অবসর নেয়াটা দুঃখের।

প্রশ্ন : নেটে তাকে বোলিং করার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? স্টেইন : ঘণ্টায় ১৪৫ কিলোমিটার বেগে আসা বলকে বশ্যতা স্বীকারের দুর্লভ প্রতিভার অধিকারী সে। যাদের বিপক্ষে বল করেছি আর কাউকে তার মতো দেখিনি। আমাকে সম্পূর্ণ অসহায় করে তোলার সহজাত প্রতিভা রয়েছে ওর।

প্রশ্ন : এবি কী আপনার প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতেন?

স্টেইন : দিত। গ্রায়েম স্মিথ সেরা অধিনায়ক, যার অধীনে আমি খেলেছি। এবি যখন অধিনায়ক হয়ে আসে, ওর নেতৃত্বে ঢেকে যায় ওর নৈপুণ্য। যদিও সে একজন ভালো অধিনায়ক ছিল। তার চেয়েও একজন ভালো খেলোয়াড় ছিল সে।
প্রশ্ন : এবি’র কোন গুণটা আপনার হলে খুশি হতেন? স্টেইন : ওর সাহস। জীবনে কখনো আমি এবি’কে ভয় পেতে দেখিনি। কখনো না। কখনো প্রতিকূল কন্ডিশন কিংবা পিচে ব্যাট করতে নামার সময় ওর চোখে আমি ভয় দেখিনি।

প্রশ্ন : এবি অবসর নেয়ায় ক্রিকেট কী হারাল? স্টেইন : সেরাটাকে হারাল। আপনি অনেককেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে দেখেন। ভাবেন, ওরা যথেষ্ট ভালো। তার চেয়েও ভালো ক্রিকেটার আছে। তাদের উপরে এবি ডি ভিলিয়ার্স।