ঢাকা ০৯:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাদি হত্যা: ফয়সাল করিমের আরেক সহযোগী গ্রেফতার, ৬ দিনের রিমান্ড টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো : মামুনুল হক তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

৪০ পিস গুলি কিনতে চান ডিআইজি মিজান

ফাইল ছবি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে এক নারীকে বিয়ের অভিযোগে পুলিশের সেই ডিআইজি মিজানুর রহমান ৪০ পিস গুলি কেনার জন্য মাগুরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আবেদন করেছেন। ব্যাপক সমালোচনার মুখে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়।

সোমবার তিনি একজন দেহরক্ষী পাঠিয়ে পিস্তলের গুলি কেনার জন্য মাগুরা জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন। আবেদনপত্রে তিনি নিজেকে মাগুরার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে পরিচয় দেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ২০১১ সালের ২৩ মে আমি ইউএসএর তৈরি বেরেটা মডেলের পিস্তল ক্রয় করি। তখন আমি ১০ রাউন্ড গুলিও ক্রয় করি। কিন্তু বর্তমানে ৩২ বোরের আরও ৪০ রাউন্ড গুলি ক্রয় করতে আগ্রহী।

নারী কেলেঙ্কারির কারণে ব্যাপক সমালোচিত পুলিশের এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ১৯৯৭ সালের ৩০ জানুয়ারি থেকে ১৯৯৮ সালের ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাগুরায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ছিলেন। সে সময় তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন।

তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতারা ছাড়াও আইনজীবীদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়লে তাকে প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে আসে।

মিজানুর রহমান ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার ছিলেন। দীর্ঘ সময় সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার হিসেবেও দায়িত্বপালন করেছেন। কিন্তু মাগুরায় মাত্র দুই বছর কর্মরত থাকার সুযোগে আগ্নেয়াস্ত্রের গুলি ক্রয়ের অনুমতির জন্য মাগুরা জেলা প্রশাসনকে বেছে নেয়ার বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, তিনি একসময় মাগুরাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন ঠিকই। কিন্তু গুলি ক্রয়ের জন্য আবেদন করেছেন কিনা সে বিষয়টি আমাদের জানা নেই।

গুলি ক্রয়ের আবেদনের সত্যতা স্বীকার করেছেন মাগুরা জেলা প্রশাসক আতিকুর রহমান। তবে ঠিক কী কারণে মিজানুর মাগুরাকে বেছে নিয়েছেন সেই প্রশ্নে তিনি বলেন, এই প্রশ্নের জবাব কেবল আবেদনকারীই দিতে পারেন।

এ বিষয়ে মিজানুর রহমানের সঙ্গে কথা বলতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান

৪০ পিস গুলি কিনতে চান ডিআইজি মিজান

আপডেট সময় ১০:০১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে এক নারীকে বিয়ের অভিযোগে পুলিশের সেই ডিআইজি মিজানুর রহমান ৪০ পিস গুলি কেনার জন্য মাগুরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আবেদন করেছেন। ব্যাপক সমালোচনার মুখে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়।

সোমবার তিনি একজন দেহরক্ষী পাঠিয়ে পিস্তলের গুলি কেনার জন্য মাগুরা জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন। আবেদনপত্রে তিনি নিজেকে মাগুরার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে পরিচয় দেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ২০১১ সালের ২৩ মে আমি ইউএসএর তৈরি বেরেটা মডেলের পিস্তল ক্রয় করি। তখন আমি ১০ রাউন্ড গুলিও ক্রয় করি। কিন্তু বর্তমানে ৩২ বোরের আরও ৪০ রাউন্ড গুলি ক্রয় করতে আগ্রহী।

নারী কেলেঙ্কারির কারণে ব্যাপক সমালোচিত পুলিশের এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ১৯৯৭ সালের ৩০ জানুয়ারি থেকে ১৯৯৮ সালের ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাগুরায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ছিলেন। সে সময় তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন।

তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতারা ছাড়াও আইনজীবীদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়লে তাকে প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে আসে।

মিজানুর রহমান ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার ছিলেন। দীর্ঘ সময় সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার হিসেবেও দায়িত্বপালন করেছেন। কিন্তু মাগুরায় মাত্র দুই বছর কর্মরত থাকার সুযোগে আগ্নেয়াস্ত্রের গুলি ক্রয়ের অনুমতির জন্য মাগুরা জেলা প্রশাসনকে বেছে নেয়ার বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, তিনি একসময় মাগুরাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন ঠিকই। কিন্তু গুলি ক্রয়ের জন্য আবেদন করেছেন কিনা সে বিষয়টি আমাদের জানা নেই।

গুলি ক্রয়ের আবেদনের সত্যতা স্বীকার করেছেন মাগুরা জেলা প্রশাসক আতিকুর রহমান। তবে ঠিক কী কারণে মিজানুর মাগুরাকে বেছে নিয়েছেন সেই প্রশ্নে তিনি বলেন, এই প্রশ্নের জবাব কেবল আবেদনকারীই দিতে পারেন।

এ বিষয়ে মিজানুর রহমানের সঙ্গে কথা বলতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।