ঢাকা ০৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

জিন্নাহ মহাপুরুষ ছিলেন: বিজেপি সাংসদ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারত ভাগের জন্য হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলো যাকে দায়ী করে থাকে সেই মোহাম্মদ আলি জিন্নাহকে মহাপুরুষ বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন বিজেপির একজন সাংসদ। পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলি জিন্নাহকে নিয়ে ভারতের রাজনীতি অঙ্গন এখন গরম।

উত্তর প্রদেশের বাহরাইচ এলাকার সাংসদ সাবিত্রী বাই ফুলে বলেন, ‘জিন্নাহ একজন মহাপুরুষ ছিলেন।ভারতের স্বাধীনতা অর্জনে জিন্নাহর ভূমিকা কোনওভাবেই খাটো করা যায় না। লোকসভার দেয়ালে জিন্নাহর ছবি রয়েছে। তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা উচিত। যেখানে প্রয়োজন সেখানেই তার ছবি টানানো উচিত। দলিত ইস্যু থেকে মনোযোগ সরাতেই জিন্নাহ ইস্যু নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। আমি এসবের সঙ্গে একমত নই।’

‘জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছে। এসব মানুষদের অবশ্যই শ্রদ্ধা করা উচিত। যারা স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন তাদের অবশ্যই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা উচিত।’

উত্তর প্রদেশের আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়ন ভবনের সেন্ট্রাল হলে মোহাম্মদ আলি জিন্নাহর একটি প্রমাণ সাইজের পোর্ট্রেট বা প্রতিকৃতি টাঙানো আছে সেই ১৯৩৮ সাল থেকে – যখন ছাত্রদের আমন্ত্রণে জিন্নাহ আলিগড়ে এসেছিলেন এবং তাকে ইউনিয়নের আজীবন সদস্যপদ দেয়া হয়েছিল।

কিন্তু তার ৮০ বছর বাদে এসে এখন জিন্নাহর ছবি রাখা নিয়ে বর্তমান বিজেপি এমপি সতীশ গৌতম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তারিক মনসুরকে চিঠি লিখে এর জন্য কৈফিয়ত তলব করেছেন – এবং বলেছেন যে পাকিস্তান আজও ভারতকে বিরক্ত করে যাচ্ছে তার জন্মদাতার ছবি টাঙানোর দরকারটা কী? এমপি বিশ্ববিদ্যালয় অবিলম্বে ওই ছবি সরিয়ে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। আর এরপরই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসং‌যোগ কর্মকর্তা সায়ফি কিদওয়াই বলেছেন, ‘১৯৩৮ সালে জিন্নাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন। সেই সময় তাকে সাম্মানসূচক ডিগ্রি দেয়া হয়। তখন থেকে ছবিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

জিন্নাহ মহাপুরুষ ছিলেন: বিজেপি সাংসদ

আপডেট সময় ০৪:১৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারত ভাগের জন্য হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলো যাকে দায়ী করে থাকে সেই মোহাম্মদ আলি জিন্নাহকে মহাপুরুষ বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন বিজেপির একজন সাংসদ। পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলি জিন্নাহকে নিয়ে ভারতের রাজনীতি অঙ্গন এখন গরম।

উত্তর প্রদেশের বাহরাইচ এলাকার সাংসদ সাবিত্রী বাই ফুলে বলেন, ‘জিন্নাহ একজন মহাপুরুষ ছিলেন।ভারতের স্বাধীনতা অর্জনে জিন্নাহর ভূমিকা কোনওভাবেই খাটো করা যায় না। লোকসভার দেয়ালে জিন্নাহর ছবি রয়েছে। তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা উচিত। যেখানে প্রয়োজন সেখানেই তার ছবি টানানো উচিত। দলিত ইস্যু থেকে মনোযোগ সরাতেই জিন্নাহ ইস্যু নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। আমি এসবের সঙ্গে একমত নই।’

‘জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছে। এসব মানুষদের অবশ্যই শ্রদ্ধা করা উচিত। যারা স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন তাদের অবশ্যই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা উচিত।’

উত্তর প্রদেশের আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়ন ভবনের সেন্ট্রাল হলে মোহাম্মদ আলি জিন্নাহর একটি প্রমাণ সাইজের পোর্ট্রেট বা প্রতিকৃতি টাঙানো আছে সেই ১৯৩৮ সাল থেকে – যখন ছাত্রদের আমন্ত্রণে জিন্নাহ আলিগড়ে এসেছিলেন এবং তাকে ইউনিয়নের আজীবন সদস্যপদ দেয়া হয়েছিল।

কিন্তু তার ৮০ বছর বাদে এসে এখন জিন্নাহর ছবি রাখা নিয়ে বর্তমান বিজেপি এমপি সতীশ গৌতম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তারিক মনসুরকে চিঠি লিখে এর জন্য কৈফিয়ত তলব করেছেন – এবং বলেছেন যে পাকিস্তান আজও ভারতকে বিরক্ত করে যাচ্ছে তার জন্মদাতার ছবি টাঙানোর দরকারটা কী? এমপি বিশ্ববিদ্যালয় অবিলম্বে ওই ছবি সরিয়ে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। আর এরপরই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসং‌যোগ কর্মকর্তা সায়ফি কিদওয়াই বলেছেন, ‘১৯৩৮ সালে জিন্নাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন। সেই সময় তাকে সাম্মানসূচক ডিগ্রি দেয়া হয়। তখন থেকে ছবিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে।’