ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

জিন্নাহ মহাপুরুষ ছিলেন: বিজেপি সাংসদ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারত ভাগের জন্য হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলো যাকে দায়ী করে থাকে সেই মোহাম্মদ আলি জিন্নাহকে মহাপুরুষ বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন বিজেপির একজন সাংসদ। পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলি জিন্নাহকে নিয়ে ভারতের রাজনীতি অঙ্গন এখন গরম।

উত্তর প্রদেশের বাহরাইচ এলাকার সাংসদ সাবিত্রী বাই ফুলে বলেন, ‘জিন্নাহ একজন মহাপুরুষ ছিলেন।ভারতের স্বাধীনতা অর্জনে জিন্নাহর ভূমিকা কোনওভাবেই খাটো করা যায় না। লোকসভার দেয়ালে জিন্নাহর ছবি রয়েছে। তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা উচিত। যেখানে প্রয়োজন সেখানেই তার ছবি টানানো উচিত। দলিত ইস্যু থেকে মনোযোগ সরাতেই জিন্নাহ ইস্যু নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। আমি এসবের সঙ্গে একমত নই।’

‘জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছে। এসব মানুষদের অবশ্যই শ্রদ্ধা করা উচিত। যারা স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন তাদের অবশ্যই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা উচিত।’

উত্তর প্রদেশের আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়ন ভবনের সেন্ট্রাল হলে মোহাম্মদ আলি জিন্নাহর একটি প্রমাণ সাইজের পোর্ট্রেট বা প্রতিকৃতি টাঙানো আছে সেই ১৯৩৮ সাল থেকে – যখন ছাত্রদের আমন্ত্রণে জিন্নাহ আলিগড়ে এসেছিলেন এবং তাকে ইউনিয়নের আজীবন সদস্যপদ দেয়া হয়েছিল।

কিন্তু তার ৮০ বছর বাদে এসে এখন জিন্নাহর ছবি রাখা নিয়ে বর্তমান বিজেপি এমপি সতীশ গৌতম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তারিক মনসুরকে চিঠি লিখে এর জন্য কৈফিয়ত তলব করেছেন – এবং বলেছেন যে পাকিস্তান আজও ভারতকে বিরক্ত করে যাচ্ছে তার জন্মদাতার ছবি টাঙানোর দরকারটা কী? এমপি বিশ্ববিদ্যালয় অবিলম্বে ওই ছবি সরিয়ে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। আর এরপরই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসং‌যোগ কর্মকর্তা সায়ফি কিদওয়াই বলেছেন, ‘১৯৩৮ সালে জিন্নাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন। সেই সময় তাকে সাম্মানসূচক ডিগ্রি দেয়া হয়। তখন থেকে ছবিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জিন্নাহ মহাপুরুষ ছিলেন: বিজেপি সাংসদ

আপডেট সময় ০৪:১৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারত ভাগের জন্য হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলো যাকে দায়ী করে থাকে সেই মোহাম্মদ আলি জিন্নাহকে মহাপুরুষ বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন বিজেপির একজন সাংসদ। পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলি জিন্নাহকে নিয়ে ভারতের রাজনীতি অঙ্গন এখন গরম।

উত্তর প্রদেশের বাহরাইচ এলাকার সাংসদ সাবিত্রী বাই ফুলে বলেন, ‘জিন্নাহ একজন মহাপুরুষ ছিলেন।ভারতের স্বাধীনতা অর্জনে জিন্নাহর ভূমিকা কোনওভাবেই খাটো করা যায় না। লোকসভার দেয়ালে জিন্নাহর ছবি রয়েছে। তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা উচিত। যেখানে প্রয়োজন সেখানেই তার ছবি টানানো উচিত। দলিত ইস্যু থেকে মনোযোগ সরাতেই জিন্নাহ ইস্যু নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। আমি এসবের সঙ্গে একমত নই।’

‘জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছে। এসব মানুষদের অবশ্যই শ্রদ্ধা করা উচিত। যারা স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন তাদের অবশ্যই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা উচিত।’

উত্তর প্রদেশের আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়ন ভবনের সেন্ট্রাল হলে মোহাম্মদ আলি জিন্নাহর একটি প্রমাণ সাইজের পোর্ট্রেট বা প্রতিকৃতি টাঙানো আছে সেই ১৯৩৮ সাল থেকে – যখন ছাত্রদের আমন্ত্রণে জিন্নাহ আলিগড়ে এসেছিলেন এবং তাকে ইউনিয়নের আজীবন সদস্যপদ দেয়া হয়েছিল।

কিন্তু তার ৮০ বছর বাদে এসে এখন জিন্নাহর ছবি রাখা নিয়ে বর্তমান বিজেপি এমপি সতীশ গৌতম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তারিক মনসুরকে চিঠি লিখে এর জন্য কৈফিয়ত তলব করেছেন – এবং বলেছেন যে পাকিস্তান আজও ভারতকে বিরক্ত করে যাচ্ছে তার জন্মদাতার ছবি টাঙানোর দরকারটা কী? এমপি বিশ্ববিদ্যালয় অবিলম্বে ওই ছবি সরিয়ে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। আর এরপরই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসং‌যোগ কর্মকর্তা সায়ফি কিদওয়াই বলেছেন, ‘১৯৩৮ সালে জিন্নাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন। সেই সময় তাকে সাম্মানসূচক ডিগ্রি দেয়া হয়। তখন থেকে ছবিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে।’